আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

আসলাম চৌধুরীর কারামুক্তি দিবসে সীতাকুন্ড বিএনপি’র দোয়া মাহফিল।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসলাম চৌধুরীর কারামুক্তি দিবসে সীতাকুন্ড বিএনপি’র দোয়া মাহফিল  অনুষ্ঠিত।  দীর্ঘ ৯ বছর কারাভোগের পর গতবছরের ২০ আগস্ট মুক্তি পেয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব আসলাম চৌধুরী এফসিএ। তাঁর কারামুক্তি দিবসে বুধবার (২০ আগস্ট) দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-আকবর শাহ-পাহাড়তলী) এলাকার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডাঃ কমল কদরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কাজী মহিউদ্দিন এর সঞ্চালনায় আসলাম অনুষ্ঠিত উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন আসলাম চৌধুরী এফসিএ।

দোয়া মাহফিলের পূর্বে অনুষ্ঠিত এক সংক্ষিপ্ত সভায় আসলাম চৌধুরী বলেন, সীতাকুন্ড তথা চট্টগ্রাম-৪ নির্বাচনী এলাকার মানুষের ভালবাসায় আমি মুগ্ধ। আমার প্রতি আপনাদের অগাধ আস্থা আর ভালবাসার প্রতিদান হয়তো দিতে পারবো না কিন্তু আপনাদের পাশে আছি, থাকব এই কথা দিতে পারি। আল্লাহ যেনো আমাকে আপনাদের সেবা থেকে বঞ্চিত না করেন, সেজন্য দোয়া চাই প্রতিনিয়ত। আর রাজনীতিতে ষড়যন্ত্র থাকবে কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রই আমাকে দমাতে পারবেনা ইনশাল্লাহ। এলাকার উন্নয়ন সমৃদ্ধিতে আমি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যূগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর আলম, সোলাইমান মঞ্জু, সীতাকুন্ড পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোরসালিন, নুরুল আনোয়ার, শামসুল আলম আজাদ কাউন্সিলর, নুরুদ্দিন জাহাঙ্গীর, রবিউল হক, জিতেন্দ্র নারায়ন নাটু, নার্গিস আক্তার, ফজলুল করিম চৌধুরী, সাহাবুদ্দিন রাজু, খোরশেদ আলম মেম্বার, রোকন উদ্দিন মেম্বার, বখতিয়ার উদ্দিন, মোঃ বেলাল, মাওলানা ইসমাইল, মোঃ নাছিম, আব্দুল হান্নান, মাসুদা আক্তার, আবু সালেক, অমলেন্দু কনক, জিয়া উদ্দিন, সোলাইমান রাজ, আলাউদ্দিন মনি, হেলাল উদ্দিন বাবর, মামুন রেজা, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কাজী এনামুল বারী, মোঃ জাহাঙ্গীর, খ ম নাজিম উদ্দিন, জাফর আহমেদ ভুইয়া, আলাউদ্দিন মাসুম, আইনুল কামাল, আকবর হোসেন, সরোয়ার কামাল, আবুল কালাম আজাদ, মোঃ রাশেল, সালামত উল্লাহ, ইদ্রিস মিয়া, ইদ্রিছ মনি, সাহাবুদ্দিন, নাজিমুদ্দোলা, শেখ সাহাবুদ্দিন, নবী চৌধুরী,মু ক্তিযোদ্ধা মহরম আলী, আবুল কাশেম, ছাত্রদল নেতা কাজী সেলিম, কোরবান আলী সাহেদ, ইসমাইল হোসেন, কামরুল ইসলাম বাবলু প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ