আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

স্বচ্ছতা  ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড।

সুশাসন , আর্থিক স্বচ্ছতা ও সেবায়  পিছিয়ে নেই অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের তুলনায়। 

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহাম্মদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

স্বচ্ছতা  ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড।সুশাসন , আর্থিক স্বচ্ছতা ও সেবায়  পিছিয়ে নেই অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের তুলনায়।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড স্বচ্ছতা ও জবাব দিহিতায় অনন্য নজির স্থাপন করেছে। পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশের দেড় মাসের মধ্যেই প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষকদের সম্মানীর বিল পরিশোধ করান হয়েছে। দেশের আর কোনো শিক্ষা বোর্ড এত কম সময়ে এ উদ্যোগ নিতে পারেনি।

এসএসসি ও এইচএসসি ২০২৫ সালের প্রশ্ন প্রণেতা ও পরীক্ষকদের সম্মানী দেড় মাসের মধ্যে  পরিশোধ করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের দাবি, এটি শিক্ষা বোর্ডের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

এই প্রথম বোর্ড প্রতিষ্ঠার তিন দশক পর প্রথমবারের মতো স্টক রেজিস্ট্রার যাচাই–বাছাই শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় পরে থাকা  চলতি হিসাবে থাকা ৬ কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করে আরও অর্থ যোগ করে বর্তমানে সাড়ে ১১ কোটি টাকা এফডিআর করা হয়েছে। একইসঙ্গে অবসর তহবিল স্বল্প সময়ে ১০ কোটি থেকে ১৮ কোটি টাকারও বেশি উন্নীত করা হয়েছে। শুধু গত সাত মাসেই জমা হয়েছে প্রায় ৮ কোটি টাকা, যেখানে পূর্ববর্তী ৩০ বছরে ছিল মাত্র ৯ কোটি।

কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি নিয়মনীতি মেনে ঢাকা বোর্ডের রেকর্ড অনুসরণ করে  আধুনিকায়ন, জরাজীর্ণ ভবনের সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

স্থায়ী কর্মকর্তা–কর্মচারীরা জানান, প্রেষণে আসা কিছু সরকারি কলেজ শিক্ষকের তদবির ও প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা পদোন্নতির বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। অথচ শিক্ষা বোর্ড প্রবিধান অনুযায়ী, সহকারী কর্মকর্তা পদে পাঁচ বছর সন্তোষজনক চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হলে ডেপুটি কর্মকর্তা পর্যায়ের মোট ৬০ শতাংশ পদে পদোন্নতির বিধান রয়েছে। এ বিধান কার্যকর হলে চট্টগ্রামের কর্মকর্তাদের ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত হতো।

 

সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আলী আকবর বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত রয়েছি।  অথচ নিয়ম অনুযায়ী আমাদের পদোন্নতি পাওয়ার কথা। চট্টগ্রাম বোর্ড  কর্তৃপক্ষ যেমনি দ্রুততম সময়ে বিল পরিশোধ ও আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে প্রমাণ করেছে, তেমনি  আমাদের পদোন্নতি দিয়ে  সেটাও প্রমাণ করবেন আশাকরি।  শিক্ষাবোর্ডে যোগ্যতা সম্পন্ন  লোক রয়েছে, তাদের পদোন্নতি দিয়ে সুযোগ দেয়া হলে, তারা যোগ্যতার প্রমাণ দেবে।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি তহিদুল হক বলেন, “চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড দেশের অন্য বোর্ডগুলোর জন্য উদাহরণ। তবে স্থায়ী কর্মকর্তাদের পদোন্নতির দাবি মেনে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহাম্মদ• বলেন, ১৯৯৭ সালের প্রবিধান অনুযায়ী স্থায়ী কর্মকর্তাদের ৬০ শতাংশ এবং প্রেষণে আসা কর্মকর্তাদের ৪০ শতাংশ পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে। কেন এতদিন পদোন্নতি দেওয়া হয়নি তা খতিয়ে দেখা হবে এবং নিয়ম মেনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ