আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চাকসু নির্বাচনে মনোনয়নপত্র নিলেন ছাত্রদল-শিবির, প্যানেল ঘোষণা পরে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে এককভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নির্বাচন কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন নেতাকর্মীরা। এদিকে প্যানেল আকারে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ না করায় আপাতত প্রতিদ্বন্দ্বী এ দুই সংগঠনে ভিপি-জিএস কিংবা অন্যান্য পদে কারা প্রার্থী হচ্ছেন, তা জানতে অপেক্ষার পালা বাড়ল।

জানতে চাইলে চাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিন বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে চাকসু নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণ হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থী বিশৃঙ্খলা করেনি। আমরা আশা করছি, সুষ্ঠু ও সুন্দর একটি নির্বাচন পরিচালনা করতে পারব।

ছাত্রদল নেতারা বলেছেন, প্যানেল বা জোটের বিষয়ে তারা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছেন। আর ছাত্রশিবিরের নেতারা বুধবার সবকিছু পরিষ্কার করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর উভয় সংগঠনের নেতারা সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা চাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছি। তবে আমাদের প্যানেল বা জোটের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপর আমরা সবাইকে জানিয়ে দেব।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছি। এই প্রশাসন জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার। তবুও আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করি।
এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়সহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিকেল ৩টার দিকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে আসেন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। তাদের নেতাকর্মীদের এককভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে দেখা যায়। এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের প্যানেলের সদস্যরা আপাতত এককভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। বুধবার অফিসিয়ালি আমাদের প্যানেল ঘোষণা করা হবে।

এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে ছাত্রশিবিরও। সংগঠনটির চবি শাখার সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৬০ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী একটা দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সন্দিহান। তবে আমরা আশা করছি, নির্বাচনে সকল অনিয়ম, কারচুপি শিক্ষার্থীরা রুখে দেবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ