আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ঢাকার মাইলস্টোন ট্রাজেডির স্বরণে বাংলাদেশ প্রবাস ক্লাব ইউ এই এর শোকপ্রকাশ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল।

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী ইউ এ ই প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

দুবাইতে ঢাকার দিয়া বাড়ি উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্র -ছাত্রী, শিক্ষক – শিক্ষিকা ও অবিভাবক ও পাইলট তৌকিরসহ নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করে “বাংলাদেশ প্রবাস ক্লাব ইউএই”এর উদ্যোগে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

নিহতেরদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুবাই ও উত্তর আমিরাতের বাংলাদেশের কনসাল জেনারেলের প্রতিনিধি কনসুলেটের প্রথম সচিব প্রেস মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন আমরা সবাই গভীরভাবে শোকাহত মর্মাহত এ শোকের আভসে কারো কান্না যেন থামছিলনা, রাষ্ট্রীয় শোকের অংশ হিসেবে গতকাল কনসুলেটেও শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন হয়েছে, সুখেদুঃখে দেশ ও মানুষের পাশে থাকার “প্রবাস ক্লাবের” এ উদ্যোগ সবার কাছে অত্যান্ত প্রশংসার দাবি রাখে। কনসাল জেনারেল মোঃ রাশেদুজ্জামান নিজেই এ মহত উদ্যোগের ভূয়সী প্রসংশা করে কনসুলেটের হয়ে আমাদের উপস্থিত হতে বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বের বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রবাস ক্লাবের সভাপতি এস এম ফয়জুল্লাহ শহিদ বলেন: অপ্রত্যাশিত নির্মম এ দুর্ঘটনায় দেশের মানুষের পাশাপাশি বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাঝেও নেমে আসে শোকের ছায়া।নিষ্পাপ বাচ্চাদের হ্রদয়বিধারক এ দৃশ্যে শোকের আবহে ব্যাথিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা সুখে- দুঃখে সর্বদা আছে দেশের তরে, দেশের মাটি ও মানুষের জন্য তারা বিদেশ খেটে মরে,তাদের মনটা পড়ে থাকে প্রিয় মাতৃভূমিতে, শত অবহেলা ও লাঞ্চনার শিকার হ’য়েও দেশের পাশে থেকে দেশকে ভালোবাসে নিঃস্বার্থভাবে দেশের মাটি ও মানুষের জন্য কাঁদে। তিনি বলেন মানুষ মানুষের জন্য প্রবাসীরা সবার জন্য এ ব্রত নিয়ে বাংলাদেশ প্রবাস ক্লাব আমিরাতে অসংখ্য অসুস্থ, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহায়তায় কাজ করেছেন। মানবিক দৃষ্টান্ত রেখে অনেক প্রবাসীর লাশ দেশে প্রেরনে সহযোগিতা করেছেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ প্রবাস ক্লাব দেশের পাশে আছে সামনেও দেশ ও মানুষের পাশে থাকতে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী মুহাম্মাদ সালাউদ্দিন বলেন : দলমত নির্বিশেষে দেশে বিদেশে সকলকেই জাতির এ মাতমে স্বতস্ফুর্তভাবে দোয়া আচার করা উচিৎ কারণ মাছুম বাচ্চাগুলা আমাদেরই ভবিষ্যত।

বাংলাদেশ প্রবাস ক্লাব ( বি ই সি) আরব আমিরাতের সভাপতি প্রবাসী সাংবাদিক এস এম ফয়জুল্লাহ শহিদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক চ্যানেল এস নিউজ আরব আমিরাত প্রতিনিধি এম শামসুর রহমান সোহেল এর সঞ্চালনায়,
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কনসুলেট কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান এর প্রতিনিধি হিসেবে কনসুলেট এর প্রথম সচিব (প্রেস) আরিফুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন আরব আমিরাত বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী মুহাম্মাদ সালাউদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমিন শরিফ, কমিউনিটি নেতা রানা মুহাম্মদ ইউসুপ, মুহাম্মাদ মানিক, সাংবাদিক নাসিম উদ্দিন আকাশ, চ্যানেল ২৪ এর আমিরাত প্রতিনিধি ইশতিয়াক আসিফ , বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মঞ্জুর আলম, মনপুরা রেস্টুরেন্টে এর সত্তাধিকারী মুহাম্মদ জসিমউদদীন, বাংলাদেশ প্রবাস ক্লাব আরব আমিরাতের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরওয়ার , সাংগঠনিক সম্পাদক সরওয়ার উদ্দিন রনি, সহ সাধারণ সম্পাদক রাসেল রাজ, সহ সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন প্রচার সম্পাদক, দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন দুবাই প্রতিনিধি রিদ ওয়ান সহ সংগঠনের সদস্য বৃন্দ।

নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবাররের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায়, সাথে ২৪এর জুলাই আগষ্টের গনঅভ্যুত্থানের সকল শহীদ ও আহতদের জন্য সহ দেশের কল্যানে দোয়া মোনাজাত করা হয়।
দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মো: আবুল কালাম – ইমাম ও খতিব সোনাপুর সরকারি মসজিদ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ