আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

আজকের সংঘাতময় বিশ্বে মহানবী (সঃ)’র জীবনাদর্শ অনুসরনই মুক্তির পথ- চসিক মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. বাকলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা, ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এমইবি গ্রুপের এমডি ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব শামশুল আলম।

আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ অধ্যক্ষ আবদুর রশিদ আল কাদেরী, স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু তাহের, অতিথির মধ্যে ছিলেন কর্নফুলী থানা শিক্ষা অফিসার জয়ন্ত বাডৈ, মহানগর বিএনপির সাবেক আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মো. আবদুল আজিজ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, এমদাদ উল্লাহ বাবুল, মো. ইসমাঈল বাবুল, নুরুল হোসাইন, মো. ইব্রাহিম বাচ্চু, মো. সালাহ উদ্দীন, মো. আলমগীর,, কেএম মঞ্জুর আলম, মো. জাহাঙ্গীর আবদুল মতিন কোম্পানীসহ স্থানীয় বিএনপি-জামাত নেতৃবৃন্দ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রথম অধিবেশনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে শ্রেনি ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা, মহানবী (সঃ) এর জীবনীর উপর রচনা ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ২য় অধিবেশনে প্রধান আলোচক অধ্যক্ষ মো. আবদুর রশিদ আল কাদেরী বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হলো এমন এক মহিমান্বিত দিন, যেদিন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এ পৃথিবীতে আগমন করেন। তিনি বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন।

সভাপতির বক্তব্য বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. দিদারুল আলম বলেন, আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমরা একত্রিত হয়েছি মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মদিন উপলক্ষ্যে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের জন্য। পৃথিবীতে তাঁর আগমন মানবজাতির জন্য ছিল সবচেয়ে বড় রহমত, যাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা “রহমাতুল্লিল আলামীন” হিসেবে প্রেরণ করেছেন।

প্রধান অতিথি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আজকের দ্বন্দ-সংঘাতময় বিশ্বে মহানবী (সঃ) এর অনুপম জীবনাদর্শ, তাঁর সার্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহর অনুসরনই একমাত্র মুক্তির পথ। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের জন্য আত্মশুদ্ধি, শিক্ষা ও অনুপ্রেরণার উৎস। মহানবী হযরত মুহাম্মদের (সা.) জীবনদর্শনই মানবতার সর্বোত্তম মডেল।

তিনি মানবকল্যাণ, ন্যায়পরায়ণতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দয়া-দাক্ষিণ্যের যে শিক্ষা দিয়ে গেছেন, তা শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের মানবজাতির জন্য একটি আলোকবর্তিকা। পরে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ১ম অধিবেশনের বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ