আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

বৃষ্টির প্রভাবে সবজি-মাছ’র দাম চড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৃষ্টির প্রভাবে সবজি-মাছ’র দাম চড়া

ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: মাছ থেকে মুরগি, সবজি থেকে গরুর মাংস, চাল থেকে ফলের বাজার-সবখানেই শুধু দাম বাড়ছে। আগের সপ্তাহের চেয়ে অনেক পণ্যেরই দাম বেড়েছে। দাম বাড়ার এই হার ক্রমাগত দেখা যাচ্ছে গত একমাস ধরে।
বিশেষ করে এক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টির মধ্যে ‘সরবরাহ সংকটে’ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের কাঁচাবাজারে সবজির দাম বেড়েছে। সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ কমে দাম বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গভীর সাগরে মাছ ধরার জন্য জেলেরা যেতে পারছেন না। এর ফলে বাজারে সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ কমে গেছে। ব্রয়লার মুরগি, গরু-ছাগলের মাংস, চালের বাজার এখনো চড়া আছে। তবে ডিম, আলু, পেঁয়াজসহ মুদিপণ্যের দর আগের মতো আছে। নগরীর বকশিরহাট ও সাবএরিয়া কাঁচাবাজার এবং বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ দোকানে দর যাচাই করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এতদিন লইট্যা, পোয়া, চিংড়ি, রূপচাঁদা, বড় কোরাল, ছোট কোরাল, ফাইস্যা, ছুরিমাছ, করতি, সুরমাসহ সামুদ্রিক বিভিন্ন জাতের মাছের দাম ক্রেতার নাগালের মধ্যে আসে। কিন্তু বিপত্তি শুরু হয়েছে জুলাইয়ের শেষভাগে এসে।বাজারে আবারও সামুদ্রিক মাছের দাম বেড়ে গেছে। বাজারে লইট্যা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ফাইস্যা ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, পোয়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, শাপলা পাতা মাছ ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, কোরাল ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা, রুপচান্দা ৩৫০ থেকে ৭০০ টাকা, আইড় ৪০০ থেকে ৬৫০ টাকা, চিংড়ি (বাগদা ও গলদা) সাইজভেদে ৬৫০ থেকে ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
আর বরাবরের মতো ইলিশ সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরেই আছে। খুচরা বাজারে এক-দেড় কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০০ থেকে ২৪০০ টাকায়। ৫০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৫০০ টাকা, এক কেজির কিছু কম ওজনের ইলিশ ১৮০০-২০০০ টাকা এবং জাটকা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়। দুই-আড়াই কেজি ওজনের বড় ইলিশ মাছ প্রতি কেজি তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সব বাজারে বড় ইলিশ নেই।

এছাড়া খাল-নদী ও চাষের মাছের মধ্যে রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০, পুঁটি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, নাইলোটিকা ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৪৫০, কৈ ২০০ থেকে ২২০ এবং তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস মিলছে ২২০ থেকে ২৮০ টাকায়।
অন্রদিকে বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়েছে। ৭০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে কিনতে হচ্ছে প্রতি কেজি বিভিন্ন ধরনের সবজি। কাঁকরোল, বরবটি, ঝিঙা, পটল, ঢেঁড়শ ৭০ থেকে ৯০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ও বেগুন কেজিতে অন্তত ৩০ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি কুমড়া ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ও লাউ ৬০ টাকা, শিম ৮০ টাকা, গাজর দেশি ৮০ টাকা, চায়নার ১৩০ টাকা, ফুলকপি ও বাঁধাকপি ১২০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ টাকা, শালগম ৭০ টাকা, মূলা ৬০ দরে বিক্রি হয়েছে। কাঁচামরিচ ১২০-১৪০ টাকা, ধনেপাতা ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।মুন্সীগঞ্জের আলু ২৫ টাকা, বগুড়ার লাল আলু ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শাকের মধ্যে কচু শাক ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া শাক ৫০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও লাল শাক ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সাবএরিয়া বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা রিয়াজউদ্দিন বাজারের আড়ত থেকে পাইকারি দরে কিনে এখানে খুচরায় বিক্রি করি। বৃষ্টির জন্য আড়তে সবজি আসছে না। আগের যেসব সবজি আছে সেগুলো আড়তদাররা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। বাড়তি দামে কিনে আমাদেরও বাড়তি দামে বেচতে হচ্ছে।

এছাড়া বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৮০ থেকে ৩১০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৮০ টাকা, সাদা লেয়ার ও লাল লেয়ার মুরগি ২৬০ থেকে ২৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়। অন্যান্য মাংসের মধ্যে গরুর মাংস ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা, খাসি ও পাঁঠা ছাগলের মাংস ১২০০ থেকে ১২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ডিমের দাম অপরিবর্তিত আছে। ফার্মের মুরগির ডিম ডজনপ্রতি ১৩০ টাকা, দেশি মুরগি ২৪০ টাকা ও হাঁসের ডিম ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চালের দরও আগের মতো চড়া আছে। খুচরায় সরু চালের মধ্যে ডায়মন্ড, মঞ্জুর, সাগর, রসিদ- এসব ব্র্যান্ডের মিনিটেক চাল প্রতি কেজি ৮০ থেকে ৮২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের মিনিকেট আতপ মোজাম্মেল ব্র্যান্ডের চাল বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। স্বর্ণা ৫৫ থেকে ৫৭ টাকা, ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯ জাতের মাঝারি মানের চাল ৬০ থেকে ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।খুচরা বাজারে মুদি পণ্যের দাম অপরিবর্তিত আছে। কেজি প্রতি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, দেশি রসুন ১২০ টাকা, চায়না রসুন ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চায়না আদা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ভারতীয় আদা ১২০ দরে বিক্রি হয়েছে।
এছাড়া, প্রতি কেজি ছোট মসুর ডাল ১৩০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ১১০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ১১০ টাকা, মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা, ডাবলি ৬০ টাকা, ছোলা ১০০ টাকা, কাজু বাদাম এক হাজার ৭০০ টাকা, পেস্তা বাদাম দুই হাজার ৭০০ টাকা, কাঠ বাদাম এক হাজার ২২০ টাকা, কিশমিশ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, দারুচিনি ৫২০ টাকা, লবঙ্গ এক হাজার ৪০০ টাকা, কালো গোলমরিচ এক হাজার ৩০০ টাকা, সাদা গোলমরিচ এক হাজার ৬০০ টাকা, জিরা ৬০০ টাকা, প্যাকেট পোলাও চাল ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, খোলা পোলাও চাল মানভেদে ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।আর প্রতি কেজি প্যাকেটজাত সাদা চিনি ১২৫ টাকা, খোলা সাদা চিনি ১২০ টাকা, খোলা লাল চিনি ১৪০ টাকা, প্যাকেট লাল চিনি ১৭০ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৪০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ৯০ টাকা, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২৫০ টাকায় দরে বিক্রি হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ