ইলিয়াছ কাঞ্চন ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন ছেলে জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াছ কাঞ্চন ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ সাত মাস ধরে অসুস্থ। বর্তমানে তিনি লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ইলিয়াছ কাঞ্চনের ছেলে মিরাজুল মইন জয়ের এর তথ্য অনুযায়ী বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিরাপদ সড়ক চাই চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিক আহমেদ সাজীব।

তিনি জানান, এ বছরের শুরুতে ইলিয়াস কাঞ্চন কথা বলায় সমস্যা ও স্মৃতিভ্রংশে ভুগছিলেন। পরে ধানমণ্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার মাথায় টিউমার ধরা পড়ে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারকে ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করলে তাকে লন্ডনে নেওয়া হয়। লন্ডনের হারলি স্ট্রিট ক্লিনিকে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ৫ আগস্ট ২০২৫ উইলিংটন হাসপাতালে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাকি অংশ রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হবে। এ চিকিৎসা ৬ সপ্তাহ চলবে এবং পরে আরো অন্তত ৪ সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

তিনি আরও জানান, ইলিয়াছ কাঞ্চনের ছেলে মিরাজুল মইন জয় তার বাবার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করে দেশবাসীর কাছে জানিয়েছেন, আমার বাবা ইলিয়াস কাঞ্চন ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত। লন্ডনে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, টিউমারটির অবস্থান জটিল হওয়ায় সম্পূর্ণ অপারেশন সম্ভব নয়। আংশিক অস্ত্রোপচারের পর রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি চলবে, আমার বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বহিষ্কৃত জামায়াত নেতা অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাদারগঞ্জে আল আকাবা বহুমুখী সমবায় সমিতির গ্রাহকদের প্রায় অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলার পলাতক আসামী আমির আবদুল ওয়াহেদকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪।জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার বহিষ্কৃত সাবেক উপজেলা জামায়াতের আমিরকে বুধবার ৫ আগস্ট দুপুরে র‍্যাব-১৪, জামালপুর সিপিসি-১ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছন।

র‍্যাব জানায়, গত ৪ মে মাদারগঞ্জ উপজেলার আল আকাবা বহুমুখী সমবায় সমিতির গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আবদুল ওয়াহেদের বিরুদ্ধে মাদারগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

আবু সাঈদের ছবি ছাড়া কোনো ডকুমেন্টারি পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না’-ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন- জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক যে প্রামাণ্যচিত্রের ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটিকে পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টারি বলা যায় না।আজ বুধবার ৫ আগস্ট রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রামাণ্যচিত্রটিতে বেশ কিছু ত্রুটি রয়েছে। প্রথম যে বিষয়টি আমার নজরে এসেছে, সেখানে আবু সাঈদের ছবি নেই। আবু সাঈদ এই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতীক। তাঁর ছবি না থাকলে এটি কোনো ডকুমেন্টারি হতে পারে না। খালেদা জিয়ার ছবিও সেখানে থাকা উচিত ছিল। বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এরপর আমাদের শান্ত থাকা উচিত ছিল। বিষয়টি পুষে রেখে সংসদের মতো ওয়াকআউট করা বাঞ্ছনীয় নয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ