আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

সন্দেহজনক’ লেনদেন, সাবেক এমপি দিদার দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দিদারুল আলম ও তার স্ত্রী ইসমাত আরার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মালেক বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন। মামলা দুটির তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আয়কর নথি পর্যালোচনা করে দিদারুল আলমের স্ত্রী ইসমাত আরার নামে ২ কোটি ৬১ লাখ ১৩ হাজার টাকা স্থাবর ও ৫৭ লাখ ৯ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক। ২০১৪-২০১৫ থেকে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত তার বৈধ আয় ২ কোটি ৩৮ হাজার টাকা। একই সময়ে তিনি বিভিন্ন খাতে ব্যয় দেখিয়েছেন ২৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। ব্যয় বাদে তার মোট সম্পদের পরিমাণ সেই হিসেবে ১ কোটি ৭০ লাখ ৬২ হাজার টাকা।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, দুদক অনুসন্ধানকালে তার নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ১ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার সম্পদ পেয়েছে। যা তার স্বামী দিদারুল আলম সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত বলে প্রমাণ পেয়েছে দুদক। তাই ইসমাত আরা বেগম তার স্বামীর অসাধু উপায়ে অর্জিত ও তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ ভোগ-দখলে রাখায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং সম্পদ অর্জনে সহায়তা করায় দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ এনেছে দুদক।

এছাড়া দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, দুদক সাবেক সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের আয়কর নথি পর্যালোচনা করে ২৪ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৩৩ কোটি ২৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অস্থাবরসহ মোট ৫৭ কোটি ৬০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পেয়েছে। ২০১০-২০১১ থেকে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন খাত থেকে তার আয় ৬৯ কোটি ৬২ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এছাড়া এই সময়ে তিনি মোট ব্যয় দেখিয়েছেন ১৫ কোটি ৯৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ ব্যয় বাদে তার সঞ্চয় ৫৩ কোটি ৬৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। তবে এর মধ্যে ১০ কোটি ৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আয়ের গ্রহণযোগ্য উৎস খুঁজে পায়নি দুদক।অনুসন্ধানকালে দুদক তার অর্জিত সম্পদের চেয়েও ১৩ কোটি ৯৮ লাখ ৪৭ হাজার টাকা জ্ঞাত আয় কম পেয়েছে।

অন্যদিকে দিদারুল আলম ২০টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ৪৭৫ কোটি ৯৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা জমা ও ৪৭২ কোটি ৯০ লাখ ৫৬ হাজার টাকা উত্তোলনসহ মোট ৯৪৮ কোটি ৮৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকা হস্তান্তর ও স্থানান্তর করে আয়ের উৎস আড়াল করেছেন। ফলে সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারাসহ মানিলন্ডারিং আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ