আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর মুক্ত আলোচনা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রামে হেযবুত তাওহীদের আয়োজনে ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৩ আগষ্ট) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সুলতান আহম্মেদ হলে এই আয়োজন করা হয়।

গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন হেযবুত তওহীদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক উপ-সম্পাদক রাকিব আল হাসান। তিনি সংগঠনটির সর্বোচ্চ নেতা হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের রচিত ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা’ গ্রন্থের আলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপরেখা তুলে ধরেন।

মূল বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গত ৫৩ বছরে ১৭ বার সংবিধানে সংশোধনী আনা হয়েছে, বহু নির্বাচন হয়েছে, নতুন নতুন আইনও প্রণয়ন করা হয়েছে, কিন্তু জাতির একটা সঙ্কটেরও টেকসই সমাধান হয়নি। মূলত মানবরচিত জীবনব্যবস্থা দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা দল যতই চেষ্টা করুক সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য।’

তিনি বলেন, ‘ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগের প্রবর্তিত বিধি-বিধান ও সিস্টেমেই আমাদের দেশ চলছে। অনেকে বলেন আল কোরআনের বিধান ১৪০০ বছরের পুরাতন। সেই প্রেক্ষিতে বলতে চাই-ব্রিটিশ আইন-রোমান আইন ইসলামের অভ্যুদয়েরও এক হাজার বছর আগের। আমরা সেই ব্রিটিশ আইনের অন্ধ অনুকরনের কারনে দেশে প্রতিনিয়ত মামলার জট সৃষ্টি হচ্ছে। আর সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে অন্যায়, অবিচার, অশান্তি বেড়ে চলেছে। যুগের পর যুগ আমরা মানবরচিত বিধানের মাশুল দিচ্ছি।’

চট্রগ্রাম জেলা হেযবুত তাওহীদের সভাপতি নজরুল ইসলাম সবুজের সভাপতিত্বে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনা রাখেন সংগঠনের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক রিয়াদুল হাসান। তিনি বলেন, মানব রচিত গণতান্ত্রিক সিস্টেম ধান্দাবাজির রাজনীতির সুযোগ করে দিয়েছে। গণতন্ত্রের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকার তৈরীর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্রের মাধ্যমে আজকে যিনি মহা নায়ক কালকে তিনি ভিলেনে পরিনত হচ্ছেন। আমরা মনে করছি গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা মুক্তি পাবো। সেই গুড়ে বালি। মানব রচিত ব্যবস্থা দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, ইসলামের নাম শুনলে অনেকের ভেতরে ভীতি কাজ করে। তার কারন আইএস, তালেবান, আফগানের তালেবান তন্ত্র। যেখানে চুল খোলা রাখার জন্য এক যুবতীকে পুলিশ হেফাযতে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করায় আরো ৫০০ মানুষকে হত্যা করা হয়। এই হচ্ছে মোল্লাতন্ত্র। এটা হচ্ছে ইসলামের একটি বিকৃত রূপ। আবার অনেকে মনে করেন ইসলাম মানে হাতকাটা মধ্যযুগীয় বর্বরতা। তবে ইতিহাস বলে সাড়ে ৩০০ বছরে ইসলামি শাসনে মাত্র ছয় জনের হাত কাটা হয়েছিলো। ইসলাম তার বিধান দিয়ে অপরাধ নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছিলো। গণতন্ত্র তার আইন দিয়ে অর্থপাচারও বন্ধ করতে পারে নাই।

আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে রসুল (সা.) কেমন নিরাপদ সমাজ গঠন করেছিলেন সেই তথ্য তুলে ধরেন রিয়াদুল হাসান। পরে আল্লাহর দেওয়া সেই চিরন্তন জীবনব্যবস্থার আধুনিক প্রেক্ষাপটের আলোকে তওহীদের ভিত্তিতে আধুনিক রাষ্ট্রনীতি, রাজনৈতিক দল, বিচারব্যবস্থা, মসজিদ ব্যবস্থা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম, মন্ত্রিপরিষদ, নারীর মর্যাদা ও ভূমিকা, আইনসভা, সামাজিক সুরক্ষা ইত্যাদি কেমন হবে তার একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরেন।

হেযবুত তওহীদের যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুব আলমের সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে সুচিন্তিত মতামত পেশ করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহেদুল করিম কচি, প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মাইন উদ্দিন কাদেরী শওকত, বাংলাদেশ অনার্স মাস্টার্স শিক্ষক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ দূতাবাস স্কুল এন্ড কলেজ পবিত্র মক্কা আল মোয়াজ্জেম সৌদির প্রাক্তন শিক্ষক প্রফেসর মাহবুব, সিনিয়র সাংবাদিক কামরুল হুদা, সিনিয়র সাংবাদিক কামাল পারভেজ, চট্টগ্রাম রিপোটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সোহাগ আরেফিন প্রমুখ।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ।

আলোচকরা তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রায়োগিক দিক, আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ এবং এর বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে মুক্ত আলোচনা ও মতামত তুলে ধরেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

চট্টগ্রাম বন্দরে এলেন নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহ প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বিগত সময়ের নানা অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নী দূর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলা করে বন্দরের নানা যুগোপযুগি সংস্কার করেছেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইম হ্রাস, ডুয়েল টাইম হ্রাস, পোর্ট লিমিট বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, ডিজিটাইজেশন, ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক আইএসপিএস এর জিরো অবজারভেশন প্রভৃতি বিষয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে আরো জানান যে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যি হাবে পরিনত হবে যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে । এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে । চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানীকৃত রেফার কন্টেইনার সংরক্ষনে কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তাছাড়া বন্দরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা থাকার কারনে বন্দরে নির্বিঘ্নে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মর্মে মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরো দক্ষ, অধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে বন্দর কেন্দ্রিক বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকে রপ্তানীকৃত পণ্য খালাস কাজে চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগিত কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধিদলেরে Micheal Pennell, Economic Unit Chief, Paul Frost, Commercial Counselor, Firoze Ahmed, Political Specialist, Asif Ahmed, Economic Specialist চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ ওমর ফারুক ও সচিব মোহাম্মদ আজিজুল মওলাসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ