আজঃ বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ, ২০২৬

চাঁদা দাবির অভিযোগ ব্যবসায়ীর,বিএনপি নেতা বললেন চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছি।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পৌর সভা বিএনপি’র এক নেতা চাঁদা না পেয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন রেন্ট-এ-কারের ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় ভাঙ্গুড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী একেএম হানিফ বাবলু।

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা হলেন- ভাঙ্গুড়া পৌরসভা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও পাবনা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সভাপতি মোতালেব হোসেন।ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী একেএম হানিফ বাবলু গতকাল রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভাঙ্গুড়া থানায় একটি জিডি করেন।

জিডিতে একেএম হানিফ বাবলু উল্লেখ করেন,গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৯ টার দিকে ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের বকুলতলা মোড় এ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোতালেব হোসেন ও তার সহযোগী শাহ শিকদার চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে আপত্তি জানালে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন তারা। এ সময় হানিফ বাবলুর দুটি মাইক্রোবাস সড়কে চলাচল করলে ভাঙচুরের হুমকিও দেন। সেই সঙ্গে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে একেএম হানিফ বাবলু বলেন, ‘মোতালেব হোসেন আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। আমি তা দিতে রাজি হইনি। তখন তিনি বলেন, “তোমার দুটি গাড়ি ভেঙে ফেলা হবে এবং গাড়ি রাস্তায় চললে তোমাকেও মেরে ফেলা হবে”। জীবনের নিরাপত্তাহীনতা ও হামলার আশঙ্কায় ভাঙ্গুড়া থানায় জিডি করেছি।’

ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন পৌর বিএনপির নেতা মোতালেব হোসেন। বিএনপির রাজনীতির পাশাপাশি পাবনা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এ সুযোগে পরিবহন খাতে প্রভাব বিস্তার করছেন। প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে প্রায়ই চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

চাঁদা দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোতালেব হোসেন বলেন, ‘আমি একজন দরিদ্র মানুষ এবং হার্টের অসুখে ভুগছি। মূলত চিকিৎসা সহায়তা চাইতে আমি একেএম হানিফ বাবলুর কাছে গিয়েছিলাম। কিন্তু বিষয়টিকে চাঁদাবাজি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। তখন আমি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বলেছিলাম,তার গাড়ি চলতে দেওয়া হবে না। বিষয়টি আলোচনা করে সমাধান করা করবো আমরা।’

এ ব্যাপারে পাবনা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আমাদের কাছে এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। তবু খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভাঙ্গুড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরজাহান বলেন, ‘ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী থানায় জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টলা এক্সপ্রেসের পাওয়ার কারে অগ্নিকান্ডে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার পর ঘটনা তদন্তে এ কমিটি গঠন করা হয়।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে (ডিটিও) কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ফৌজদারহাটের বিএমএ গেট এলাকায় চলন্ত অবস্থায় ট্রেনটির পাওয়ার কারে আগুন লাগে। পরে আগুন পাশের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে সরে যান।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডের সময় কিছুক্ষণ রেল চলাচল ব্যাহত হলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।

বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুগ্ম সচিব পরিদর্শনে সেবার মান নিয়ে সন্তোষ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বুধবার ২৫ মার্চ দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার যুগ্ম সচিব ডা. শাব্বির ইকবাল বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকমিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সরাসরি রোগীদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে রক্তচাপ পরিমাপ করেন এবং চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছ থেকেও চিকিৎসা সেবার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত হন। হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুফিয়ান সহ অন্যান্য চিকিৎসক, কনসালটেন্ট, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে পরিদর্শনের দিন ৯১ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। অতিরিক্ত রোগী সেবা প্রদান এবং হাসপাতালের উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান যুগ্ম সচিব ডা. শাব্বির ইকবাল।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ