আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

পাকুয়াখালী ট্র্যাজেডিসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল গণহত্যার বিচার দাবিতে চট্টগ্রামে গোলটেবিল বৈঠক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে লংগদুর পাকুয়াখালীতে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল গণহত্যার বিচার দাবিতে এক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস এম সুলতান আহমেদ হল রুমে এ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠানে

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট পারভেজ তালুকদারের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) চেয়ারম্যান কাজী মজিবুর রহমান মজিব।

আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস, উদ্বোধনী আলোচনা করেন মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) ইমদাদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার চট্টগ্রাম আবাসিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মো. এমদাদুল্লাহ সোহায়েল, সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট কামাল পারভেজ, নগর জামায়াত নেতা মো. মনছুরুল হাসান জিয়া, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা মুহাম্মদ আবদুল কাদের, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগর প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা নিজাম তালুকদার, যুবনেতা আরশাদুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা পাকুয়াখালী ট্র্যাজেডিতে ৩৫ কাঠুরিয়ার হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩৫ হাজার নিরীহ বাঙালি হত্যার বিচার, নিহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের জোর দাবি জানান। তারা বলেন, ৩০ বছর পার হয়ে গেল, অসংখ্য সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু কোনো সরকার পার্বত্য বাঙালি হত্যার বিচার বা ক্ষতিপূরণ দেয়নি।

বক্তারা জোরালোভাবে উল্লেখ করেন, এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার অবশ্যই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করতে হবে। তারা সতর্ক করে বলেন এবারও যদি বিচার না হয়, তবে রাজপথে নেমে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ