আজঃ রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিশ্বের ব্যস্ততম ১০০ বন্দরের নতুন তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দর ৬৮তম স্থানে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান এক ধাপ িিপছিয়ে গেছে। বিশ্বের ব্যস্ততম ১০০ বন্দরের নতুন তালিকায় পেছালো ২০২৫ সালের র‌্যাংকিংয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ৬৮তম অবস্থানে গেছে চট্টগ্রাম বন্দর। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৩ সালে র‌্যাংকিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ৬৭তম অবস্থানে ছিল। কিন্তু কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হওয়ার পরেও এবার এক ধাপ পিছিয়ে গেছে।

ব্যস্ততম বন্দরগুলোর কনটেইনার পরিবহনের হিসাব করে সেরা ১০০ বন্দরের তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক শিপিংবিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সংবাদ মাধ্যম লয়েড’স লিস্ট। সম্প্রতি ‘ওয়ান হান্ড্রেড কনটেইনার পোর্টস ২০২৫’ তালিকা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। লয়েড’স লিস্ট বিশ্বের কোন বন্দরে কত কনটেইনার ওঠানামা হয়েছে সেই তালিকা ধরেই শীর্ষ ১০০ বন্দরের তালিকা প্রকাশ করে। এখানে বন্দরে সেবার মান বা দক্ষতা আমলে নেওয়া হয় না। ফলে দক্ষতার দিক থেকে কোন বন্দর এগিয়ে আছে সেটি এই তালিকার মাধ্যমে জানার সুযোগ নেই।

লয়েড’স জানিয়েছে, ২০২৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দর ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ৫২৭ একক কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে। এর আগে ২০২৩ সালে যা ছিল ৩০ লাখ ৫০ হাজার ৭৯৩ একক। অর্থাৎ কনটেইনার হ্যান্ডলিং ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ বাড়লেও তালিকায় অবস্থান থেকে এক ধাপ পিছিয়েছে। মূলত বিশ্বের অন্যান্য বন্দরগুলোর প্রবৃদ্ধি আরো বেশি হওয়ার কারণেই চট্টগ্রাম বন্দর তার র‌্যাংকিং থেকে পিছিয়েছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর সর্বপ্রথম ২০১০ সালে ৯৮তম স্থান নিয়ে লয়েড’স লিস্টের তালিকায় স্থান করে নেয়। এরমধ্যে ২০১১ সালে বন্দরটি ১০ ধাপ এগিয়ে ৮৮তম স্থানে যায়। পরে ২০১২ সালে ১ ধাপ পিছিয়ে ৮৯তম, ২০১৩ সালে ১ ধাপ পিছিয়ে ৯০তম, ২০১৪ সালে ৪ ধাপ এগিয়ে ৮৬তম, ২০১৫ সালে ১ ধাপ পিছিয়ে ৮৭তম, ২০১৬ সালে ১০ ধাপ এগিয়ে ৭৬তম, ২০১৭ সালে ৫ ধাপ এগিয়ে ৭১তম, ২০১৮ সালে ১ ধাপ এগিয়ে ৭০তম, ২০১৯ সালে ৬ ধাপ এগিয়ে ৬৪তম, ২০২০ সালে ৬ ধাপ এগিয়ে ৫৮তম, ২০২১ সালে ৯ ধাপ পিছিয়ে ৬৭তম এবং ২০২২ সালে ৩ ধাপ এগিয়ে ৬৪তম অবস্থানে ছিল চট্টগ্রাম বন্দর। এরপর ২০২৩ সালে আবার ৩ ধাপ পিছিয়ে ৬৭তম অবস্থানে যায় বন্দরটি। এরপর ২০২৪ সালেও সেই একই অবস্থান ধরে রাখে। তবে ২০২৫ সালে বন্দরের দক্ষতা আরো বাড়লেও তালিকায় একধাপ পিছিয়ে ৬৮তম অবস্থানে এলো।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১০০টি ব্যস্ততম বন্দরের প্রকাশিত তালিকায় প্রথম ৯টি বন্দর তার নিজ অবস্থান ধরে রেখেছে। কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের এবারও শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীনের সাংহাই বন্দর। এই বন্দরটি ২০২৪ সালে ৫ কোটি ১৫ লাখ ৬ হাজার ৩শ একক কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে।দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সিঙ্গাপুর বন্দর হ্যান্ডলিং করেছে ৪ কোটি ১১ লাখ ২৪ হাজার ১শ একক কনটেইনার। যা এর আগের বছরের চেয়ে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।তৃতীয় অবস্থানে থাকা চীনের নিংবো-ঝুশান বন্দর হ্যান্ডলিং করেছে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৮ হাজার একক কনটেইনার। এর আগের বছরের চেয়ে যা ১১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।

তালিকার চতুর্থ অবস্থানে চীনের শেনজেন, পঞ্চম অবস্থানে চীনের কিংদাও, ষষ্ঠ অবস্থানে চীনের কুয়াংচৌ, সপ্তম অবস্থানে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান, অষ্টম অবস্থানে চীনের তিয়ানজিন এবং নবম অবস্থানে আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ড বন্দরের নাম রয়েছে। এই নয়টি বন্দরই গতবারের তাদের নিজ নিজ অবস্থান এবারও ধরে রেখেছে। পরিবর্তন এসেছে তালিকার দশম স্থানে। আরো একধাপ এগিয়ে দশম অবস্থানে এসেছে মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং। যা গতবছর দুই ধাপ এগিয়েছিল।

অন্যদিকে গতবছর একধাপ পিছিয়ে ১২তম অবস্থানে যাওয়ায় নেদারল্যান্ডের রোটারডাম বন্দর এবার একধাপ এগিয়ে ১১তম অবস্থানে এসেছে। আর দশম অবস্থান থেকে দুই ধাপ পিছিয়ে ১২তম অবস্থানে এসেছে চীনের হংকং বন্দর।
এদিকে তালিকায় গতবারের ন্যায় এবারও শীর্ষ দশে শুধু চীনের বন্দরই আছে ৬টি। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দুটি বন্দর আছে ১০০টি ব্যস্ততম বন্দরের এই তালিকায়। তবে দুইটি বন্দরই এবার তালিকায় পিছিয়েছে। ২৫তম তালিকায় রয়েছে ভারতের মুন্দ্রা বন্দর। গত গতবছর ছিল ২৪তম অবস্থানে। অন্যদিকে তিন ধাপ পিছিয়ে ৩১তম অবস্থানে এসেছে জহুরলাল নেহেরু বন্দর (পুরনো নাম কোলকাতা বন্দর)।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চীনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

প্রথমবারের মতো নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। ইতোমধ্যে ঠিক হয়ে গেছে বিএনপির নতুন মন্ত্রীসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তারিখও। তবে, রীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠান হচ্ছে না এবার। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।


মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর আগে, ওইদিন সকালে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। সে অনুযায়ী এখন প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ