আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

নতুন জ্ঞানের সন্ধান পেতে হলে গবেষণার সাহায্য নিতে হবে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেছেন, নতুন জ্ঞানের সন্ধান পেতে হলে গবেষণার সাহায্য নিতে হবে। গবেষণার জন্য অনেক সময় ও পরিশ্রমের প্রয়োজন, কেননা গবেষণা সময়-সাপেক্ষ, শ্রম সাপেক্ষ ও কষ্টকর। গবেষণার সুফল পেতে হলে দিনের পর দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হবে। কোন মহৎ আবিষ্কার আকস্মিকভাবে বা বিনা পরিশ্রমে হয় না।

মনে রাখতে হবে, কোন গবেষণা কর্মের ফলাফল আপাতদৃষ্টিতে আপেক্ষিক মনে হলেও গবেষকের আবিষ্কারের পিছনে বহু বছরের পরিশ্রম, সাধনা ও ত্যাগ স্বীকার রয়েছে। গবেষককে কল্পনা শক্তি ও সৃজনী শক্তির অধিকারী হতে হবে। গবেষণার প্রতিবেদন যথাযথভাবে লেখার জন্য গবেষকের সৃজনশীল ও কল্পনাশক্তি উভয়েরই প্রয়োজন রয়েছে। গবেষককে সবসময় বৃহৎ জনগোষ্ঠী ও দেশের মঙ্গলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যেতে হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে গবেষণা ও সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত “রিসার্চ সেমিনার, প্রোজেক্ট এওয়ার্ড ও অ্যাপ্রিসিয়েশন প্রোগ্রাম ২০২৫-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. এ.এইচ. রাশেদুল হোসেন, স্থ্যাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান। এতে কী-নোট স্পীকার ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি ইউনিভার্সিটি মেলবোর্ন এর স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সিনিয়র লেকচারার ড. মো: আতাউর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন গবেষণা ও সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর পরিচালক অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বনিক।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন চুয়েট আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ সানাউল রাব্বী এবং উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান।প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া আরও বলেন, অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ইত্যাদি যে কোন সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে এবং উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে গবেষণা চালিয়ে যেতে হয়। একটি গবেষণা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এবং সুদক্ষ গবেষক দ্বারা পরিচালিত হলে গবেষণার কাঙ্খিত ফলাফল লাভ করা যাবে।

উল্লেখ্য, উক্ত অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৪৭টি প্রোজেক্ট প্রোপোজাল এওয়ার্ড করা হয়। গত অর্থবছরে ২৭জন শিক্ষককে গবেষণা প্রকল্প শেষ করার জন্য সম্মননা দেওয়া হয় এবং সবশেষে ৪টি সেরা গবেষণা প্রকাশনা এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ