কবি রিপন শানকে নিয়ে শব্দকুঠি সাহিত্য অঙ্গনের ৭৭ তম আসর আগামি ৩১ অক্টোবর ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


“জীবনের জন্য কবিতা” শ্লোগানের ধারক-বাহক সংগঠন শব্দকুঠি সাহিত্য অঙ্গনের ৭৭ তম আড্ডার মধ্যমণি (সভাকবি) নির্বাচিত হয়েছেন- নদীর বুকে জীবন জ্বলে, ফিনিক্স পাখির উড়াল, রত্নখচিত কুয়াশা গ্রন্থের লেখক কবি রিপন শান । সমকালীন শিল্প-সাহিত্যের বহুমাত্রিক প্রতিভাবান বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান, প্রভাষক, সাংবাদিক, নদীমাতৃক এই কবিকে নিয়ে আগামি ৩১ অক্টোবর ২০২৫, সন্ধ্যায় রাজধানীর পরিবাগে অবস্থিত সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে শব্দকুঠির নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য সভা ।

শব্দকুঠি সাহিত্য অঙ্গনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক কবি রোকসানা রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সাহিত্য সভায় সভাপতিত্ব করবেন- শব্দকুঠির সভাপতি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক তারুণ্যের কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন । গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন- সাংবাদিক কবি আশফাকুজ্জামান । অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন – কবি রোকেয়া ইসলাম, কবি তাহমিনা কোরাইশী, কথাসাহিত্যিক কালাম ফয়েজী, ডক্টর মিজান রহমান , মাকসুদ তালুকদার, কবি ব্যারিস্টার সাদিয়া আরমান, কলামিস্ট মোমিন মেহেদী, সাংবাদিক সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি প্রমুখ। কবিতা ও গল্পপাঠে অংশ নেবেন শব্দকুঠি সাহিত্য আড্ডার নিয়মিত লেখকগণ ।

কবি রিপন শান ঢাকা ও ভোলা থেকে একযোগে প্রকাশিত স্বতন্ত্রধারার সংবাদপত্র দৈনিক অমৃতালোক এর ফিচার এডিটর । জাতীয় দৈনিক মাতৃজগতের সহব্যবস্হাপনা সম্পাদক । জনপ্রিয় ম্যাগাজিন মুক্তবুলির প্রধান সম্পাদক । ১৯৯৮ সালে বরেণ্য অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী সম্পাদিত পাক্ষিক নটনন্দন দিয়ে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করা বহুমাত্রিক লেখক সংগঠক রিপন শান বিভিন্ন সময়ে যুক্ত ছিলেন- সাপ্তাহিক বর্তমান সংলাপ, সাপ্তাহিক খবরের কাগজ (আজকের কাগজ), সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ, দৈনিক খবরপত্র, বাংলারিপোর্ট২৪, বজ্রকণ্ঠ, দৈনিক দেশজনপদ, দৈনিক বাংলাদেশ বাণী, ইউরোসমাচার, ইউরোবাংলাটাইমস, সহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন গণমাধ্যমে।

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা থেকে প্রকাশিত বাংলা গণমাধ্যম ইউরোবাংলাটাইমসে ম্যানেজিং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন টানা তিন বছর । অস্ট্রিয়া বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বাংলাদেশ কো- অর্ডিনেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন টানা পাঁচ বছর।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অবিস্মরণীয় “কবিকণ্ঠে আবৃত্তি সন্ধ্যা ২০০৭” অনুষ্ঠানের গ্রন্থিক ও উপস্থাপক, লালমোহন উপজেলা শিল্পকলা একাডমির নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবি রিপন শান, টানা তিন টার্ম লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । ব্র্যাক সিইপি প্রযোজিত গণনাটক ‘নতুন সকাল’ এর কেন্দ্রীয় মাস্টার চরিত্রে ৫৪ টি প্রদর্শনীতে অভিনয় করে তিনি সাউন্ডবাঙলা কর্তৃক জাতীয় পর্যায়ে সংবর্ধিত হয়েছেন ।

তাঁর সনদীয় নাম মোঃ শাহাবুদ্দিন রিপন । লেখালেখি, সমাজকর্ম ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে রিপন শান নামেই সমধিক পরিচিত। মূলত কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তুখোড় বক্তা, আবৃত্তিশিল্পী, উপস্থাপক, অভিনেতা, মঞ্চ নাট্যকার, নির্দেশক, লিটলম্যাগ সম্পাদক, সাংবাদিক, কলেজ শিক্ষক এবং কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও বহুমাত্রিক পরিচয় রয়েছে তাঁর। ১৯৭৫ সালের ৩ মার্চ দ্বীপজেলা ভোলার লালমোহন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা গ্রামে এক বনেদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি । পিতা একাত্তরের রণাঙ্গনের বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ মরহুম সালাউদ্দিন আহমাদ।

মাতা লালমোহনের প্রথম এন্ট্রান্স শিক্ষিতা মরহুমা বেগম রওশান আরা পঞ্চায়েত। পিতামহ মরহুম মাওলানা মনসুর আহমাদ গোল্ডমেডেলিস্ট ছিলেন ভোলা সরকারি কলেজের খ্যাতিমান অধ্যাপক। মাতামহ মরহুম দানবীর মজিবুর রহমান পঞ্চায়েত ছিলেন লালমোহন ইউপির জননন্দিত চেয়ারম্যান । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সাবেক ছাত্র , ঢাকা কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর বহুমুখী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক রিপন শান বদরপুর মহাবিদ্যালয়ে (সাবেক নুরুন্নবী চৌধুরী মহাবিদ্যালয়) একটানা ১৪ বছর ধরে বাঙলা বিষয়ে অধ্যাপনায় নিয়োজিত আছেন । পাশাপাশি মাতৃজগত আইপিএ টিভির পরিচালক , ভয়েস চট্টগ্রামের উপদেষ্টা সম্পাদক, ভোলার কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি ও দ্য রেডটাইমসের সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে সংযুক্ত আছেন।

লেখক রিপন শান এর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে : কাব্যগ্রন্থ- নদীর বুকে জীবন জ্বলে, রত্নখচিত কুয়াশা; গল্পগ্রণ্হ- ফিনিক্স পাখির উড়াল। প্রকাশের পথে- শিল্পের আলাপ ( সাক্ষাৎকার সংকলন ), অপার বিস্ময় ( তথ্য সংকলন ), আট বেহেশতের সুবাস ( কাব্যগ্রন্থ ), কবিতা-কলাপ ( নির্বাচিত কবিতা ) । শ্যামল মাটির কমলেরা, বাউন্ডুলে, বেকার অমানিশা- নাট্যকার রিপন শান রচিত ও নির্দেশিত মঞ্চসফল তিনটি নাটক। সম্পাদনা করেছেন দুই বাংলার কবিতা সংকলন- জ্বলে ওঠার কবিতা ; লিটল ম্যাগ- রোদসী, বেতুয়া , প্রমিত বাংলার মুখ। বাংলাদেশ রোদসী কৃষ্টিসংসারের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান রিপন শান- ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাব, জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ ভোলা, লালমোহন মিডিয়া ক্লাব ও নেক্সাস ৯৩ ফ্রেন্ডস প্লাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা ।

সামাজিক সাংস্কৃতিক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সময়ে অর্জন করেছেন- জাতীয় ছাত্রধারা পুরস্কার, চরফ্যাসন প্রগতি ইউনিটি এওয়ার্ড, আমরা করবো জয় পুরস্কার, মিরপুর এইচ এইচ মাইক্রো ইনস্টিটিউট সম্মাননা, নবকল্লোল পুরস্কার, এম আর মনজু কালচারাল সোসাইটি সম্মাননা, লালমোহন ফাউন্ডেশন ঢাকা পুরস্কার, সাউন্ডবাঙলা বেস্টবুক এওয়ার্ড, নিউন্যাশন মডেল স্কুল সম্মাননা, দৈনিক মাতৃজগত সম্মাননা , ম্যাজিক লণ্ঠন আড্ডার কবি সম্মাননা ইত্যাদি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে ইউসিটিসি’র ড্রামা ক্লাবের মঞ্চে ‘নিমফুল’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি,চট্টগ্রাম (ইউসিটিসি’র) ড্রামা ক্লাব তাঁর কালজয়ী নাটক ‘নিমফুল’ মঞ্চস্থ করেছে।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ প্রযোজনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিনয়ের মাধ্যমে নাটকটির মানবিক আবেদন, গ্রামীণ জীবন ও সম্পর্কের সূক্ষ্ম আবেগ দর্শকদের সামনে প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরেন। পুরো পরিবেশনা জুড়ে দর্শকদের উপস্থিতি ও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ (হেদায়েত চৌধুরী), ফারজানা মুন্সি সীমা (মদিনা), রিফাত হাসান (মাস্টার), ইমতিয়াজ ইমতি (ফজলু), সফল দাশ (কুদ্দুস), সাওয়াদ সামি (মনা ডাকাত), আরিয়ান (মনা ডাকাতের ছেলে), মারুফ চৌধুরী (হেডমাস্টার), সিয়াম (মেম্বার), জয়নাল (অর্নব দত্ত), তাওছিন আক্তার (সালেহার আম্মা) এবং উম্মে সামিহা (সালেহা)। প্রযোজনাটির নির্দেশনা দেন মায়া দত্ত।
হেদায়েত চৌধুরী চরিত্রে অভিনয় করা জুনায়েদ হোসেন জাওয়াদ বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের নাটকে অভিনয় করা আমাদের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি বড় একটি দায়িত্বও। চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে আমরা দীর্ঘদিন মহড়া করেছি। দর্শকদের ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

নাটকের নির্দেশক মায়া দত্ত বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের নাটক শুধু বিনোদন নয়, মানুষের জীবন, সম্পর্ক ও সমাজকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাঁর নাটক মঞ্চস্থ করার মাধ্যমে আমরা তাঁর সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছি।

নাটকটি দেখতে আসা এক দর্শক বলেন, “শিক্ষার্থীদের অভিনয় ছিল আন্তরিক ও পরিণত। সীমিত আয়োজনের মধ্যেও তারা নাটকের আবহ সুন্দরভাবে তৈরি করতে পেরেছে। পুরো প্রযোজনা উপভোগ্য ছিল।আরেক দর্শক জানান, “হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর নাটক মঞ্চস্থ করার উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয়। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত দর্শকরা অভিনয়শিল্পী ও নির্দেশককে অভিনন্দন জানান। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও বাংলা নাট্যসাহিত্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টিগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

জীবন সংস্কৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কতনা অদ্ভূত সমাজ
মিথ্যাকে বিশ্বাস করে
সত্যের প্রমান চায়,
সাপের মতো খোলস বদল
স্বভাব থেকে যায় ।

কতনা অদ্ভূত সমাজ
ভাল কাজ মুছে যায়
সময়ের বাঁকে,
মন্দ কাজ রেকর্ড হয়
ইতিহাসের ফাঁকে ।

কতনা বিচিত্র জীবন সংস্কৃতি
একদিন না পেলে
ভুলে যায় স্মৃতি ,
স্বার্থের মোহে অন্ধ মানুষ
লাভের গায় গীতি ।।

কতনা অদ্ভূত মানুষ
অবুঝ তার মন,
সত্যকে আড়াল করে
মিথ্যার অনুশীলন।

কতনা অসহায় মানুষ
যত পায় তত চায় ,
অফুরন্ত চাহিদা তার
অভাব থেকে যায় ।

কতনা অবুঝ মানুষ
হিসেবের খাতায় ভুল
ক্ষনিকের মোহ মায়ায়
সৃষ্টির প্রেমে আকুল ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় টাকার কাছে
লোভের কাছে
বন্ধুত্বের কাছে
কখনো ভালবাসার কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় বিবেকের কাছে
সময়ের কাছে
অবশেষে মৃত্যুর কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
উজাড় করে জীবন,
একদিন নিজেই বোঝা
কেউ থাকেনা আপন।

কতনা অসহায় মানুষ
জানেনা তার কখন মরণ,
যেতে হবে ছেড়ে
মায়ার বাঁধন,
সব যাবে মুছে
কেউ করবেনা স্মরণ ।

এই বুঝি দুনিয়ার নিয়ম
বিদায়ের পরিনতি,
হাসি আর কান্নার মাঝে
জীবনের ইতি ।

রচনাকাল: ১৫/১২/২০২৫

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ