আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে মাসব্যাপী ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে অক্টোবর মাসজুড়ে ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাস উদযাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যেমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এই সচেতনতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়েছে বেসরকারি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান সিএসসিআর ও স্নাতকোত্তর সার্জিকাল শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পিজিএস একাডেমিয়া। শোভাযাত্রাটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে যাত্রা শুরু করে জিইসি মোড়ের বিএমএ ভবনে শেষ হয়।

এতে অংশ নেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এমএ মালেক, দৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. ম. রমিজ উদ্দীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রব, সিএসসিআরের চেয়ারম্যান ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোরসেদুল করিম চৌধুরী, পিজিএস একাডেমিয়ার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. খন্দকার এ.কে আজাদ, দৈনিক প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. গোফরানুল হক, অধ্যাপক ডা. ইমরান বিন ইউনুস, অধ্যাপক ডা. এস.এম. তারেক, দৈনিক আজাদীর প্রধান বার্তা সম্পাদক হাসান আকবর, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আহমদ, ডা. একরামুল হক, অধ্যাপক ডা. সাজ্জাদ, মো. ইউসুফ, ডা. সাকেরা আহমেদ, ডা. নাজমা মাহবুব, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকতা-কর্মচারী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগের সদস্যবৃন্দ, সিএসসিআর এবং পিজিএস একাডেমিয়ার সদস্যবৃন্দ এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যবৃন্দ।
পরে দুপুর দেড়টায় বিনামূল্যে ব্রেস্ট ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও কনসালটেশন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সিএসসিআর’র কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সিএসসিআর’র চেয়ারম্যান ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বক্তব্য রাখেন সিএসসিআরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোরশেদুল করিম চৌধুরী।
সচেতনতা কার্যক্রমের আওতায় অক্টোবর মাসব্যাপী প্রতি শনিবার, সোমবার ও বুধবার বিকাল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত বিনামূল্যে ব্রেস্ট ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও কনসালটেশন কার্যক্রম চলবে। এই কার্যক্রমে নিবন্ধিত রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষাসমূহের শতকরা ৫০ ভাগ ছাড় দেওয়া হবে। নিবন্ধনের জন্য সিএসসিআরের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করতে হবে। স্ক্রিনিং কার্যক্রমের প্রথম দিনে আজ ১ অক্টোবর সর্বমোট ৩৫ জন রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। ডাঃ সায়রা বানু শিউলি’র নেতৃত্বে ৫ (পাঁচ) সদস্যের চিকিৎসক দল এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতার এই ধরনের উদ্যোগ ইতোপূর্বে গ্রহণ করা হয় নাই।তিনি বলেন, এ ধরনের সচেতনতা শুধুমাত্র নারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। পুরুষদেরও পূর্ণমাত্রায় নারীদের পাশে থেকে ব্রেস্ট ক্যান্সার রোধে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। সচেতনতা মাস উপলক্ষে মাসব্যাপী চট্টগ্রামে যে বিশাল কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে সেটা সারা দেশের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের আত্মহত্যা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের আত্মহনন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাসাত্মক গল্প ভাইরাল হয়েছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে, স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারার হতাশা থেকে ওই যুবক গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তার স্বজন এবং পুলিশের সঙ্গে কথা জানা গেছে ভিন্ন কথা।

শুক্রবার দুপুরে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ১টার দিকে কামাল উদ্দিন (৪০) নামের এক যুবক নিউমার্কেটের সামনে আনারসের দোকান থেকে ছুরি নিয়ে নিজে গলায় চালিয়ে দেয়।রক্তাক্ত অবস্থায় আমাদের টহলটিম স্থানীদের সহযোগিতা চমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচারে রক্ত প্রয়োজন হলে আমাদের সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম মাহমুদ স্যার রক্ত প্রদান করেন। কিন্তু রাতেই কামাল মারা যান।নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহে, তিনি চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

তিনি বলেন, ওই যুবকের স্ত্রী ইপিজেডে চাকরি করেন। ঘটনার সময় স্ত্রী কামালের সঙ্গেই ছিলেন না। এস এম রিদুয়ান নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাতে আনারসের দোকান থেকে কামাল যখন ছুরি নিয়ে নিজের গলায় চালান তখন তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশকে জানানো থেকে শুরু করে কামালের চিকিৎসা পর্যন্ত তিনি সঙ্গে ছিলেন।কামালের সঙ্গে কোনো নারী ছিল না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া গল্পটি মিথ্যা।

কামালের স্ত্রী তসলিমা আক্তার জানান, রাত ৮টার দিকে কামাল তার ভাগিনার কাছ থেকে হাত খরচের কিছু টাকা চায়। ভাগিনা তার মামাকে টাকা দিলে টাকা নিয়ে কামাল উধাও হয়ে যান। তাকে পতেঙ্গা এলাকায় আর দেখা যায়নি।ভোরে ফোন পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে কামালকে মৃত দেখতে পান।
কামালের ভাগিনা সামাদ বলেন, আমার মামা পেশায় রাজমিস্ত্রির হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মামা যখন আমার থেকে টাকা নিয়ে আসেন তখন মামি কারখানায় চাকরিতে ছিলেন। ঘটনার সঙ্গে মামির কোনো সম্পর্ক নেই। মামার চিকিৎসার জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। কিছুদিন ভালো থাকেন, তারপর আবার সমস্যা শুরু হয়।

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ