আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনীতির তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনীতির তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। সেই উত্তাপে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যোগ হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রার্থী তালিকা ঘোষণার মধ্য দিয়ে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে২৩৭টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

এই দীর্ঘ তালি জেলা। শিল্পনগরী গাজীপুর, যেখানকার রাজনীতি বরাবরই জাতীয় রাজনীতির এক প্রকার প্রতিচ্ছবি। এখানকার ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি, তবে দুটি আসন এখনো অপেক্ষায়—যা দলের ভেতরে এক ধরনের কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হচ্ছেন:

গাজীপুর-২: এম মঞ্জুরুল করিম রনি
গাজীপুর-৩: অধ্যাপক ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু
গাজীপুর-৪: শাহ রিয়াজুল হান্নান
গাজীপুর-৫: ফজলুল হক মিলন

অন্যদিকে, গাজীপুর-১-ও গাজীপুর-৬ আসনের প্রার্থীদের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই দুটি আসনকে ঘিরে চলছে জটিল হিসাব-নিকাশ, তৃণমূলের মতামত ও কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের গভীর আলোচনা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজীপুরের আসনগুলো সবসময়ই বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে বার্তা বহন করে। এখানকার প্রার্থী বাছাই শুধু দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়—বরং এটি বিএনপির আগামী রাজনৈতিক কৌশলের দিকনির্দেশনাও দিতে পারে।

এদিকে, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই **২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সম্ভাব্য জাতীয় নির্বাচনের** প্রস্তুতি শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী **ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই নির্বাচন তফসিল ঘোষণা** হতে পারে।

গাজীপুরের মানুষ এখন তাকিয়ে আছে—কে আসছেন বাকি দুই আসনের মনোনয়ন পেতে?
রাজনৈতিক মহলে ফিসফিস—“এই দুটি আসনের প্রার্থী হয়তো পুরো গাজীপুরের রাজনীতির রূপরেখাই বদলে দিতে পারে…”

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ