আজঃ মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে তিন সাংবাদিকের শোক সভা সত্য লেখার চর্চা হারিয়ে যাচ্ছে সাংবাদিকতায়

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দি পিপলস ভিউ পত্রিকার সম্পাদক ও কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সেক্রেটারি জেনারেল ওসমান গণি মনসুর বলেছেন,‘সাংবাদিকের দায়িত্ব হলো সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলা, সেই চর্চা এখন অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। লেখনির মধ্য দিয়ে সত্যকে ধারণ করতে না পারলে সাংবাদিকতা অর্থহীন হয়ে পড়ে।

শনিবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত প্রয়াত সাংবাদিক মো. মাহবুব উল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবের আহমেদ আসগারী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নিজাম উদ্দিন আহমদের দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভায় অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
ওসমান গণি মনসুর বলেন, একসময় কিছু গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে প্রেস ক্লাবটিকে কুক্ষিগত করে রেখেছিল। সেটি কোনো সভ্য সমাজে কাম্য নয়। গত কয়েক বছরে আমরা এমন এক সময় দেখেছি, যখন সাংবাদিকরা হয়ে পড়েছিলেন উপহাসের পাত্র।

তিনি আরও বলেন, ষাটের দশকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব উদ্বোধন করেছিলেন ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান। পরবর্তীতে সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও এখানে আসার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু বিভিন্ন কারণে আসা হয়নি। এর আগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এখানে এসেছিলেন, আমি তখন তাঁর ছবি তুলেছিলাম। ছবি তুলতে গেলে জিয়াউর রহমান সাহেব বলেছিলেন, ‘খাওয়ার ছবি নয়, কাজের ছবি তোলো।- এই বাক্যটাই আমাকে সারাজীবন অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
সভায় বক্তারা বলেন, আসগারী ভাই একজন বীর মুক্তিযোদ্বা ছিলেন।

তিনি জ্ঞান ও প্রজ্ঞাবান সাংবাদিক ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি বই লিখেছিলেন, তিনি তাঁর সুহৃদ বন্ধুদের বলে গিয়েছিলেন বইটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশ করার জন্য। তাঁর পরিবারের প্রতি আহ্বান জানাই, বইটি প্রকাশ করার উদ্যোগ নিলে প্রেস ক্লাব এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবে। প্রয়াত এই তিন সাংবাদিক চট্টগ্রাম ও দেশের সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে স্বমহিমায় উজ্জ্বল ছিলেন। তাঁরা সমাজ ও রাস্ট্রের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকতা করেছিলেন। তাঁরা সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিক ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সাবের আহমেদ আসগারী তখন চট্টগ্রাম ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২৬ মার্চ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, সেই ঘোষণাপত্রের খসড়া লেখার দায়িত্বে ছিলেন আসগারী। পরে এ কে খান সাহেব ও এম এ হান্নান সাহেব সেই খসড়াটি সংশোধন করেন। এর আগে, প্রয়াত সাংবাদিক মো. মাহবুব উল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবের আহমেদ আসগারী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নিজাম উদ্দিন আহমদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন শাহ আনিছ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জামাল উদ্দিন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি এবং সঞ্চালনা করেন গোলাম মওলা মুরাদ। স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন মুস্তফা নঈম, মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, শাহনেওয়াজ রিটন, মাহবুবুল মওলা রিপন, ফারুক মুনির, হাসান মুকুল, সোহাগ কুমার বিশ্বাস, মাহবুবুর রহমান, মুহাম্মদ আজাদ, কামরুল হুদা ও জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ