সরগম একাডেমী,র ১৪তম বর্ষপূর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জীবন্ত কিংবদন্তি বরেণ্য কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ এর জন্ম উৎসব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সংস্কৃতি একটি জাতির অস্তিত্ব বহন করে। যে জাতির সংস্কৃতি নেই,স জাতির অস্তিত্বও নেই। প্রতিটি জাতির ভিন্ন ভিন্ন শিল্প সংস্কৃতি রয়েছে। বাংলাদেশের
প্রতিটি অঞ্চলের সংস্কৃতি এক নয়।

একই দেশে অঞ্চলভেদে শিল্প -সংস্কৃতি একেক রকমের। চট্টগ্রাম পাহাড় -নদী ও সমতলের জনপদ। এজনপদের শিল্প সত্তার অস্তিত্ব অনেক গভীরে।

অনেক গুণী শিল্পী এমাটিতে জন্মেছেন।তাদেরই একজন ওস্তাদ মোহন লাল দাশ। ওস্তাদের যোগ্য
উত্তরসূরী ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ। তারই ধারাবাহিক উত্তরসূরী অভিষেক দাশ। সংগিতাঙ্গের সড়কে

তিন প্রজন্মের ধারাবাহিকতা চট্টগ্রামে এক অনন্যতার মাত্রা যুক্ত করেছে। আপাদমস্তক সংগীতের ধারক এপরিবারের জুরি মেলা ভার।

চট্টগ্রামের সংগীত ভূবণের দিশারি ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ এর ৬৫ তম জন্ম উৎসব ২৫ সেপ্টেম্বর
আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভক্ত, সুধী,সজ্জনরা
পালন করেছে।

২৫শে সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান সরগম একাডেমী আয়োজনে ও ওস্তাদ মোহনলাল দাশ স্মৃতি সংসদের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমীর গ্যালারি হলে বরেণ্য কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশের ৬৫তম জন্ম উৎসব আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়।

ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ এর জন্ম উৎসব ও সরগম একাডেমী,র ১৪তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একাডেমীর সভাপতি কিরন শর্মা,র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব নুরুল আলম নিজামি (সাবেক অতিরিক্ত সচিব),

প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মাহফুজুল হক,পরিচালক বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন কৈলাস বিহারী সেন, সভাপতি বাগেশ্বরী সংগীতালয় চট্টগ্রাম।


আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মরমী ও লোক শিল্পী আব্দুর রহিম, খ্যাতনামা গীতিকার সূরজিৎ রাহা দাসু, বিশিষ্ট সংগঠক ও সংস্কৃতি সেবি মোঃ মহসিন, সাংবাদিক রুপম ভট্টাচার্য্য প্রমুখ।

সঞ্চালনায় ছিলেন ববিতা ইসলাম।এ ছাড়াও এতে কন্ঠ শিল্পী হিসাবে মরমী শিল্পী শিমুল শীল, পাপিয়া আহমেদ( প্রযোজক বাংলাদেশবেতার চট্টগ্রাম),শ্রীমা দেওয়ানজী,ইকবাল পিন্টু,দিদারুল ইসলাম,আব্দুল হালিম,

জুয়েল দীপ,কাকলি দাশ গুপ্তা,অভিষেক দাশ, তৌহিদুল ইসলাম (আনন্দ), অবন্তি রক্ষিত, মিস্টি রপা, মেঘলা, নুপুর দাশ,জিল্লাল হাসান, অদিতি রক্ষিত,পম্পি , বিজয় দাশ,এস,বি সুমি, আবৃত্তিকার এটিএম সাইফুর প্রমুখ।

এ ছাড়াও ত্রি তরঙ্গ,মুক্তধ্বনি,স্বদেশ ,প্রমা উচ্চারকসহ অনেক আবৃত্তি সংগঠনের বাচিক শিল্পীরা এ খ্যাতিমান সংগীত ব্যাক্তিত্বের জন্ম জয়ন্তীতে উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে শিল্পী রুবেল চৌধুরীর কন্ঠে ও ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ এর সুরে ঋষি অধৈতানন্দ জির একটি গানের মোড়ক উন্নোচন করা হয়।সব শেষে জন্মানুষ্টানের কেক কাটার মাধ্যমেই অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের আমলে ২০১৮ সালের ‘বিতর্কিত’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তাদের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং যেহেতু সরকার জনস্বার্থে তাঁকে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা প্রয়োজন মর্মে বিবেচনা করে; সেহেতু সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন।যুগ্ম সচিব পদের এসব কর্মকত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারা হলেন— পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ,

লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, চাপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নুরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, শেরপুরের আনারকলি মাহবুব, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, মো. আলী আকবর ও রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের।

বোয়ালখালীতে ফল মেলায় দেশীয় ফলের সমাহার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে বোয়ালখালীতে দেশীয় ফলের প্রদর্শনী জাতীয় ফল মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শাহানুর ইসলাম।এ সময় তিনি বলেন, স্থানীয় দেশীয় ফল কৃষকের শ্রম, আর প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের এক অপূর্ব সাক্ষাৎ। দেশীয় ফল সুস্বাদুই নয়, এগুলো আমাদের অর্গানিক খাদ্য ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি।

মেলায় স্থানীয় দেশীয় ফলের প্রদর্শনীতে রয়েছে- ডেউয়া, আমড়া, কলা, বিলিম্বি, লুকলুকি, কামরাঙা, বরই, হরিতকি, বারি মাল্টা, কাঠাঁল, মাল্টা, চালতা, গাব, থাই পেয়ারা, ডেডিগেড মাল্টা, ডুমুর, আখ, ড্রাগন, লটকন, সফেদা, আম, পেঁপে, ডাব, বেল, করমচা, আমলকী, লেবু, কাগজী লেবু, তরমুজ, কলম্বো লেবু, আমড়া, আনারস, তাল, চায়না সুগন্ধি লেবু, মাধবী পেয়ারা, জারা লেবু, হলুদ মাল্টা ও বারোমাসি কাঠাঁল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাসান মো. মোর্শেদ, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা তপন কান্তি দে, প্যানেল চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সৌমিত্র দে, গৌতম চৌধুরী, শিবু কান্তি নাথ, দূর্গাপদ দেব, ফরিদুল আলম, লক্ষ্মণ কুমার কারন, জয়নাল আবেদীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ