আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হলেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী রাকা আলম।

কে এম রাজীব, চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চলচ্চিত্র, ব্যবসা ও সামাজিক কর্মকান্ডে বিশেষ অবদান রাখায় স্বীকৃতি স্বরুপ আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন সুন্দরী মিস বাংলাদেশ-১৯৯৫ খ্যাত চলচ্চিত্র নায়িকা, কক্সবাজার ওমেন্স চেম্বার অব কমার্স এর পরিচালক মাসুকা নাসরিন রাকা। গত ২৬ জুলাই ঢাকার বাংলা মোটরস্থ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে স্টার বাংলাদেশ মিডিয়া ও জাতীয় দৈনিক অভয়নগর পত্রিকার উদ্যোগে আয়োজিত মিডিয়া অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিয়ার আইকনিক অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ উপলক্ষে ” উদ্যােক্তার সফলতার পেছনের কথা ও মিডিয়ার ভূমিকা ” শীর্ষক আলোচনা সভা ও ই-ক্রয় প্রেজেন্ট’স অনুষ্ঠানে মাসুকা নাসরিন রাকা’কে এ আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। একই সাথে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোঃ জয়নুল আবেদীনকে।
বিশিষ্ট অভিনেত্রী মাসুকা নাসরিন রাকা বাংলাদেশ মার্শাল আর্টের জনক প্রজোযক, পরিচালক ও নায়ক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম এর সহধর্মিণী।

এছাড়া অনুষ্ঠানে শোবিজ, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক, আইসিটি ও আইটি, রিয়েল এস্টেট, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং নারী উদ্যােক্তা সহ দেশ বরেণ্য মানবিক কাজে যারা দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করেছেন তাদের মধ্যে বিভিন্ন কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ ৩০ জনকে মিডিয়া অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিয়ার আইকনিক অ্যাওয়ার্ড সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির চেয়ারম্যান, স্টার বাংলাদেশ মিডিয়া ও জাতীয় দৈনিক অভয়নগর পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আরিফুর রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন, ডিএমপি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা শাহজাহান সাজু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, দৈনিক অভয়নগর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ শাহিন হোসেন, আশিক আহমেদ, ইভান শাহরিয়ার সোহাগ, এ কে এম মুশফিকুল আলম। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যম, ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এসময় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার ছিলেন এটিএন বাংলা।

উল্লেখ, অভিনেত্রী মাসুকা নাসরিন রাকা ১১ই নভেম্বর কুমিল্লা জেলার চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর বেড়ে উঠা ঢাকা শহরে। তাঁর পিতা আব্দুল মান্নান ও মাতা কামরুন নাহার মন্নান। তিনি ছোট বেলা থেকেই সাংস্কৃতিমনা ছিলেন। কবিতা আবৃত্তি, অভিনয়ে ছিলেন বেশ মনোযোগী। তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু হয় ঢাকা আজিমপুর থেকে। তিনি আজিমপুর গার্লস হাই স্কুল থেকে এস এস সি, বদরুন্নেসা কলেজ থেকে এইচ এস সি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ওনার্স মাস্টার্স পাশ করেন। পরবর্তীতে স্টামফোর্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার উপর পড়াশোনা করে মাস্টার্স পাশ করে ডাবল এম এ উন্নীত হন।

তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশনে ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় শুরু করেন। তাঁর ধারাবাহিক উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে, তথাপি, মাটির মায়, আপন নিবাস ও অতন্ত্র প্রহর। এছাড়া তিনি বেশ কিছু খন্ড একক নাটকে অভিনয় করেন।যার মধ্যে কোথায় ও ক্ষরন, সোনার বলয়, ভালোবাসবে না কেন মন, মন বলে তুমি, আমার দুটি ভাই, ঢাকা চাঁদনি গড়ের কয়েকদিন ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইত্যাদি। এছাড়া তিনি যুক্ত হন লেখালেখি, সাংবাদিকতা, গল্প কবিতার বই লিখাতেও অবদান রাখেন। ১৯৯৩ সালের বই মেলাতে তাঁর প্রথম আবৃত্তির ক্যাসেট প্রকাশ পায়। সেখানে তিনি বেস্ট আবৃত্তিকার হিসেবে বিবেচিত হন এবং
তিনি একমাত্র অভিনেত্রী যিনি বিদেশের মাটিতে মূকাভিনেত্রী হিসেবে অভিনয় করেন।

মাসুকা নাসরিন রাকা’র ১৯৯৭ সালে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম এর হাত ধরে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। তাঁর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ” সুন্দরী মিস বাংলাদেশ “। এ ছবি ব্যবসা সফল হওয়ায় তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, একের পর এক ২৫টি ছবিতে কাজ করেন তিনি। তাঁর উল্লেখ যোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে, সুন্দরী মিস বাংলাদেশ, কুংফু নায়ক, পেশাদার খুনি, বিদ্রোহী মাস্তান, ওস্তাদের ওস্তাদ, ডাইরেক্ট এ্যাকশান, লোহার শিকল, মরণ নিশান, লাল চোখ, জলন্ত বিস্ফোরণ, ক্যাপ্টেন মারুফ, পিতা পুত্রের গল্প, নীল নকশা, তুষের আগুন ও আমি নারী ইত্যাদি। ব্যক্তি জীবনে রাকা ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলমকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির ঘরে তাজওয়ার আলম ও রেজওয়ার আলম নামের দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ শিক্ষিত এই নায়িকা বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক কর্মকান্ড এবং রিসোর্ট ব্যবসায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ