দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির স্বার্থে আরও প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে : সিনিয়র সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভূমি মন্ত্রণালয়েল সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ বলেছেন, বিশ্ব আজ নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, যার মধ্যে অন্যতম হলো প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের দ্রুত গতি। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে আমাদের আরও প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, আপনাদের মাধ্যমেই এই চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব। আপনারা শুধু দক্ষ প্রকৌশলী বা প্রযুক্তিবিদ হিসেবেই নয় বরং সৎ, পেশাদার, দেশপ্রেমিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবেও দেশের সেবা করবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বৃহস্পতিবার সকালে চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে গেস্টস অব অনার ছিলেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো: জিয়াউদ্দীন, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. এ.এইচ. রাশেদুল হোসেন, মেকানিক্যাল এন্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান, চুয়েট এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী খান আতাউর রহমান সান্টু,

চুয়েট এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম খান ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম। চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির। শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. জি. এম. সাদিকুল ইসলাম, কর্মকর্তা সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব প্রিয়তোষ চক্রর্বত্তী এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন পুরকৌশল বিভাগের ২০ ব্যাচের ছাত্র আসহাব লাবিব ও ইইই বিভাগের ২০ ব্যাচের ছাত্রী উম্মে মাবরুরা উমামা।

অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন চুয়েটের প্রাক্তন কৃতি ছাত্র প্রকৌশলী এ টি এম তানভীর-উল-হাসান তমাল এবং অনলাইনে সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন চুয়েটিয়ানস ইন অস্ট্রেলিয়া এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. জিএম শফিউল্লাহ। এতে সঞ্চালনা করেন পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার, ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান চৌধুরী, ইটিই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব প্রিয়ন্তি পাল টুম্পা ও ইইই বিভাগের প্রভাষক জনাব আজমল আহমেদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে চুয়েটের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করেন উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। পরে কোরাআন তিলাওয়াত করেন চুয়েট এর স্টাফ কোয়াটার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হামিদ উল্লাহ।

এর আগে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-২ এর সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন ভূমি মন্ত্রণালয় এর সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ। এর পরপরই ২৩তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে এক আনন্দ র‌্যালি রেব করা হয়।
র‌্যালিতে রঙ-বেরঙের প্ল্যাকার্ড ও ফ্যাস্টুন সহকারে চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীগণ অংশগ্রহণ করেন। পরে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম সংলগ্ন এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের স্মারক বৃক্ষরোপণ করা হয়। চুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১২৬জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২৩ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয়। এরপর শিক্ষক বনাম ছাত্র ও কর্মকর্তা বনাম কর্মচারী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

গেস্টস অব অনার এর বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেন, বর্তমানে চুয়েট খুব দ্রুত আধুনিকায়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে। আমাদের অনেক বাধা রয়েছে কিন্তু এরপরেও আমরা চুয়েটে আধুনিক গবেষণাগার নির্মান ও ডিজিটাল সেবাকে সমুন্নত করছি যাতে স্মার্ট ক্যাম্পাস গঠনের উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যতে চুয়েটকে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিনির্মান করতে পারি। আমরা এমন এক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই যেখানে জ্ঞান, উদ্ভাবন এবং মানবিকতা একসূত্রে গাথা থাকবে।

গেস্টস অব অনার এর বক্তব্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব বলেন, বিশ্ব আজ অভূতপূর্ব গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে। আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের যুগে প্রবেশ করেছি। কিন্তু এসব প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা হলেও বাস্তব প্রয়োগ এখনো পর্যাপ্ত নয়। সময় এসেছে এসব দক্ষতা দ্রুত আয়ত্ত করে বাস্তব জীবনে প্রয়োগের। নইলে প্রযুক্তির দৌড়ে আমরা পিছিয়ে পড়ব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিভাসুতে প্রাণিসেবায় নতুন সংযোজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রাণীর রোগ নিরূপণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের পাশাপাশি আধুনিক ও মানসম্মত ওষুধ ও যাবতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও সুসৎগঠিত করতে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) চালু করা হয়েছে ‘ভেটেরিনারি ফার্মেসি’। এখন থেকে খামারি ও সাধারণ জনগণ তাদের প্রাণীর যাবতীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সিভাসু’র এই ‘ভেটেরিনারি ফার্মেসি’ থেকে সুলভ মূল্যে ক্রয় করতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস. এ. কাদেরী টিচিং ভেটেরিনারি হাসপাতাল এবং মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই ফার্মেসি চালু করা হয়েছে। ভেটেরিনারি হাসপাতালের নিচ তলায় এই ফার্মেসির উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফার্মেসির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘সিভাসু’র মূল উদ্দেশ্য কেবল শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা প্রদান নয়, বরং মানসম্মত প্রাণী চিকিৎসাসেবা ও গবেষণার প্রসার ঘটানো। এই ফার্মেসির মাধ্যম হাসপাতালে আসা প্রাণীদের জন্য সঠিক ও মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবামূলক পদক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দিন, ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. মো: আহসানুল হক এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. ফরহাদ হোসেন। সম্মানিত অতিথি ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসিআই এনিম্যাল হেলথ-এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডা. মো: আমজাদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র ভেটেরিনারি ক্লিনিক্সের পরিচালক প্রফেসর ড. আজিজুন্নেছা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মনোয়ার সাঈদ পল্লব।

সভাপতির বক্তব্যে ভেটেরিনারি ক্লিনিক্সের পরিচালক প্রফেসর ড. আজিজুন্নেছা বলেন,‘এই ফার্মেসি কেবল ওষুধ বিক্রির কেন্দ্র নয়। এটি আমাদের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা ও ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ভেটেরিনারি চিকিৎসকেরা আরও দক্ষ ও পেশাদার হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে।’

চবি ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় উল্টো হেনস্থা, কারাগারে যাত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বাসে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় তাকে হেনস্থা ও মারধর করেছেন এক ব্যক্তি। নিজের স্ত্রী-সন্তানের সামনেই এমন ঘটনা ঘটায় মোহাম্মদ জসিম (৩৫) নামে ওই যাত্রী। পরে বাসের অন্যান্য যাত্রীরা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। শনিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার এ ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি রুটের একটি লোকাল বাসে।

পুলিশ জানায়, বাসে ছাত্রীর পেছনের সিটে বসে ভেতর ধূমপান করছিলেন জসিম। সিগারেটের ছাই ফেলার নামে বারবার ছাত্রীর শরীর স্পর্শ করতে থাকেন। প্রতিবাদ করলে ওই ছাত্রীর সঙ্গে তিনি উল্টো দুর্ব্যবহার করেন। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার মধ্যে অন্য যাত্রীরা তাকে ফটিকছড়ির আগে হাটহাজারী বাস স্টেশনে নেমে যেতে বাধ্য করেন।
গ্রেফতার মোহাম্মদ জসিম চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার শিকার ছাত্রীর বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলায়। বাড়ি যাবার জন্য শুক্রবার দুপুরে ওই ছাত্রী লোকাল বাসটিতে উঠেছিলেন। চট্টগ্রাম নগরী থেকে বাসটিতে করে স্ত্রী-সন্তানসহ জসিম ফটিকছড়িতে যাচ্ছিলেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ