আজঃ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় যুবকের ১৭ বছরের দণ্ড।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় এক যুবককে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। সোমবার (প্রথম অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ইসমত জাহানের আদালত পাচঁলাইশ থানার ১৭ বছর আগে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের মামলায় এই রায় দেন। দন্ডিত ওই যুবকের নাম হল মো.কাউছার (৩৭)।

মো.কাউছার, লক্ষীপুর জেলার লক্ষীপুর সদর থানার ইদিলপুর গ্রামের সফিউল্ল্যাহ এর ছেলে।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ২৫ জানুয়ারি নগরের পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর ফরেস্ট গেইট এলাকার ফরেস্ট গেইট রেল ক্রসিং রোড থেকে মো.কাউছারসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় মো.কাউছার থেকে দেশিয় তৈরি সচল রিভলবার ও ৫ টি গুলি উদ্ধার করা হয়।

এছাড়াও গ্রেফতার মো.আবদুর রহমানের কাছ থেকে ১১ ইঞ্চি লম্বা ধারালো ছুরি ও হাবিবুর রহমান লেদুর কাছ থেকে ২৬ ইঞ্চি লম্বা একটি রামদা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা আদালতে স্বীকার করেছিলেন তারা ডাকাতির উদ্দেশ্যে সেখানে সমবেত হয়েছিল। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। একটি ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে এবং অন্যটি অস্ত্র আইনে। অস্ত্র আইনের মামলায় এই ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় তদন্ত শেষে একই বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। একই বছরের ৩০ জুন অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো.নাছির উদ্দীন ভূঁইয়া বলেন, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের মামলায় ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো.কাউছারকে রিভলবার উদ্ধারের জন্য ১০ বছর এবং গুলির জন্য ৭ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। তবে দুটি সাজা একসঙ্গে চলবে। সেই হিসেবে সাজা হবে দশ বছর। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে ডিজেল-জেট ফুয়েল নিয়ে আসা ৩ জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে মালয়েশিয়া থেকে দুটি জাহাজে করে ডিজেল এবং সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজে জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) এসেছে। এর মধ্যে এমটি গ্রেট প্রিন্সেস নামে জাহাজটি গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ডলফিন জেটি-৬-এ জ্বালানি খালাস করছে। জাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল নিয়ে এসেছে। অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী এমটি লুসিয়া সোলিস জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে রওনা দিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। জাহাজটিতে প্রায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল রয়েছে।বর্তমানে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় জ্বালানি খালাস চলছে এবং বুধবার দুপুরে এটি ডলফিন জেটি-৫-এ ভিড়েছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের গভীরতাজনিত সমস্যা থাকায় বড় জাহাজ প্রথমে বহির্নোঙরে পৌঁছে কিছু তেল খালাস করে৷ পরে বাকিগুলো জেটিতে ভেড়ানোর পর খালাস করা হয়।
বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, ডেনমার্কের পতাকাবাহী এমটি টর্ম দামিনি জাহাজটি প্রায় ৩২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে মঙ্গলবার রাত থেকে বহির্নোঙরে জ্বালানি খালাস করছে। জাহাজটি বুধবার ডলফিন জেটি-৬-এ পৌঁছেছে। জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছিল বলে তিনি জানান।

বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ কমিটির অনুমোদন প্রদান করে।অনুমোদিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসার।

এছাড়া স্থানীয় ক্রীড়াবিদ হেলাল উদ্দীন টিপুকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ক্রীড়া সংগঠক হাজি আবু আকতার।
নবগঠিত এ কমিটির মাধ্যমে বোয়ালখালী উপজেলার ক্রীড়া কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ