আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

অস্তিত্বের সংকটে কুতুবদিয়া দ্বীপ-রাষ্ট্রের করণীয় বিষয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি হলে সফল গোলটেবিল আলোচনা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরের অব্যাহত ভাঙনে চরম অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে দেশের অতীব সম্ভাবনাময় কুতুবদিয়া দ্বীপ। এককালের ৫৮ বর্গ মাইলের এ কুতুবদিয়া ভাঙতে-ভাঙতে বর্তমানে ২০ বর্গ মাইলে চলে এসেছে। তাই জরুরী ভিত্তিতে একটি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে দু’লক্ষাধিক জনবসতির দ্বীপ-কুতুবদিয়াকে রক্ষা করতে হবে। না হয় অচিরেই সমুদ্রগর্ভে বিলীণ হয়ে যেতে পারে সাগরঘেরা দ্বীপ-কুতুবদিয়া। পাশাপাশি চরম হুমকির মূখে পড়তে পারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী, কক্সবাজারের পেকুয়া ও মহেশখালীসহ এতদঞ্চলে সরকারের বিশেষ অর্থনৈতিক জোন। এ দৈন্যদশা থেকে কুতুবদিয়াবাসীকে উদ্ধার করতে ‘অস্তিত্বের সংকটে কুতুবদিয়া দ্বীপ ও রাষ্ট্রের করণীয়’ বিষয়ে দ্বীপের সম্মিলিত সংবেদনশীল নাগরিক সমাজের আয়োজনে গত ১০ আগস্ট রাজধানী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি হলে অনুষ্ঠিত এক সফল গোলটেবিল আলোচনায় এতদঞ্চলের সার্বজনিন জোরালো দাবীটি জাতির বিবেক সাংবাদিকগণের সামনে তুলে ধরেন। এতে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন দ্বীপের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবীদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, পেশাজীবি, ঢাকায় অধ্যয়ণরত বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সুপারনিউমারারী প্রফেসর ড.কামাল হোসাইন। কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আ.ন.ম.শহীদ উদ্দীন ছোটন ও উপকুলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী আকবর খাঁনের যৌথ সঞ্চলনায় অনুষ্টিত অলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কুতুবদিয়া-মহেশখালী সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ড.এ.এইচ.এম.হামিদুর রহমান আযাদ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মঞ্জুরুল আনোয়ার, কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক বিশিষ্ট এনজিও ব্যক্তিত্ব রেজাউল করিম চৌধূরী, এলজিআরডির নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুর সাদিক, চট্টগ্রামস্থ কুতুবদিয়া সমিতির সেক্রেটারী মুজিবুল হক ছিদ্দিকী বাচ্চু, কুতুবদিয়া বিজনিস ফোরামের চেয়ারম্যান ইসমাইল খাঁন, কুতুবদিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল আহমদ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আ.স.ম.শাহরিয়ার চৌধূরী, কুতুব শরীফ দরবারের যুগ্ম পরিচালক শাহজাদা আবদুল করিম আল-কুতুবী, দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন আল-আযাদ,বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আকতার কামাল, হিলফুল ফুজুল কুতুবদিয়া সংগঠনের সভাপতি শেখ আখতারুল হক আল কুতুবী, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম.এম.হাছান কুতুবী, কক্সবাজারস্থ কুতুবদিয়া সমিতির সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির সিকদার, দ্বীপশিখার সভাপতি ঢাকা প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র মিজানুর রহমান, কুতুবদিয়ার ছাত্র প্রতিনিধি কাজী তাহমিদ, চট্টগ্রামস্থ কুতুবদিয়া ছাত্র পরিষদের আহবায়ক নওশাদ আলভী, সংবাদকর্মী নজরুল ইসলাম, মো: মনিরুল ইসলাম, আবুল কাশেম, মহি উদ্দিন, হাছান মাহমুদ সুজনসহ আরও অনেকে।

আলোচনায় উঠে আসে বিচ্ছিন্নভাবে ক্ষুদ্র বরাদ্দে কুতুবদিয়া রক্ষা করা যাবেনা। কুতুবদিয়া তথা দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের মূল ভূ-খন্ড রক্ষায় মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক ডিজাইনে সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, দ্বীপের চারপাশে সবুজ বেষ্ঠনী গড়ে তুলতে পারলেই প্রাকৃতিক দূর্যোগ তথা সাইক্লোণ, জলোচ্ছ্বাস, ও সমুদ্রপৃষ্ট উচ্চতা বৃদ্ধির মত বিপর্যয় হতে কুতুবদিয়াকে রক্ষা করা যেতে পারে। তাই অনতি বিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে কুতুবদিয়া দ্বীপটি সমুদ্রগর্ভে সম্পূর্ণ বিলীণ হয়ে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য বর্তমানে কুতুবদিয়ার প্রত্যন্ত এলাকায় বেড়িবাঁধে ভয়ঙ্কর ভাঙনের সৃষ্টি হয়ে জোয়ারের পানিতে একাকার হয়ে বহু বসতঘর, অন্যান্য স্থাপনাসহ ব্যাপক ফসলহানির ঘটনা ঘটলেও কোন প্রদক্ষেপ নেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক মহল এবং সরকারের। এমতাবস্থায় অক্লান্ত প্রচেষ্টায় দ্বীপের সর্বস্তরের বিশিষ্টজনদেরকে অবগত করে এ গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করেন কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের মানবিক সভাপতি, বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুতুবদিয়ায় শিক্ষা বিস্তারের অন্যতম আলোক বর্তিকা প্রয়াত মাস্টার তালেব উল্লাহর সুযোগ্য সন্তান আ.ন.ম.শহীদ উদ্দীন ছোটন ও উপকুলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আকবর খাঁন

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ