আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

৫২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন চবির ৯ শিক্ষার্থী।

চবি সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবশেষে ৫২ ঘণ্টা পর আমরণ অনশন ভাঙলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৯ শিক্ষার্থী। প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগসহ সাত দফা দাবিতে তারা এই অনশন করেন। শুক্রবার বিকেল ৪টা ১৭ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আকতার ও উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের উপস্থিতিতে তারা অনশন ভাঙেন।তাদের অনশন ভাঙার সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন। শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের দেওয়া জুস পান করে অনশন ভাঙেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, বুধবার থেকে টানা অনশন চালিয়ে যাওয়ায় তাদের মধ্যে সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল কাসেম বলেন, দীর্ঘ ৫২ ঘণ্টা পর্যন্ত না খাওয়ার ফলে পানির ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীদের শরীরে লবণ ও শর্করার ঘাটতি তৈরি হয়। রক্তচাপ ও শর্করা অনেক কমে গেছে। আমরা তাদের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছি। বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত, তবে ৭ জন শিক্ষার্থীকে মেডিকেল সেন্টারে পর্যবেক্ষণে রেখেছি।

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ধ্রুব বড়ুয়া বলেন, উপাচার্যের আশ্বাসে আপাতত অনশন কর্মসূচি স্থগিত করেছি। আলোচনার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট সমাধানের প্রত্যাশা করছি। আলোচনার সারমর্ম শিক্ষার্থীদের কাছে উপস্থাপন করব। দাবি বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা না পেলে পুনরায় কঠোর কর্মসূচিতে যাব।উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আকতার বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো আলোচনা মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করা হবে। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতার প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব আছে। আশা করি, আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ ও ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে সাড়ে চার শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। নিরাপত্তা দিতে প্রক্টরিয়াল বডির ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে নয় শিক্ষার্থী বুধবার দুপুর ১টা থেকে আমরণ অনশনে বসেছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রজন্মের উদ্ভাবনী মিলনমেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিসারিজ অডিটোরিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স অনুষ্ঠান। হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনটি  স্কুল-কলেজের তরুণ উদ্ভাবক ও নেতৃত্বকে একত্রিত করে সৃজনশীলতা ও সামাজিক উদ্ভাবন উদযাপনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, সিইও ও চেয়ারম্যান, পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড; সারফুদ্দিন, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; মো. মুফিদুর রহমান, প্রভাষক, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; এবং মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা;অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও পরিচালক;আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নার্গিস ফাতেমা-এর মূল বক্তব্য, যেখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া নিজের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করে যে, প্রভাবশালী ধারণার সূচনা যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

এ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল নিবন্ধন করে, যার মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি দল অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় টিম “ইকোজিরকন (EcoZircon)” সেরা দল নির্বাচিত হয়, টিম “টম অ্যান্ড জেরি (Tom & Jerry)”  প্রথম রানার-আপ এবং টিম “অ্যাকোয়া ফাইবার (Aqua Fiber)” দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ অনিক (২০২৫–২৬)-এর নেতৃত্বে। এতে কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ চিফ অব স্টাফ এবং কারিন সাফফানা চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুরো আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট টিম-এর প্রধান নিশাত তাহসিন চৌধুরী লামিয়া ও তানজিফ হাসান, পাশাপাশি জাজেস অ্যান্ড পার্টিসিপ্যান্টস ম্যানেজমেন্ট টিম-এর প্রধান শাজিয়া রহমান ও রাহবার করিম।

হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবারও প্রমাণ করেছে যে এটি তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ এবং সাহসী চিন্তা ও সীমাহীন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম।

গ্রন্থাগার সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন ঃ চুয়েট ভিসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, গ্রন্থাগার কেবল বই সংরক্ষণের স্থান নয় বরং এটি সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন। যে জাতির গ্রন্থাগার যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত ও অগ্রসর। একটি জাতির মেধা, মনন, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও লালনকারী হিসেবে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের ভূমিকা সুদূরপ্রসারী এবং দীর্ঘস্থায়ী।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উদ্যোগে “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬”-এর আলোচনা সভা ও “অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরি” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন চুয়েটের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ আবির। চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান জনাব মোহাঃ নাসিরুজ্জামান।

এতে সঞ্চালনা করেন সহকারী লাইব্রেরিয়ান শারমিন সুলতানা তমা।উল্লেখ্য, “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬” উপলক্ষে এক বণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিকালে অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরির উপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকার।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ