আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

মহাকাশ গবেষণায়-পাবনা ভাঙ্গুড়ার কৃতিসন্তান মোঃ জয়নুল আবেদীন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা প্রতিনিধিঃ মানুষের জ্ঞানপিপাসা সীমাহীন।সেই জানার তৃষ্ণাই মানুষকে ছুটিয়ে নিয়ে যায় পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে,ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষকে একসাথে বসিয়ে শেখায় নতুন কিছু জানার জিজ্ঞাসা,আনন্দ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তনের যুগে মহাকাশ গবেষণা এবং স্যাটেলাইট প্রযুক্তি আজ বিশ্বের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। আর সেই অগ্রযাত্রায় নির্বাচিত হওয়া নিঃসন্দেহে এক বিরল সৌভাগ্য, এক অনন্য অর্জন।

জাতিসংঘ অনুমোদিত Centre for Space Science and Technology Education in Asia and the Pacific (CSSTEAP)–এর মর্যাদাপূর্ণ Post Graduate Course on “Satellite Meteorology and Global Climate”–এ উচ্চতর ডিগ্রি ও প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন আমাদের পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার গর্ব, কৃতি সন্তান মোঃ জয়নুল আবেদীন, পিতা মোঃ শাজাহান আলী, গ্রাম কলকতি, থানা ভাঙ্গুড়া, জেলা পাবনা।এ অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়-বরং বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার মাইলফলক।

আমরা তার এই অসাধারণ সাফল্যে গর্বিত,আনন্দিত এবং আশাবাদী।স্যাটেলাইট প্রযুক্তি কী ও কেন গুরুত্বপূর্ণ“উপগ্রহ” শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Satellite—অর্থাৎ উপগ্রহ প্রযুক্তি এবং স্যাটেলাইট প্রযুক্তি একই বিষয়।

স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এমন এক বিস্ময়কর উদ্ভাবন যার মাধ্যমে যোগাযোগ, পরিবহন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং মহাকাশ থেকে তথ্য প্রেরণ-সবই সম্ভব হচ্ছে।

আজ আধুনিক স্যাটেলাইট প্রযুক্তি আমাদের জলবায়ু, সম্পদ ও বৈশ্বিক ঘটনাবলীর রিয়েল-টাইম তথ্য দিচ্ছে, ফলে পৃথিবী হয়ে উঠছে আরও সংযুক্ত, নিরাপদ ও বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ (smart)।

এটি কেবল নিরাপত্তা বা তথ্য বিনিময়ের জন্য নয়—বরং পৃথিবীর পরিবর্তিত জলবায়ু ব্যবস্থাকে বুঝতে, ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করতে এবং মানবজীবনকে টেকসই করতে এক অপরিহার্য হাতিয়ার।চিকিৎসা ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির অবদানস্যাটেলাইট প্রযুক্তি এখন চিকিৎসাক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দিয়েছে।

টেলিমেডিসিন ব্যবস্থার মাধ্যমে ডাক্তাররা এখন দূরবর্তী বা প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন, অনলাইনে চিকিৎসা পরামর্শ দিতে পারেন, এমনকি জরুরি মুহূর্তে তাৎক্ষণিক নির্দেশনাও দিতে পারেন।

উপগ্রহের মাধ্যমে জলবায়ু ও পরিবেশগত পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে ম্যালেরিয়া, কলেরা বা অন্যান্য সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় স্যাটেলাইট যোগাযোগ হাসপাতাল, উদ্ধার দল ও সহায়তা সংস্থাগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত রাখে-ফলে দ্রুত চিকিৎসা সেবা পৌঁছানো যায়।

অর্থাৎ, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি আজ জীবন বাঁচানোর এক নিরব বিপ্লব।জাতীয় নিরাপত্তায় স্যাটেলাইটের ভূমিকা-
যুদ্ধক্ষেত্রেও স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ভূমিকা অপরিসীম। এটি সামরিক বাহিনীকে রিয়েল-টাইম যোগাযোগ, নেভিগেশন ও নজরদারি সুবিধা দেয়।

রিকনাইসেন্স স্যাটেলাইটের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের অবস্থানের উচ্চ-রেজোলিউশনের ছবি পাওয়া যায়,জিপিএস স্যাটেলাইটের মাধ্যমে অস্ত্র ও সৈন্যদের নিখুঁতভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়।

উপগ্রহভিত্তিক প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করতে পারে, মহাকাশ থেকে দ্বন্দ্বপূর্ণ অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করে জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করে।
এইভাবে, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি আজ স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও শান্তির রক্ষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেবাংলাদেশের গর্ব,ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা-

আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণার অঙ্গনে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির উপর উচ্চতর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে মোঃ জয়নুল আবেদীন শুধু নিজের নয়, বাংলাদেশেরও মর্যাদা বৃদ্ধি করছেন।আমরা বিশ্বাস করি-তার এই পথচলা আরও বহু তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীকে অনুপ্রাণিত করবে, যারা একদিন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে বিশ্বের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।

মোঃ জয়নুল আবেদীন এর এই সাফল্য হোক বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রার এক উজ্জ্বল অধ্যায়।
তিনি যেন বাংলাদেশের জন্য আরও সম্মান, আরও সাফল্য বয়ে আনেন -এই প্রত্যাশা ও আন্তরিক প্রার্থনা রইলো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ