আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

ট্রেন ছেড়ে গেল সময়ের আগেই,দ্রুত নামতে গিয়ে হাত কাটা পড়লো যাত্রীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ট্রেন ছেড়ে গেল সময়ের আগেই, দ্রুত নামতে গিয়ে হাত কাটা পড়লো যাত্রী সুফিয়ার।ট্রেন থেকে তখনো যাত্রীদের ওঠানামা শেষ হয়নি।এরই মধ্যে ট্রেন টি চলতে শুরু করে। এতে তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে সুফিয়া বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধূ পড়ে গেলে ট্রেনে তার হাত কাটা পড়ে। এ ঘটনায় যাত্রীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আজ শুক্রবার(৩ অক্টোবর) সকাল প্রায় ১০ টার দিকে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল ব্রিজ রেলস্টেশনে ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সুফিয়া বেগম পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার বেড়হাউলিয়া গ্রামের সেনা সদস্য মাসুদ রানার স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, প্রায় ৩০ মিনিট দেরিতে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেন বড়াল ব্রিজ স্টেশনে পৌঁছায়। স্টেশনে দুই থেকে তিন মিনিট ট্রেনের বিরতি দেওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু এদিন ট্রেনটি নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা না করে দ্রুত রওনা দেয়। এ কারণে ট্রেন থেকে যাত্রীরা তাড়াহুড়া করে নামতে চেষ্টা করে। এ সময় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে সুফিয়া বেগম ট্রেনের নিচে পড়ে যায়। তবে সৌভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে গেলেও তার হাত কাটা পড়ে ট্রেনের চাকায়।এরপর স্টেশনের লোকজন দ্রুত ওই নারীকে উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা তাকে অন্যত্র চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্টেশনে নির্দিষ্ট সময় ট্রেন বিরতি দেয়নি। এতে তড়িঘড়ি করে ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার কারণে যাত্রীরা তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন ওই নারী। এ বিষয়ে স্টেশনমাস্টার আল-মামুন কে অভিযোগ করা হলে তিনি ঊর্ধ্বতন দপ্তরে বিষয়টি অবহিত করেন।

 স্টেশনমাস্টার আল-মামুন বলেন, ‘স্টেশনে সিগন্যাল নেই। তাই ট্রেনের চালক ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের নিজ দায়িত্বে ট্রেন বিরতির পরে রওনা দিতে হয়। আমি টিকিট বিক্রি করাতে ব্যস্ত ছিলাম। তাই ট্রেনের বিরতির সময়ের বিষয় জানা নেই। তবে ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার পরে নামতে গিয়ে ওই নারীর হাত কাটা পড়েছে।’

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ