আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

চোখ’ আমাদের সমগ্র বিশ্বের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় – দৃষ্টি দিবসের র‌্যালী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘লাভ ইউর আইস’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (সিইআইটিসি) ‘বিশ্ব দৃষ্টি দিবস-২০২৫’ উদ্যাপিত হয়েছে। অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং চোখের সমস্যা সম্পর্কে সাধারণের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে ২০০০ সাল থেকে প্রতিবছর অক্টোবরে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া আটটায় সিইআইটিসি চত্ত্বরে আয়োজিত র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান ওসমানী, ডা. এ.এস.এম মাহাবুবুল আলম, ডা. ফারজানা আক্তার চৌধুরী, ডা. সুজিত কুমার বিশ্বাস, ডা. কাজী তাহমিনা আক্তার, ডা. সুইটি বড়ুয়া, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ডা. সালমা আকবর, ডা. আনিকা, ডা. অপরাজিতা রায়হান, ডা. সূবর্ণা সুলতানা, ডা. ফ্লোরা নাসরিন, ডা. তারিন, ডা. জোবায়াদা নুরসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, অপটোমেট্রি, প্যারামেডিক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

র‌্যালী শেষে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান ওসমানী বলেন, সংবেদনশীল অঙ্গগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ চোখ। চোখকে ভালোবাসতে হবে। আমাদের সমগ্র বিশ্বের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া চোখের সামান্য সমস্যাও শুধু দৃষ্টিশক্তিকে দুর্বল করে না, অনেক সময় অন্ধত্বেরও কারণ হতে পারে। খাদ্য, শারীরিক পরিচ্ছন্নতা এবং ব্যায়ামও দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী এবং চোখ সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ সময় ডা. সুজিত কুমার বিশ্বাস চোখে কোনও ধরনের সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয় বলে জানান। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে আগত রোগীদের মাঝে চোখের যত্ন নেওয়ার জন্য গণসচেতনতা তৈরি, চক্ষু রোগ নির্মূলে প্রভাবিত করা, চোখের যত্ন নেওয়ার তথ্য জানানো হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ