আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

অস্তিত্বের সংকটে কুতুবদিয়া দ্বীপ-রাষ্ট্রের করণীয় বিষয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি হলে সফল গোলটেবিল আলোচনা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরের অব্যাহত ভাঙনে চরম অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে দেশের অতীব সম্ভাবনাময় কুতুবদিয়া দ্বীপ। এককালের ৫৮ বর্গ মাইলের এ কুতুবদিয়া ভাঙতে-ভাঙতে বর্তমানে ২০ বর্গ মাইলে চলে এসেছে। তাই জরুরী ভিত্তিতে একটি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে দু’লক্ষাধিক জনবসতির দ্বীপ-কুতুবদিয়াকে রক্ষা করতে হবে। না হয় অচিরেই সমুদ্রগর্ভে বিলীণ হয়ে যেতে পারে সাগরঘেরা দ্বীপ-কুতুবদিয়া। পাশাপাশি চরম হুমকির মূখে পড়তে পারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী, কক্সবাজারের পেকুয়া ও মহেশখালীসহ এতদঞ্চলে সরকারের বিশেষ অর্থনৈতিক জোন। এ দৈন্যদশা থেকে কুতুবদিয়াবাসীকে উদ্ধার করতে ‘অস্তিত্বের সংকটে কুতুবদিয়া দ্বীপ ও রাষ্ট্রের করণীয়’ বিষয়ে দ্বীপের সম্মিলিত সংবেদনশীল নাগরিক সমাজের আয়োজনে গত ১০ আগস্ট রাজধানী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি হলে অনুষ্ঠিত এক সফল গোলটেবিল আলোচনায় এতদঞ্চলের সার্বজনিন জোরালো দাবীটি জাতির বিবেক সাংবাদিকগণের সামনে তুলে ধরেন। এতে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন দ্বীপের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবীদ, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, পেশাজীবি, ঢাকায় অধ্যয়ণরত বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সুপারনিউমারারী প্রফেসর ড.কামাল হোসাইন। কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আ.ন.ম.শহীদ উদ্দীন ছোটন ও উপকুলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী আকবর খাঁনের যৌথ সঞ্চলনায় অনুষ্টিত অলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কুতুবদিয়া-মহেশখালী সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ড.এ.এইচ.এম.হামিদুর রহমান আযাদ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মঞ্জুরুল আনোয়ার, কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক বিশিষ্ট এনজিও ব্যক্তিত্ব রেজাউল করিম চৌধূরী, এলজিআরডির নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুর সাদিক, চট্টগ্রামস্থ কুতুবদিয়া সমিতির সেক্রেটারী মুজিবুল হক ছিদ্দিকী বাচ্চু, কুতুবদিয়া বিজনিস ফোরামের চেয়ারম্যান ইসমাইল খাঁন, কুতুবদিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল আহমদ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আ.স.ম.শাহরিয়ার চৌধূরী, কুতুব শরীফ দরবারের যুগ্ম পরিচালক শাহজাদা আবদুল করিম আল-কুতুবী, দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন আল-আযাদ,বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আকতার কামাল, হিলফুল ফুজুল কুতুবদিয়া সংগঠনের সভাপতি শেখ আখতারুল হক আল কুতুবী, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম.এম.হাছান কুতুবী, কক্সবাজারস্থ কুতুবদিয়া সমিতির সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির সিকদার, দ্বীপশিখার সভাপতি ঢাকা প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র মিজানুর রহমান, কুতুবদিয়ার ছাত্র প্রতিনিধি কাজী তাহমিদ, চট্টগ্রামস্থ কুতুবদিয়া ছাত্র পরিষদের আহবায়ক নওশাদ আলভী, সংবাদকর্মী নজরুল ইসলাম, মো: মনিরুল ইসলাম, আবুল কাশেম, মহি উদ্দিন, হাছান মাহমুদ সুজনসহ আরও অনেকে।

আলোচনায় উঠে আসে বিচ্ছিন্নভাবে ক্ষুদ্র বরাদ্দে কুতুবদিয়া রক্ষা করা যাবেনা। কুতুবদিয়া তথা দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের মূল ভূ-খন্ড রক্ষায় মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক ডিজাইনে সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, দ্বীপের চারপাশে সবুজ বেষ্ঠনী গড়ে তুলতে পারলেই প্রাকৃতিক দূর্যোগ তথা সাইক্লোণ, জলোচ্ছ্বাস, ও সমুদ্রপৃষ্ট উচ্চতা বৃদ্ধির মত বিপর্যয় হতে কুতুবদিয়াকে রক্ষা করা যেতে পারে। তাই অনতি বিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে কুতুবদিয়া দ্বীপটি সমুদ্রগর্ভে সম্পূর্ণ বিলীণ হয়ে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য বর্তমানে কুতুবদিয়ার প্রত্যন্ত এলাকায় বেড়িবাঁধে ভয়ঙ্কর ভাঙনের সৃষ্টি হয়ে জোয়ারের পানিতে একাকার হয়ে বহু বসতঘর, অন্যান্য স্থাপনাসহ ব্যাপক ফসলহানির ঘটনা ঘটলেও কোন প্রদক্ষেপ নেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক মহল এবং সরকারের। এমতাবস্থায় অক্লান্ত প্রচেষ্টায় দ্বীপের সর্বস্তরের বিশিষ্টজনদেরকে অবগত করে এ গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করেন কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের মানবিক সভাপতি, বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুতুবদিয়ায় শিক্ষা বিস্তারের অন্যতম আলোক বর্তিকা প্রয়াত মাস্টার তালেব উল্লাহর সুযোগ্য সন্তান আ.ন.ম.শহীদ উদ্দীন ছোটন ও উপকুলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আকবর খাঁন

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহান মে দিবসে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি নাসিমন ভবনে গিয়ে শেষ হয়।সংগঠনের সভাপতি দিদারুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ সেলিম ভুইঞা, মোঃ বশির,শাহেদ আলম, মাবুদ, নাছির, শাহ আলম,মোঃজামশেদ, মহিউদ্দিন, মোঃমফজ্জল,হেদায়েত উল্ল্যা মোঃইসমাইলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সাইফুল ও সোমনাথ রাজু। এছাড়াও শ্রমিক ইউনিয়নের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রেরণার উৎস। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ