আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামবাসীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে চমেক শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে: চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের চট্টগ্রামবাসীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।তিনি বলেন, চমেক থেকে প্রতি বছর যে শিক্ষার্থীরা ডাক্তার হয়ে বের হচ্ছেন, তাদের দায়িত্ব শুধু চিকিৎসা প্রদান নয়, বরং সমাজের প্রতিটি স্তরে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ জাতি গঠনে তরুণ চিকিৎসকদের দায়িত্ব আরও বেশি।

তিনি শনিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের গৌরবের ৬৮তম সিএমসি ডে ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান। মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে এখনো অনেক মানুষ পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। এ ক্ষেত্রে চমেকের শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা যদি সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি গবেষণা ও সেবায় অগ্রণী ভূমিকা রাখেন, তবে নগরবাসী একটি স্বাস্থ্যসম্মত ও সুন্দর জীবন পাবে।

অনুষ্ঠানে চমেকের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নগরীর স্বাস্থ্যসেবা খাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ঐতিহ্য ও অবদান তুলে ধরেন। তারা বলেন, ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই প্রতিষ্ঠান শুধু চিকিৎসক তৈরি করেনি, বরং চিকিৎসা শিক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে এগিয়ে নিয়েছে।

সিএমসি ডে উদযাপন উপলক্ষে চমেক ক্যাম্পাস থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে মেডিকেল কলেজের সড়ক হয়ে শাহ আলম বীর উত্তম মিলায়তনে এসে শেষ হয়। পরে কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অংশ নেন শিক্ষক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। এর আগে বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আব্দুর রবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. তসলিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. ইমরান বিন ইউনুস, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র প্রফেসর ডা. মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রফেসর ডা. ইমাম উদ্দিন, প্রফেসর ডা. এস এম তারেক, প্রফেসর ডা. জসিম উদ্দিন,

প্রফেসর ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক, ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ আলী, প্রফেসর ডা. মাইন উদ্দিন, প্রফেসর ডা. হাসানুজ্জামান, প্রফেসর ডা. অজয় দেব, প্রফেসর ডা. আবদুস সাত্তার, প্রফেসর ডা. তাজিন সুলতানা, ডা. তনুজা তানজিন, ডা. মো. আবু নাসের, ডা. ফয়েজুর রহমান, ডা. মাহমুদুর রহমান, ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ডা. কামরুল হক, ডা. ইফতেখারুল ইসলাম, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, ডা. ইমরোজ উদ্দিন, ডা. তানভীর হাবিব তান্না প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ