আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

সারাদেশ এখন আমার জন্য কারাগার : মোজাম্মেল।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

কারা নির্যাতনের ৭ বছর আজ। তৎকালীন ফ্যাসিষ্ট সরকারের আশির্বাদপুষ্ট সড়ক মাফিয়াদের দেওয়া মিথ্যা গায়েবি মামলায় কারা নির্যাতন শেষ হলেও ঐ মিথ্যা গায়েবি মামলার ঘানি টানছি এখনো….

আমার অপরাধ আমি এ দেশের লক্ষ -কোটি শোষিত, অধিকার বঞ্চিত,নির্যাতিত, নিপিড়ীত যাত্রী সাধারণের পক্ষে কথা বলি। তাদের সুযোগ সুবিধার আদায়ে রাজপথে সোচ্চার ও প্রতিবাদী।

গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য, যাত্রী হয়রানী, বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, চাঁদাবাজী, সড়ক দুর্ঘটনা ও অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিগত দুই যুগ ধরে আপোষহীন আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সোচ্চার । ফলে কালের প্রবাহে বিভিন্ন সময়ে বারবার কতিপয় দুর্নীতিবাজ পরিবহন মালিক -শ্রমিক, দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা ও আমলাদের রোষানলে পড়তে হয়েছে আমাকে।

তারা সুযোগ বুঝে সময়ে সময়ে সরকারের মন্ত্রী, সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের ক্ষেপিয়ে তুলেছেন আমার বিরুদ্ধে। এরই ধারাবাহিকতায় তৎকালীন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে আমাকে বিগত ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর রাতের আধাঁরে দেশজুড়ে আলোচিত চাঞ্চল্যকর এক মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বাদীবিহীন কথিত এক গায়েবি চাদাঁবাজীর মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয় আমাকে। আমার নাম ও ঠিকানা বিহীন এই মামলাটি যে দিন দায়ের হয় ঐ দিন গভীর রাতে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ নারায়ণগঞ্জের সানারপাড়ের বাসা থেকে আমাকে গ্রেফতার করে। জামিনে বেরিয়ে আসার পরে জানতে পারি মিরপুর থানার পুলিশ আমার মামলা হওয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই আমার এলাকায় ঘুরছে আমার সন্ধানে। আমি যখন জেলে ছিলাম তখনই এ গায়েবি মামলায় আমাকে হেনস্তার বিষয়গুলো আপনার যারা সচেতন তারা নিশ্চয়ই পত্র পত্রিকা ও টিভি মিডিয়ার যাবতীয় ঘটনা প্রবাহ জেনেছেন,দেখেছেন।

আপনারা যারা ভুক্তভোগী তারা নিশ্চয়ই জানেন, দেশের যাত্রী হয়রানী, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, সড়ক দুর্ঘটনায় অজশ্র প্রানহানী যখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িঁয়েছিল। যখন যাত্রীসাধারণের অধিকার নিয়ে কথা বলার কেউ ছিল না, যখন যাত্রীস্বার্থ ভুলুন্ঠিত হচ্ছিল, ইচ্ছেমত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চলছিল, যাত্রীসাধারণকে কথায় কথায় অপমানিত করা হতো, এক কথায় দেশের যাত্রীসাধারণ গুটিকতেক অসাধু পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই সময়ের দাবীর প্রেক্ষিতে আজ থেকে দু’যুগ পূর্বে দেশের যাত্রীসাধারণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার নিয়ে আমি ও আমার কয়েকজন বন্ধুর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছিলাম প্রতিবাদী সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এই সংগঠনের দীর্ঘ দুই যুগের আন্দোলন সংগ্রামে দেশের পরিবহনে শৃঙ্খলা ও সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী অঙ্গীকারসহ সরকারের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী মহল থেকে ও বিভিন্ন সময়ে একাধিক নির্দেশনা এসেছে।

কিন্তু একটি কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠী দেশের গণমানুষের আন্দোলনকে থামিয়ে দিতে বিভিন্ন সময়ে হামলা, হুমকি ও নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আন্দোলনটি থামিয়ে দিতে অপচেষ্টা চালাই। এতে ব্যর্থ হয়ে কথিত বাদীবিহীন গায়েবি চাদাঁবাজীর মামলা মিরপুর থানায় দায়ের করে ঠিকানাবিহীন ঐ মামলায় ০৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জের সানারপাড়ের বাসা থেকে আমাকে গ্রেফতার করে ।

সেই দিন এই মিথ্যা ও গায়েবী মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে দেশের বুদ্ধিজীবী, সুশীল সমাজ, দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠন, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে উঠে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত ১০ সেপ্টেম্বর আমাকে জামিনে মুক্তি দিলেও পুলিশ কাফরুল থানার অস্ত্র ও বিষ্ফোরক আইনের দায়ের করা অপর মামলায় আমাকে গ্রেফতারের অপচেষ্টা চালাই । বিজ্ঞ আদালত মামলাটি খারিজ করে দিলে আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ০৮ ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগার থেকে আমি মুক্তি লাভ করি । আজো এই মামলার ঘানি টানতে হচ্ছে আমাকে।

কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করলেও এখন যেন পুরো বাংলাদেশটায় আমার কারাগার। স্বাধীন দেশে আমরা যেন পরাধীন নাগরিক!

ষড়যন্ত্রকারীরা আজো থামেনি। কেবল তাদের চরিত্র বদল হয়েছে। তারা নানাভাবে কখনো আমার চরিত্রে কালিমা লেপনের, কখনো আমাকে দুর্নীতিবাজ সাজাবার, কখনো আমাকে কোটি কোটি মালিক সাজাবার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

তবে দেশের নির্যাতিত, নিপীডিত,অধিকার বঞ্চিত দিশেহারা সাধারণ মানুষের এই আন্দোলনটিকে আমি পবিত্র ইবাদত মনে করি। তাই মহান আল্লাহর রহমত ও গায়েবি সাহায্য সাথে রয়েছে । তাই এসব যড়যন্ত্রকারীরা সফল হতে পারেনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি, প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে ৮টি পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর চেরাগি পাহাড় চত্বর এলাকায় চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন এই ধর্মঘটের আয়োজন করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলী সঞ্চালনায় অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেয় বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, সৃষ্টি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদ, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, রেজাউল করিম শিকদার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন।
অবস্থান র্ধমঘট চলাকালে বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদী রক্ষায় তিন দফা দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যম কর্ণফুলীতে সাম্পান ও জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনটি দাবি হচ্ছে- মহামান্য হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষ নিয়ে জনস্বার্থ মামলার বিরোধিতাকারীদের প্রত্যাহার করতে হবে। হাইকোর্ট নির্দেশিত নদী জীবত্ব সত্ত্বা আদেশ অনুযায়ী কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করতে হবে এবং সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী নদীর তীরে টিকে থাকা সাড়ে তিন শতাধিক দেশিয় প্রজাতির গাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।পাশাপাশি নদী তীরে ব্যাপকহারে গাছ লাগাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদলে গ্রাম সরকার বা ওয়ার্ড সরকার করে তাদের সমন্বয়ে দেশ পরিচালনা না করলে এই অব্যবস্থাপনা যাবে না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কর্ণফুলীর কারণে। দুখের কথা হচ্ছে- দেশের সঞ্চালক এই নদী রক্ষার জন্য সরকার ও প্রশাসন বরাবর উদাসীন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি- আপনারা কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করুন, না হয় জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, নতুন সরকারের নদী ও খাল রক্ষার ঘোষণায় কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হওয়ার আশায় ছিলাম। এখন অনেকে দখলদারদের পক্ষ নিয়ে কর্ণফুলীকে চিরতরে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে, যা চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রতিহত করবে।

এসময় বক্তব্য দেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি জানে আলম, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি কামাল পারভেজ, বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এম নুরুল হুদা চৌধুরী, রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল করিম বাপ্পি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আলম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক লোকমান দয়াল, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পরিচালক আমির হোসেন, হস্তচালিত বড় সাম্পান মাঝি সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন, চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান সমিতির সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী, মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন রায়, সমাজসেবক আরমান হোসেন প্রমুখ।

বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে – প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে। সেতু চালু হলে দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত প্রত্যাশা পূরণে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। একটি কুচক্রী মহল এতদিন সেতু নির্মাণ কাজ বাঁধাগ্রস্থ করে রাখে। আজ ১৮জুন বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ উপজেলার ইছাপুরা সেতু ও কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু পরিদর্শন শেষে নগরপাড়ায় আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম ফারুক খোকন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক হাজী বাছির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকার পূর্ব মাদারটেক, সবুজবাগ হয়ে বালু নদের সেতু পার হয়ে সিলেট ও চট্টগ্রামসহ ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় সহজেই আসা-যাওয়া করা যাবে। সেই দিক থেকে বালু নদের সেতুটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। বালু নদের সেতু নির্মাণ কাজ আগামী এক বছরের মধ্যে সমাপ্ত করা হবে। সেতু দু’টি চালু হলে লাখো মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। কৃষি ও ব্যবসা বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সিলেটসহ ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় জেলায় যানবাহন চলাচল আরো সহজ ও দ্রুত হবে। উল্লেখ বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু নির্মাণ ২৩ বছরেও শেষ হয়নি।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ