আজঃ সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

বাচ্চাকে টাইফয়েড টিকা দেবেন কি দেবেন না সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন?

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গত কয়েকদিনে পরিচিত অপরিচিত অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন গ্রুপে প্রশ্ন করে যাচ্ছেন বাচ্চাকে টাইফয়েড এর টিকা দেবেন কি দেবেন না। ১২ ই অক্টোবর ২০২৫ হতে দেশব্যাপী শুরু হওয়া টাইফয়েড ক্যাম্পেইন এর ব্যাপার এ ছড়িয়ে পড়া নানা গুজব যাচাই বাছাই না করেই শেয়ার দিচ্ছেন অনেকেই। তাদের মধ্যে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যাও নিতান্ত কম নয়। এতে সমস্যা যা হচ্ছে সাধারণ মানুষের। আমাদের দেশের অর্থনীতি এমন যে এক শ্রেণি পেশার মানুষ এর জন্য টাকা কোন সমস্যা নয়। তারা সরকারি জিনিসে বিশ্বাস করেন না।সরকারি যে কোন কিছুতেই তারা ভরসা পান না। আবার বেশিরভাগ মানুষ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস ফেলেন। সরকারিতে যদি সব মানসম্পন্ন আর ভালো জিনিস পাওয়া যেতো সেই আশায় তারা বুক বাঁধে। গুজব ছড়ালে এই শ্রেণির মানুষ খুব ক্ষতিগ্রস্ত হন।তারা ভালো উদ্যোগ হতে বঞ্চিত হন।

বাংলাদেশ সারা বিশ্বে টিকা প্রদান কর্মসূচিতে মডেল হিসেবে বিবেচিত হয়। হাসপাতালের ডিজিজ বার্ডেন কমানোর জন্য সরকার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে। টিকাদান রোগ প্রতিরোধ এর অন্যতম একটা উপায়। শুধুমাত্র জনচেতনতা বা খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব নয়।বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক টিকা প্রদানের মাধ্যমে রোগ নির্মূলের বহু ইতিহাস আছে। প্রমাণ হিসেবে স্মল পক্স, পোলিও নির্মূলের ইতিহাস পড়ে দেখতে পারেন। তাছাড়া কোন রোগের টিকা বিনামূল্যে প্রদান করতে হলে সরকারকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ভর্তূকি দিতে হয়। সরকার যে কোন টিকা কেনার আগে চাহিদা নিরূপণ, প্রয়োজনীয়তা, রিস্ক বেনিফিট রেশিও সহ অনেক কিছু হিসাব করে যে কোন টিকা প্রদানের পজিটিভ নেগেটিভ দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

এবার আসি টাইফয়েড এর কথায়। বিশ্বব্যাপী, টাইফয়েড একটি উল্লেখযোগ্য জনস্বাস্থ্য হুমকি, যা সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় এবং দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে ছড়ায় ।গ্লোবাল ডিজিজ বার্ডেন অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২০২১ সালে প্রায় ৪,৭৮,০০০ মানুষ টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছিল এবং এর ফলে ৮,০০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যার মধ্যে প্রায় ৬৮% ছিল শিশু।  দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়ার মতো অঞ্চলে টাইফয়েড জ্বরের প্রবণতা রয়েছে । এ কারণেই পার্শ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়ায় টাইফয়েড টিকা নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাকিস্তান আর নেপালে ক্যাম্পেইন করে দেয়া হয়েছে এই টিকা। অন্যান্য উন্নত দেশে এই ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্তের হার প্রায় শূন্যের কোঠায় বলে সেখানে এই টিকার প্রয়োজনীয়তা নাই।ঠিক যেমন মার্স কো ভি এর মতো রোগের টিকা আমাদের দেশে প্রয়োজন নাই।

টাইফয়েডের জটিলতা এত বেশি যে বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যেককে সম্ভব হলে এই টিকা দিতো সরকার। কিন্তু বাজেটের সীমাবদ্ধতায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করে এক ডোজ টাইফয়েড এর টিকা অন্তত নিশ্চিত করেছে সরকার। এই টিকাও কিন্তু ৫ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দিবে।এরপর আরও সুরক্ষার জন্য বুস্টার ডোজ দিতে চাইলে কিনে মারতে হবে টিকাটি।সরকার আর সাপোর্ট দিতে পারবে না পরবর্তীতে।বর্তমান ক্যাম্পেইনে ৯ মাস হতে ১৫ বছর বয়সী বাচ্চাদের টিকা দেয়া হচ্ছে। ১৩ ই নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলবে।এরপর সামনের বছর হতে শুধুমাত্র ৯ মাস বয়সী শিশুদের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে বিনামূল্যে এ টিকাটি প্রদান করা হবে। আপনি চাইলেও সরকার আপনাকে বিনামূল্যে এ টিকাটি আর দেবে না।

তাছাড়া বাজারে পাওয়া টাইফয়েড টিকাগুলো পলিস্যাকারাইড ভ্যাকসিন যা তিন বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়। সরকার যে টিকাগুলো কিনেছে সেগুলো কনজুগেট ভ্যাকসিন এবং এগুলো ৫ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে পারে। টিকাগুলো কোনভাবেই সরকার বিনামূল্যে পায়নি বা এগুলো কোন ট্রায়াল টিকা নয়। অনলাইনে আইসিডিডিআরবির গবেষণার উল্লেখ করে যে প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মিথ্যা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য আমরা গুজব খাই বেশি।যাচাই বাছাই করতে আমাদের মন চায় না। অনেক শিক্ষিত মানুষও যাচাই বাছাই না করে টাইফয়েড এর টিকার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে।
তারা চিন্তাও করতে পারছেন না কতজনের ক্ষতি করছেন তারা। আপনাদের প্রতি অনুরোধ দয়া করে একটু পড়াশোনা করুন। নিজের বিবেককে কাজে লাগান। আমাদের দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষগুলো খুব অবহেলিত। তাদেরকে কনফিউজড করবেন না। তাদের বাচ্চাদের সুরক্ষিত করতে দিন।

শুধুমাত্র পূর্বে টিকা দিয়ে এলার্জির ইতিহাস থাকলে, টিকা গ্রহণ এর দিন জ্বর থাকলে বা গর্ভবতী হলে টাইফয়েড টিকা দেয়া যাবে না। কোন প্রশ্ন থাকলে সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা হাসপাতালে যেখানে টিকা দেয়া হচ্ছে সেখানে ডাক্তার এর পরামর্শ নিন। টাইফয়েড ক্যাম্পেইন একটি সুযোগ আপনার বাচ্চাকে বিনামূল্যে টাইফয়েড এর বিরুদ্ধে সুরক্ষিত করার।এ সুযোগ হেলায় হারাবেন না।ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি
এমবিবিএস, এম এস সি( এপ্লায়েড এপিডেমিওলজি), অ্যাডভান্সড ফেলো ইন ফিল্ড এপিডেমিওলজি ( ইউ এস-সিডিসি),জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম ),
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে পহেলা বৈশাখ ঘিরে উপজেলা প্রশাসনের বর্ণিল আয়োজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ কে স্বাগত জানাতে উন্মুখ পুরো দেশ। সারাদেশের মতো বাঙালির এ প্রাণের উৎসবে মেতে ওঠার ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে।

উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নানা আয়োজন নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আজ চৈত্র সংক্রান্তি। আগামী মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন। পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের আয়োজন নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন সাহিত্য-সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী ব্যস্ত সময় পার করছেন।

প্রতি বছরের ন্যায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সকাল ৯টায় বৈশাখী শোভাযাত্রা, রশি টানা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৯টায় কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে নববর্ষের আনন্দ শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া সম্মিলিত বর্ষবরণ উদ্যাপন পরিষদের উদ্যোগে উপজেলার দাশের দীঘির পাড়ে সকাল ৯টা থেকে সংগীতানুষ্ঠান, বলিখেলা, কাওয়ালী গানের আসর, গীতা আলেখ্য ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানস্থল, মঞ্চ ও আশপাশের এলাকা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা এখন উৎসবমুখর হয়ে উঠবে।

বাংলা বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতি, আনন্দ ও আত্মপরিচয়ের এক উজ্জ্বল প্রতীক। পুরোনোকে পেছনে ফেলে নতুনকে বরণ করার এ দিনটি যুগে যুগে বাঙালির জীবনে নিয়ে এসেছে নতুন আশার বার্তা। প্রকৃতির রঙে রঙিন এই সময়টাতে শহর থেকে গ্রাম, দেশ থেকে প্রবাস সবখানেই এক অনন্য উৎসবমুখর আবহ তৈরি হয়। লাল-সাদা পোশাক, পান্তা-ইলিশ, মঙ্গল শোভাযাত্রাসব মিলিয়ে বৈশাখ হয়ে ওঠবে এক মহামিলনমেলায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, “বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্যের অংশ বাংলা নববর্ষ বরণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে। এখন অপেক্ষা প্রাণের এ উৎসবে মেতে ওঠার।”

এলপিজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এল তিন জাহাজ, পথে আরও দুইটি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এলপিজি (তরল পেট্টোলিয়াম গ্যাস) বোঝাই তিনটি জাহাজ পৌঁছেছে। একইসঙ্গে আরও অন্তত দুইটি গ্যাসবাহী জাহাজ আসার কথা রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘ডিএল লিলি’।
এছাড়া ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস ক্যারেজ’। জাহাজ দুইটি বহির্নোঙরের চার্লি ও ব্রাভোতে অবস্থান করছে। এছাড়া রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি (তরল প্রাকৃতিক গ্যাস) নিয়ে ‘কংটং’ নামে আরো একটি জাহাজ এসেছে। সোমবার মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে আসবে ‘পল’।

১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে দেশে ঢুকবে ‘মারান গ্যাস হাইড্রা’। ১৮ এপ্রিল আসবে এলএনজিবাহী ‘লবিটো’।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব কাটাতে বিভিন্ন দেশ থেকে তেল-গ্যাস আমদানি করছে সরকার।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ