আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সীতাকুণ্ডে গাউসিয়া কমিটির স্বাগত জুলুস অনুষ্ঠিত।

কাইয়ুম চৌধুরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-কে স্বাগত জানিয়ে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সীতাকুণ্ড উপজেলা শাখা-এর ব্যাবস্থাপনায় আয়োজিত স্বাগত জুলুস শুক্রবার ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

জুলুসটি আজ বিকেলে সীতাকুণ্ড উত্তর বাইপাস থেকে মোটরসাইকেল র‌্যালি ও পায়ে হেঁটে শুরু হয়ে দক্ষিণ বাইপাস পর্যন্ত গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ, জাতি ও বিশ্বের নির্যাতিত মুসলমানদের শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে জুলুসের সমাপ্তি ঘটে।এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশগ্রহণ করেন।

গাউসিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর পবিত্রতা ও শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের শান্তিপূর্ণ আয়োজন প্রতিবছরই করা হয়।
স্বাগত জুলুসে বক্তারা বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মুসলিম উম্মাহর জন্য অনন্য মর্যাদার দিন। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর আগমন মানবজাতির জন্য রহমত ও হেদায়েতের আলো। তাঁর জীবনের আদর্শ, আখলাক ও শিক্ষাকে অনুসরণ করলেই সমাজে শান্তি, ন্যায় ও মানবতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

তাঁরা আরও বলেন, গাউসুল আজম (রহ.)-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ দেশব্যাপী মিলাদ, জুলুস ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তরুণ সমাজকে ধর্মীয় নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

সীতাকুণ্ড উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আউয়াল এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হযরতুলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আলী সিদ্দিকী সঞ্চালনায়
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,
ফকিহ মুফতি আবুল আবুল হাসান মুহাম্মদ ওমাইর রজভী, আলহাজ্ব মোবারক হোসেন সওদাগর, পৌরসভা বিএনপি আহবায়ক ইউসুফ নিজামি, মওলানা ফখরুদ্দিন আলকাদেরী, মওলানা আব্দুল আজিজ রজবী, মওলানা বাহাউদ্দীন।

পরিশেষে মুনাজাত পরিবেশন করেন ড. আল্লামা কামালউদ্দিন আজহারী, দেশ ও জাতির জন্য এবং সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। র ্যালীতে আরো অংশগ্রহন করেন,মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ মুজিব উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ খোরশেদ আলম, আলহাজ্ব মুহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন, মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ মঞ্জুর এলাহী, মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আশরাফ হোসাইন, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুদ্দৌলা, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আতিকউল্লাহ, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল আলম, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ নাসিম উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ গাউসুল ফারুক, হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইকবাল জাহিদ, মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, মুহাম্মদ আবুল কালাম কন্ট্রাক্টর, মুহাম্মদ জানে আলম, আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার রফিক উদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ রমজান আলী রুবেল, মুহাম্মদ আলমগীর, মুহাম্মদ মুজিব উদ্দিন চৌধুরী, মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন সোহেল, মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, আলহাজ্ব মুহাম্মদ তাজু উদ্দিন সওদাগর,শাহ মুহাম্মাদ এমরান হোসাইন, মুহাম্মদ জাহেদ হোসেন, মুহাম্মদ সালাউদ্দিন মাষ্টার, মুহাম্মদ তমিজুর রহমান, মাওলানা মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম শাহিন, মুহাম্মদ ওমর ফারুক, মুহাম্মদ আব্দুর রহিম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ