দামোদর মাসের মাহাত্ম্য **************************

সবুজ দেব নাথ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দামোদর মাস বা কার্তিক মাস সনাতন ধর্মালম্বীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাস। এই মাস ভগবান বিষ্ণুর মাস বলে খ্যাত। এই মাস ত্যাগের মাস হিসেবে ও পরিচিত।এই মাসে ভগবান বিষ্ণুর সেবা একগুণ করলে সহস্রগুণ ফল লাভ করা যায় । এই মাসে প্রত্যেক মন্দিরে বা তুলসী গাছের নীচে বিষ্ণুর প্রীতি লাভের জন্য দীপ দান করা হয়। এই পূণ্য মাস সম্পর্কে পদ্মপুরাণ,ভাগবতপুরাণ,স্কন্ধপুরাণ ও শ্রীহরিভক্তিবিলাস শাস্ত্রে অসংখ্য তথ্য বলা আছে। পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে,এই পূণ্য মাসে ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে কেউ যদি একটি প্রদীপ দান করে তবে, তার সমস্ত পাপ নাশ হবে এবং তার পুনর্জন্ম আর হবে না।

তিনি সংসারে অজেয় ও অক্ষয়কীর্তি স্থাপন করবেন। নিরন্তন প্রদীপ জ্বালানো উচিত। প্রদীপটি মাটির হলে উওম হয়। প্রদীপটি জ্বালাতে সলিতা ও ঘি, তিলের তেল বা কর্পূর ব্যবহার করা হয়।কৃত্রিম ঘি ব্যবহার করবেন না।প্রদীপের আলোতে যেমন, চারদিক আলোকিত হয়ে সমস্ত অন্ধকার দূর করে;তেমনি ভক্তি ও জ্ঞান দ্বারা সকলের পাপ দূরীভূত হয়। অর্থাত্,প্রদীপের আলোর শিখা যত উজ্জ্বল হতে থাকবে,ততই তার পাপ ক্ষয় হতে থাকবে। স্কন্ধ পুরাণে বলা হয়েছে,এই মাসে যে প্রদীপ দান না করে তারা ব্রহ্মঘাতী,গোঘাতী,স্বর্ণ অপহারী ও সদা মিথ্যাবাদী। দামোদর মাসে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ তার মাতৃ স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ হন। পৌরাণিক কাহিনী মতে, কলিপ্রিয়া তার স্বামীকে বধ করেছিল এবং তার ভুল বুঝতে পেরে সে নিজের পাপের প্রায়শ্চিত্তের জন্য এই দীপ দান করেন। এই পবিত্র মাসে দীপ দানের জন্য তিনি দেহান্তে বিষ্ণুলোক প্রাপ্তহন। আবার,এক স্ত্রী ইঁদুর প্রদীপের তেল খেতে এসে নিজের অজান্তেই প্রদীপের সলিতাকে উস্কে দেয় বা জ্বলতে সাহায্য করে;আর যার ফলশ্রুতিতে দেহান্তের পর সে ও বৈকুন্ঠলোক প্রাপ্ত হোন।পূজা দেয়ার সময় ভগবান বিষ্ণুর চিত্রপট বা বিগ্রহের চরণে চার বার,নাভি কমলে দুই বার,মুখমন্ডলে তিনবার ও সর্বাঙ্গে সাত বার (ডানদিক থেকে আরম্ভ করে) প্রদীপ প্রদক্ষিণ করাতে হয়। দামোদর মাসে সম্পূর্ণ ভক্তি ,বিশ্বাস ও প্রেম দ্বারা ভগবান বিষ্ণুর পূজা করলে দেহান্তে বৈকুন্ঠ লাভ বা মুক্তি লাভ হয়। তাই, আপনারা অন্তত পক্ষে একটি প্রদীপ ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে অর্পণ করুন।

(দামোদর মাস) মাশকলাই,বেগুন, বরবটি,শিম বর্জন। দমোদর মাসের ব্রতপালন করুন ভগবান দামোদরের বিশেষ কৃপা লাভ করে আপনার জীবনকে ধন্য করুন।

স্কন্দপুরাণে ব্রহ্মা-নারদ সংবাদে বলা হয়েছে :-
হে মুনিবর! যে মানব কার্তিক ব্রত না করে, সে ব্রহ্মঘাতী,গোঘাতী,স্বর্ণচোর,ও সর্বদা মিথ্যাবাদী।
হে বিপেন্দ্র! বহু পূজা করে এবং শতবার শ্রাদ্ধ করেও কার্তিকে ব্রত না করার ফলে স্বর্গ প্রাপ্ত হয় না।
কার্তিকে ব্রত না করলে যে উৎকৃষ্ট দান,সুমহান তপস্যা ও জপ সকলই বিফল হয়।
হে নারদ! কার্তিক মাসে উত্তম বৈষ্ণব ব্রত না করলে সপ্ত জন্মার্জিত পুণ্য বৃথা হয়।
দামোদর_ব্রতের_মাহাত্ম্য স্কন্দ ও পদ্মপুরাণে দামোদর ব্রতের মাহাত্ম্য প্রসঙ্গে বলা হয়েছে :-
সর্বতীর্থে যে স্নান,সর্বদানের যে ফল,কার্তিক মাসের কোটি অংশের একাংশেরও সমান হয় না।
কার্তিকের সমান মাস নাই, সত্যযুগের সমান যুগ না,বেদের সমান শাস্ত্র নাই,গঙ্গার সমান তীর্থ নাই।
যে মানব কার্তিকে শ্রীবিষ্ণু মন্দির প্রদক্ষিণ করে সে পদে পদে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফলভাগী হয়।
যে মানব কার্তিকে শ্রীহরির সম্মুখে নৃত্য,গীত,বাদ্য,ভক্তিসহ করে,সে অক্ষয়পদ বিষ্ণুধাম প্রাপ্ত হয়।
হে মুনিবর! কার্তিকে যিনি হরিকথা শ্রবণ করেন,তিনি শতকোটি জন্মের আপদসমূহ থেকে নিস্তার পান।
কার্তিকে নিমেষার্দ্ধকাল দীপদান ফলে সহস্রকোটিকল্প অর্জিত বহু পাপ বিলুপ্ত হয়।
মেরু ও মন্দর পর্বত সদৃশ অশেষ পাপ করলেও কার্তিকে দীপদান প্রভাবে সর্বপাপ দগ্ধ হয় –এতে সন্দেহ নাই।

এছাড়া আরো অনেক মাহাত্ম্য পুরাণে বর্নিত আছে:-
বন্ধুদের অনুরোধ করব,আপনারা দামোদর ব্রত পালন করুন এবং মানব জীবন ধন্য করুন। এই মাসে বেশি করে হরিনাম জপ করুন এবং প্রতিদিন।
দামোদর মাসে দীপ দানের মাহাত্ম্য

একবার এক ইঁদুর দামোদর মাসের একাদশী তিথিতে এক ভক্তের শ্রী ভগবানের সম্মুখে প্রজ্বলিত করা প্রদীপের ঘি খাওয়ার জন্য তার জিহ্বা দ্বারা প্রদীপের ভিতর নাড়াচাড়া করছিল। এর ফলে প্রদীপের আলো টি আরো প্রজ্বলিত হয়, এবং ভগবান দামোদর অত্যন্ত প্রীত হন!!!
সেই ইঁদুরটি ভগবদ্ধাম প্রাপ্ত হয়!!!
হরিভক্তিবিলাস (১৬/১২৬/১২৮) “যাঁরা অন্যর দানকৃত প্রদীপের ক্ষীণ আলো প্রজ্বলিত করেন অর্থ্যাৎ আলো বাড়িয়ে দেন, তাঁর প্রতি ভগবান অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন।
স্কন্দপুরাণে বলা হয়েছে,”কেউ যদি এই দামোদর মাসে ভগবানের উদ্যেশ্য দীপদান করেন তিনি যদি নিমেষের অর্ধেক সময়েরও অর্থ্যাৎ চোখের পলক ফেলতে যতটুকু সময় লাগে, সেই সময়ের অর্ধেক সময়েরও যদি তিনি দীপদান করেন , তাহলে তাঁর সহস্র কোটি কল্পের পাপ বিদূরিত হয়ে যায়।
এই মাসে দীপ দান করলে সর্ব যজ্ঞের এবং সর্ব তীর্থের ফল লাভ হয়।
পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে,”কেউ যদি ভগবানকে নিবেদনকৃত প্রসাদী প্রদীপ তাঁর পূর্বপুরুষের উদ্যেশ্য দান করেন, তাহলে সেই পূর্বপুরুষেরা পবিত্রতা এবং শান্তি লাভ করেন।
এছাড়া এই মাসে এক বিশেষ কৃপা রয়েছে।
ভগবানের মন্দির আলো দ্বারা সজ্জিত করলে, সেই ব্যক্তি ভগবদ্ধাম তো প্রাপ্ত হন ই, তিনি যখন ভগবদ্ধামে প্রবেশ করবেন তখন দেবতারা প্রদীপ হাতে সেই মহাত্মাকে বরণ করবেন।
তো, প্রদীপ দান করুন শ্রী দামোদর কে এবং অশেষ কৃপা লাভ করুন।
জয় শ্রী দামোদর

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) ভূজপুর ইউনিয়ন সংসদের অভিষেক সম্পন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সত্যনিষ্ঠ আদর্শ মানব জীবন গঠনে গীতা শিক্ষার বিকল্প নেই। আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)’র গীতা ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মন্দির ভিত্তিক বিবাহ, ধর্মান্তরন রোধ, বাল্য বিবাহ, অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের মোবাইল ব্যবহার ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরছে কিনা সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে সকল অভিভাবকের দ্বায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার ভূজপুর কেন্দ্রীয় সার্বজনীন শ্রীশ্রী হরি, দূর্গা, কালী ও গীতা মন্দিরে বাগীশিক ভূজপুর ইউনিয়ন সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
সংগঠনের সভাপতি অসিম মহাজন’র সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক রাজিব বনিক’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোধন করেন শ্রী রনজিৎ পাল। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে আশীর্বাণী প্রদান করেন শ্রীমৎ সিদ্ধ রসিক ব্রহ্মচারী ও শ্রীমৎ উজ্জ্বল ব্রহ্মচারী। প্রধান অতিথি ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রাজীব বিশ্বাস। প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক লায়ন বাসু চৌধুরী। মহান অতিথি ছিলেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এইচ এম শাহজাহান চৌধুরী (শিপন) ৪নং ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদ। আলোকিত অতিথি ছিলেন এড. উত্তম কুমার মহাজন, আয়কর উপদেষ্টা টিটু কুমার দে, লিংকন চক্রবর্তী, রাসকিন চৌধুরী, প্রিয়াশীষ চক্রবর্তী।

শপথ বাক্য পাঠ করেন বাগীশিক ফটিকছড়ি উপজেলা সংসদের সভাপতি মাষ্টার মানস চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাষ্টার সন্তোষ কুমার শীল, রনজিৎ কুমার শীল, এড. জনি কান্তি দে, আদিত্য দাশ সৈকত, রাসেল দে, আকাশ চৌধুরী নান্টু, বিজয় মজুমদার, সুভাষ দেব, মাষ্টার দেবাশীষ দেব। বক্তব্য রাখেন টিটু মহাজন, প্রবীর আচার্য্য, সুজন কান্তি দে, ছোটন শীল, রুপসী বনিক অন্তরা, মুন্নী দেবী প্রমূখ। এতে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন সংসদ, ভূজপুর পূজা উদযাপন পরিষদ, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ’র নেতৃবৃন্দ।

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত ফটিকছড়ি খ জোনের সাংগঠনিক সংলাপ অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দীয় পর্ষদ ঘোষিত সাংগঠনিক সংলাপের অংশ হিসাবে ফটিকছড়ি উপজেলা (খ) জোনের আওতাধীন শাখা কমিটি সমূহের সাথে বারৈয়ারহাটস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। (খ) জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাহাবুবুল আলম সওদাগর এর সভাপতিত্বে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দীয় পর্ষদ এর সভাপতি রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী।

এতে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি সৈয়দ ফরিদ উদ্দীন, সাধারন সম্পাদক দিদারুল আলম, কেন্দীয় সদস্য শেখ মজিবুর রহমান, শাহেদ আলী চৌধুরী, সামসুল আলম, কাজী নেজামুল ইসলাম, এস,এম,মোরশেদুল আমিন, জয়নাল আবেদীন জুলু, কাজী হারেছ, আবুল হাসেম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন (খ) জোনের সমন্বয়কারী আহমদ হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন মাস্টার নাসির উদ্দীন, আখতারুজ্জামান বাবর, মাস্টার আজিম উদ্দীন, আলমগীর আলম, মাস্টার দিদারুল আলম, আলাউদ্দিন, নুরুল হুদা প্রমূখ।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ