আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

সরগম একাডেমী,র ১৪তম বর্ষপূর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জীবন্ত কিংবদন্তি বরেণ্য কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ এর জন্ম উৎসব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সংস্কৃতি একটি জাতির অস্তিত্ব বহন করে। যে জাতির সংস্কৃতি নেই,স জাতির অস্তিত্বও নেই। প্রতিটি জাতির ভিন্ন ভিন্ন শিল্প সংস্কৃতি রয়েছে। বাংলাদেশের
প্রতিটি অঞ্চলের সংস্কৃতি এক নয়।

একই দেশে অঞ্চলভেদে শিল্প -সংস্কৃতি একেক রকমের। চট্টগ্রাম পাহাড় -নদী ও সমতলের জনপদ। এজনপদের শিল্প সত্তার অস্তিত্ব অনেক গভীরে।

অনেক গুণী শিল্পী এমাটিতে জন্মেছেন।তাদেরই একজন ওস্তাদ মোহন লাল দাশ। ওস্তাদের যোগ্য
উত্তরসূরী ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ। তারই ধারাবাহিক উত্তরসূরী অভিষেক দাশ। সংগিতাঙ্গের সড়কে

তিন প্রজন্মের ধারাবাহিকতা চট্টগ্রামে এক অনন্যতার মাত্রা যুক্ত করেছে। আপাদমস্তক সংগীতের ধারক এপরিবারের জুরি মেলা ভার।

চট্টগ্রামের সংগীত ভূবণের দিশারি ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ এর ৬৫ তম জন্ম উৎসব ২৫ সেপ্টেম্বর
আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভক্ত, সুধী,সজ্জনরা
পালন করেছে।

২৫শে সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান সরগম একাডেমী আয়োজনে ও ওস্তাদ মোহনলাল দাশ স্মৃতি সংসদের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমীর গ্যালারি হলে বরেণ্য কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশের ৬৫তম জন্ম উৎসব আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়।

ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ এর জন্ম উৎসব ও সরগম একাডেমী,র ১৪তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একাডেমীর সভাপতি কিরন শর্মা,র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব নুরুল আলম নিজামি (সাবেক অতিরিক্ত সচিব),

প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মাহফুজুল হক,পরিচালক বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন কৈলাস বিহারী সেন, সভাপতি বাগেশ্বরী সংগীতালয় চট্টগ্রাম।


আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মরমী ও লোক শিল্পী আব্দুর রহিম, খ্যাতনামা গীতিকার সূরজিৎ রাহা দাসু, বিশিষ্ট সংগঠক ও সংস্কৃতি সেবি মোঃ মহসিন, সাংবাদিক রুপম ভট্টাচার্য্য প্রমুখ।

সঞ্চালনায় ছিলেন ববিতা ইসলাম।এ ছাড়াও এতে কন্ঠ শিল্পী হিসাবে মরমী শিল্পী শিমুল শীল, পাপিয়া আহমেদ( প্রযোজক বাংলাদেশবেতার চট্টগ্রাম),শ্রীমা দেওয়ানজী,ইকবাল পিন্টু,দিদারুল ইসলাম,আব্দুল হালিম,

জুয়েল দীপ,কাকলি দাশ গুপ্তা,অভিষেক দাশ, তৌহিদুল ইসলাম (আনন্দ), অবন্তি রক্ষিত, মিস্টি রপা, মেঘলা, নুপুর দাশ,জিল্লাল হাসান, অদিতি রক্ষিত,পম্পি , বিজয় দাশ,এস,বি সুমি, আবৃত্তিকার এটিএম সাইফুর প্রমুখ।

এ ছাড়াও ত্রি তরঙ্গ,মুক্তধ্বনি,স্বদেশ ,প্রমা উচ্চারকসহ অনেক আবৃত্তি সংগঠনের বাচিক শিল্পীরা এ খ্যাতিমান সংগীত ব্যাক্তিত্বের জন্ম জয়ন্তীতে উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে শিল্পী রুবেল চৌধুরীর কন্ঠে ও ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ এর সুরে ঋষি অধৈতানন্দ জির একটি গানের মোড়ক উন্নোচন করা হয়।সব শেষে জন্মানুষ্টানের কেক কাটার মাধ্যমেই অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ