আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

বিশ্বের ব্যস্ততম ১০০ বন্দরের নতুন তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দর ৬৮তম স্থানে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান এক ধাপ িিপছিয়ে গেছে। বিশ্বের ব্যস্ততম ১০০ বন্দরের নতুন তালিকায় পেছালো ২০২৫ সালের র‌্যাংকিংয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ৬৮তম অবস্থানে গেছে চট্টগ্রাম বন্দর। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৩ সালে র‌্যাংকিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ৬৭তম অবস্থানে ছিল। কিন্তু কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হওয়ার পরেও এবার এক ধাপ পিছিয়ে গেছে।

ব্যস্ততম বন্দরগুলোর কনটেইনার পরিবহনের হিসাব করে সেরা ১০০ বন্দরের তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক শিপিংবিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সংবাদ মাধ্যম লয়েড’স লিস্ট। সম্প্রতি ‘ওয়ান হান্ড্রেড কনটেইনার পোর্টস ২০২৫’ তালিকা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। লয়েড’স লিস্ট বিশ্বের কোন বন্দরে কত কনটেইনার ওঠানামা হয়েছে সেই তালিকা ধরেই শীর্ষ ১০০ বন্দরের তালিকা প্রকাশ করে। এখানে বন্দরে সেবার মান বা দক্ষতা আমলে নেওয়া হয় না। ফলে দক্ষতার দিক থেকে কোন বন্দর এগিয়ে আছে সেটি এই তালিকার মাধ্যমে জানার সুযোগ নেই।

লয়েড’স জানিয়েছে, ২০২৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দর ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ৫২৭ একক কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে। এর আগে ২০২৩ সালে যা ছিল ৩০ লাখ ৫০ হাজার ৭৯৩ একক। অর্থাৎ কনটেইনার হ্যান্ডলিং ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ বাড়লেও তালিকায় অবস্থান থেকে এক ধাপ পিছিয়েছে। মূলত বিশ্বের অন্যান্য বন্দরগুলোর প্রবৃদ্ধি আরো বেশি হওয়ার কারণেই চট্টগ্রাম বন্দর তার র‌্যাংকিং থেকে পিছিয়েছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর সর্বপ্রথম ২০১০ সালে ৯৮তম স্থান নিয়ে লয়েড’স লিস্টের তালিকায় স্থান করে নেয়। এরমধ্যে ২০১১ সালে বন্দরটি ১০ ধাপ এগিয়ে ৮৮তম স্থানে যায়। পরে ২০১২ সালে ১ ধাপ পিছিয়ে ৮৯তম, ২০১৩ সালে ১ ধাপ পিছিয়ে ৯০তম, ২০১৪ সালে ৪ ধাপ এগিয়ে ৮৬তম, ২০১৫ সালে ১ ধাপ পিছিয়ে ৮৭তম, ২০১৬ সালে ১০ ধাপ এগিয়ে ৭৬তম, ২০১৭ সালে ৫ ধাপ এগিয়ে ৭১তম, ২০১৮ সালে ১ ধাপ এগিয়ে ৭০তম, ২০১৯ সালে ৬ ধাপ এগিয়ে ৬৪তম, ২০২০ সালে ৬ ধাপ এগিয়ে ৫৮তম, ২০২১ সালে ৯ ধাপ পিছিয়ে ৬৭তম এবং ২০২২ সালে ৩ ধাপ এগিয়ে ৬৪তম অবস্থানে ছিল চট্টগ্রাম বন্দর। এরপর ২০২৩ সালে আবার ৩ ধাপ পিছিয়ে ৬৭তম অবস্থানে যায় বন্দরটি। এরপর ২০২৪ সালেও সেই একই অবস্থান ধরে রাখে। তবে ২০২৫ সালে বন্দরের দক্ষতা আরো বাড়লেও তালিকায় একধাপ পিছিয়ে ৬৮তম অবস্থানে এলো।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১০০টি ব্যস্ততম বন্দরের প্রকাশিত তালিকায় প্রথম ৯টি বন্দর তার নিজ অবস্থান ধরে রেখেছে। কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের এবারও শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীনের সাংহাই বন্দর। এই বন্দরটি ২০২৪ সালে ৫ কোটি ১৫ লাখ ৬ হাজার ৩শ একক কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে।দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সিঙ্গাপুর বন্দর হ্যান্ডলিং করেছে ৪ কোটি ১১ লাখ ২৪ হাজার ১শ একক কনটেইনার। যা এর আগের বছরের চেয়ে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।তৃতীয় অবস্থানে থাকা চীনের নিংবো-ঝুশান বন্দর হ্যান্ডলিং করেছে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৮ হাজার একক কনটেইনার। এর আগের বছরের চেয়ে যা ১১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।

তালিকার চতুর্থ অবস্থানে চীনের শেনজেন, পঞ্চম অবস্থানে চীনের কিংদাও, ষষ্ঠ অবস্থানে চীনের কুয়াংচৌ, সপ্তম অবস্থানে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান, অষ্টম অবস্থানে চীনের তিয়ানজিন এবং নবম অবস্থানে আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ড বন্দরের নাম রয়েছে। এই নয়টি বন্দরই গতবারের তাদের নিজ নিজ অবস্থান এবারও ধরে রেখেছে। পরিবর্তন এসেছে তালিকার দশম স্থানে। আরো একধাপ এগিয়ে দশম অবস্থানে এসেছে মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং। যা গতবছর দুই ধাপ এগিয়েছিল।

অন্যদিকে গতবছর একধাপ পিছিয়ে ১২তম অবস্থানে যাওয়ায় নেদারল্যান্ডের রোটারডাম বন্দর এবার একধাপ এগিয়ে ১১তম অবস্থানে এসেছে। আর দশম অবস্থান থেকে দুই ধাপ পিছিয়ে ১২তম অবস্থানে এসেছে চীনের হংকং বন্দর।
এদিকে তালিকায় গতবারের ন্যায় এবারও শীর্ষ দশে শুধু চীনের বন্দরই আছে ৬টি। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দুটি বন্দর আছে ১০০টি ব্যস্ততম বন্দরের এই তালিকায়। তবে দুইটি বন্দরই এবার তালিকায় পিছিয়েছে। ২৫তম তালিকায় রয়েছে ভারতের মুন্দ্রা বন্দর। গত গতবছর ছিল ২৪তম অবস্থানে। অন্যদিকে তিন ধাপ পিছিয়ে ৩১তম অবস্থানে এসেছে জহুরলাল নেহেরু বন্দর (পুরনো নাম কোলকাতা বন্দর)।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-১২ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এলডিপির প্রার্থী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) সংসদীয় আসনে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মনোনীত প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রামের নাসিরাবাদস্থ এয়াকুব ট্রেড সেন্টারে এক সাংবাদ সম্মেলনে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের মনোনীত এলডিপির সংসদ সদস্য প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এলডিপির সভাপতি শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী জানান, ২৮৯ চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) থেকে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোট সমর্থিত ও এলডিপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। আমার নির্বাচনী প্রতীক ছাতা।মনোনয়ন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আমাকে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। প্রতীক চূড়ান্তভাবে প্রাপ্তিতে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচনী মাঠে প্রচার-প্রচারণা শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে আমার গুরুত্বপূর্ণ সময় অপচয় হয়েছে।বর্তমানে যে অল্প সময় অবশিষ্ট রয়েছে, তাতে সকল নির্বাচনী কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপরন্তু আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ বিবেচনায় আমি এ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

একই সঙ্গে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের অন্যতম প্রধান শরিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফরিদুল আলমকে আমার পূর্ণ সমর্থন প্রদান করছি।
এদিকে পটিয়ার স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীরা বলছেন, রাজনীতিবিদ ও শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও ত্যাগের সাথে তার দলের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বের গুণাবলীর প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এ জন্য তাকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি।
অপরদিকে, এলডিপির নেতাকর্মীরা বলছেন রাজনীতিতে ব্যক্তিগত প্রার্থিতার চেয়ে জোটের বৃহত্তর স্বার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ১১ দলীয় জোটের ঐক্য অটুট রাখতে এলডিপি প্রার্থী এম এয়াকুব আলী ভাইয়ের এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। এই সিদ্ধান্ত জোটের রাজনীতিকে আরো শক্তিশালী করবে এবং চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

লড়াই হবে অভিজ্ঞ শামসুজ্জামান হেলালীর সাথে অনভিজ্ঞ সাঈদ আল নোমানের।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে জমজমাটভাবে। আসন্ন নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, হালিশহর ও খুলশী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা সাবেক শিক্ষক ব্যাবসায়ী শামসুজ্জামান হেলালী সাথে লড়ছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ‘অক্সফোর্ড গ্র্যাজুয়েট’ সাঈদ আল নোমান। তার আছে এমফিল ডিগ্রিও। বনেদি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান উচ্চশিক্ষিত সাঈদ আল নোমান ভোটের মাঠে প্রথমবার। অন্যদিকে সংসদ সদস্য পদে হেলালীও প্রথমবার, তবে ভোটের মাঠে নতুন নন। তিনি আগে একবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের শুলকবর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। আবার প্রথমবার হলেও নির্বাচন নিয়ে একেবারে অনভিজ্ঞ নন সাঈদ আল নোমান। চট্টগ্রামে একসময়ের বিএনপির কাণ্ডারি প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমান তাঁর বাবা। সন্তান হিসেবে বাবার রাজনীতি ও ভোটের মাঠে ছায়াসঙ্গী হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে তার ঝুলিতে।


বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রার্থী আছেন আরও ৭ জন। এরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. ওসমান গণি, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সাবিনা খাতুন, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী, বাসদ (মাকসবাদী) আসমা আক্তার এবং স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আরমান আলী।তবে সমানতালে নির্বাচনি প্রচার চোখে পড়ছে চার প্রার্থীর। এরা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকের সাঈদ আল নোমান, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের শামসুজ্জামান হেলালী, হাতপাখা প্রতীকের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম এবং কাঁচি প্রতীকের আসমা আক্তার। ভোটারদের মতে, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে। তবে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলনের জান্নাতুল জামায়াতের ভোটে ভাগ বসাতে পারেন, এমনটাই মনে করছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, নগরীর ৮টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-১০ আসনটি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে নতুন করে সৃষ্টি করা হয়েছিল। সেই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে তিনি বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন। নোমানের মৃত্যুর পর এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সেই আসনে ধানের শীষ নিয়ে এসেছেন সাঈদ আল নোমান।
এদিকে গণসংযোগে, পথসভায়, বক্তব্য-বিবৃতিতে সাঈদ আল নোমানের ভাষা, শব্দচয়ন গতানুগতিক নয়।

প্রতিদ্বন্দ্বীকে আক্রমণ করে কিছু বলতে শোনা যাচ্ছে না। চট্টগ্রামকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগরীতে রূপান্তরের অঙ্গীকার করছেন। পূর্ণাঙ্গভাবে বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। সঠিক পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার স্বপ্নের কথাও বলছেন।আবার বিভিন্ন সভা বাবা আবদুল্লাহ আল নোমানের চট্টগ্রামের উন্নয়নে বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরে বাবার পথে হাঁটার কথাও বলছেন। পাশাপাশি চট্টগ্রামে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা থেকে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে নিজের কাজগুলোও তুলে ধরছেন ভোটারদের কাছে।

এ বিষয়ে সাঈদ আল নোমান বলেন, ২০০৩ সালে আমার বাবা আবদুল্লাহ আল নোমান যখন মন্ত্রী ছিলেন, তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে কেবিনেট মিটিংয়ে বাণিজ্যিক রাজধানীর ১৬ দফা পেশ করেছিলেন। দেশনেত্রী চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু গত ২২ বছরে আমরা চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে পারিনি। চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপ দেয়ার জন্য আমি কাজ করব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আমার সুনির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা আছে। আমি ভোটারদের কাছে আমার পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরছি। আশা করছি, তারা আমার পক্ষে রায় দেবেন।
এদিকে জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী জোর দিচ্ছেন এলাকার স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দিকে। বেকারত্ব দূর করা, তরুণদের জন্য আয়ের সুযোগ সৃষ্টি, এলাকায় হাসপাতাল করা, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি থেকে এলাকাকে মুক্ত রাখা, এসব বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে তার বক্তব্যে।শামসুজ্জামান হেলালী বলেন,মানুষ পরিবর্তন চায়। পরিবর্তনের জন্য মানুষ অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে একজোট হয়েছে। ইনশল্লাহ এবার চট্টগ্রাম-১০ আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয় সুনিশ্চিত।

জানা গেছে, সাঈদ আল নোমান চট্টগ্রামের বেসরকারি ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি পড়ালেখা করেছেন আমেরিকার সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটি, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস ও অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। নিয়েছেন এমফিল ডিগ্রিও।আর শামসুজ্জামান হেলালী নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় পড়ালেখা স্নাতকোত্তর উল্লেখ করেছেন। হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী এবং তিনি আগে শিক্ষকতা করতেন বলেও উল্লেখ করেছেন। অবশ্য হেলালী নামের আগে ‘অধ্যক্ষ’ ব্যবহার করেন। অক্সফোর্ড গ্র্যাজুয়েট সাঈদ আল নোমান না কি সাবেক শিক্ষক শামসুজ্জামান হেলালী চট্টগ্রাম-১০ আসনের ভোটারেরা কাকে সংসদে পাঠাবেন, তা নিয়ে কৌতুহল আছে এই আসনের জনসাধারণের মধ্যে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ