আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

আজকের সংঘাতময় বিশ্বে মহানবী (সঃ)’র জীবনাদর্শ অনুসরনই মুক্তির পথ- চসিক মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. বাকলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা, ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এমইবি গ্রুপের এমডি ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব শামশুল আলম।

আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ অধ্যক্ষ আবদুর রশিদ আল কাদেরী, স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু তাহের, অতিথির মধ্যে ছিলেন কর্নফুলী থানা শিক্ষা অফিসার জয়ন্ত বাডৈ, মহানগর বিএনপির সাবেক আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মো. আবদুল আজিজ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, এমদাদ উল্লাহ বাবুল, মো. ইসমাঈল বাবুল, নুরুল হোসাইন, মো. ইব্রাহিম বাচ্চু, মো. সালাহ উদ্দীন, মো. আলমগীর,, কেএম মঞ্জুর আলম, মো. জাহাঙ্গীর আবদুল মতিন কোম্পানীসহ স্থানীয় বিএনপি-জামাত নেতৃবৃন্দ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রথম অধিবেশনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে শ্রেনি ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা, মহানবী (সঃ) এর জীবনীর উপর রচনা ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ২য় অধিবেশনে প্রধান আলোচক অধ্যক্ষ মো. আবদুর রশিদ আল কাদেরী বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হলো এমন এক মহিমান্বিত দিন, যেদিন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এ পৃথিবীতে আগমন করেন। তিনি বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন।

সভাপতির বক্তব্য বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. দিদারুল আলম বলেন, আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমরা একত্রিত হয়েছি মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মদিন উপলক্ষ্যে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের জন্য। পৃথিবীতে তাঁর আগমন মানবজাতির জন্য ছিল সবচেয়ে বড় রহমত, যাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা “রহমাতুল্লিল আলামীন” হিসেবে প্রেরণ করেছেন।

প্রধান অতিথি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আজকের দ্বন্দ-সংঘাতময় বিশ্বে মহানবী (সঃ) এর অনুপম জীবনাদর্শ, তাঁর সার্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহর অনুসরনই একমাত্র মুক্তির পথ। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের জন্য আত্মশুদ্ধি, শিক্ষা ও অনুপ্রেরণার উৎস। মহানবী হযরত মুহাম্মদের (সা.) জীবনদর্শনই মানবতার সর্বোত্তম মডেল।

তিনি মানবকল্যাণ, ন্যায়পরায়ণতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দয়া-দাক্ষিণ্যের যে শিক্ষা দিয়ে গেছেন, তা শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের মানবজাতির জন্য একটি আলোকবর্তিকা। পরে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ১ম অধিবেশনের বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল দুই পেট্টোল পাম্প, ওজন কম ও হালনাগাদ নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে দুইটি পেট্টোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়। বুধবার বিএসটিআইয়ের পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতে এসব জরিমানা করা হয়। দুটি পেট্টোল পাম্পকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরীক্ষক প্রিময় মজকুরী জয়। অভিযানে নগরীর পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদের বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স পেট্টোল পাম্পের ডিসপেন্সিং ইউনিট যাচাই করে দেখা যায়, ডিজেল সরবরাহে প্রতি ৫ লিটারে ১২০ মিলিলিটার কম দেওয়া হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন মন্ডল অপু।

একইদিন, কাতালগঞ্জ এলাকার হাজি ইউনুস অ্যান্ড কোং নামের পেট্টোল পাম্পের ভেরিফিকেশন সনদ হালনাগাদ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে তাদের ডিসপেন্সিং ইউনিটে পরিমাপের যথার্থতা সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এছাড়া একই এলাকায় খান ব্রাদার্স সিএনজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিমাপ সঠিক এবং প্রয়োজনীয় সব সনদ হালনাগাদ থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

চট্টগ্রাম কারাগারে ঈদের হাসি ফোটাতে নানা উদ্যেগ, বন্দীরা আপ্যায়িত হবে বিশেষ খাবারে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদে কারাবন্দীদের মুখে হাসি ফোটাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। প্রায় ছয় হাজার বন্দীদের মাঝে কারাগার কর্তৃপক্ষ ছড়িয়ে দিতে চায় ঈদের আনন্দ। ঈদের দিন কারাগারে স্বজনদের কাছে ছুটলেও চার দেয়ালের বাইরে যাবার সুযোগ নেই কারাবন্দীদের। সরকারি নিয়মীতির মধ্যে থেকেই দেখা করতে হয়। এবার ঈদে কারাগারে বন্দীদের পায়েস, মুড়ি, গরুর ও ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের। বাহিরের কোন বাবুচি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা এই রান্না করবেন বলে জানা গেছে। এবার কারাবন্দী মায়ের সাথে ৪৫ শিশুও ঈদ করবে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বিধি অনুযায়ী আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি ঈদে যেন বন্দীদের মন খারাপ না থাকে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ রান্নার আয়োজন করা হবে কারাগারে। কারাগারের ভেতরে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত। সকাল সাড়ে সাতটায় কারাগারে কর্মরত অফিসার ও কর্মচারীরা নামাজ পড়বেন।

সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে বন্দীদের ঈদের নামাজ। সকালে বন্দীদের সরবরাহ করা হবে পায়েস, মুড়ি। দুপুরে মুসলিম বন্দীদের জন্য গরুর মাংস। অন্য ধর্মালম্বীদের জন ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া সবার জন্য থাকবে মুরগির মাংস ও মিষ্টি। রাতে পোলাও এবং পান সুপারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
কারগারসূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম কে›ন্দ্রীয় কারাগারে সাজা, মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও হাজতি মিলে বন্দীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ছয় হাজার। সেই হিসেবে প্রায় ছয় হাজার বন্দী এবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদ উদযাপন করবেন।

বিপুল সংখ্যাক বন্দীর জন্য কারাগারে উন্নত খাবারের রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। করা হয়েছে বাহারি আলোকসজ্জা। ইচ্ছে করলেও কারাবন্দীরা সারাবছর ঘরে রান্নার স্বাদ নিতে পারেন না। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা চাইলে বাড়ির রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
জানা গেছে, ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম কারাগার ১৯৯৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে উন্নীত হয়। কারাগারের পাঁচ তলা বিশিষ্ট পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ভবনের প্রতিটিতে ৩০০ জন ও কর্ণফুলী, সাংগু ও হালদা ভবনের প্রতিটিতে ২৪০ জন বন্দী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট দুটি ফাঁসির সেল ভবন, ৩২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেল ভবন রয়েছে।

এবার পেশাদার কোন বাবুর্চি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা ২৮ চুলায় এসব রান্না তৈরি করবেন। বন্দীদের রান্নার জন্য দুটি রান্না ঘরে ২৮টি চুলা (চৌকা) রয়েছে। এছাড়া চারতলা বিশিষ্ট একটি মহিলা কয়েদি ও দুই তলা বিশিষ্ট মহিলা হাজতি ব্যারাক রয়েছে দুটি। কাগজে কলমে দুই হাজার ২’শ ৪৮ জন বন্দীর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় হাজার। এদিকে কোন অপরাধ না করেও কারাগারে বন্দী রয়েছে ৪৫ শিশু। নানা অপরাধে জড়িত কারাবন্দী মায়ের সাথে শিশুরাও বন্দী জীবনযাপন করছে। জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বন্দী মায়ের সাথে শিশুদের ছয় বছর বয়স পর্যন্ত কারাগারে রাখা হয়। কারাগারে থাকা শিশুদের জন্য খেলাধূলা ও পড়াশোনার ব্যবস্থা রয়েছে। ছয় বছর বয়স পার হলেও তাদেরকে সমাজ সেবার আওতাধীন বিভিন্ন শিশু সদনে পাঠানো হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ