দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচনে প্রার্থী হতে নারাজ চিত্রনায়ক মেগাস্টার উজ্জ্বল ।

রিপন শান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কোনো কারণ দেখেন না বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক মেগাস্টার খ্যাত চিত্রনায়ক ‘আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল’। একান্ত আলাপনে মেগাস্টারের কাছে আসন্ন নির্বাচনে কেন প্রার্থী হলেন না ও মনোনয়ন পেলে কী করতেন’ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দলীয় মতামতের ভিত্তিতে দল পরিচালনা করেন।

তা ছাড়া দীর্ঘ পথচলায় বিএনপির রাজনীতির ভেতর ও বাহির তাঁর নখদর্পণে। নমিনেশনই নির্বাচনের সবকিছু নয়। এত বড়ো দলকে বিজয়ের মঞ্চে সংবর্ধনা দিতে হলে কিছু রাজনীতিককে ত্যাগ স্বীকার করতেই হবে। কারণ ঘাম ও ত্যাগের উপরই সাফল্যের পতাকা উড়ে। মনে রাখতে হবে জনাব তারেক রহমানের একটি পরিকল্পনা আছে। সতেরো বছরের ক্রান্তিকালে অনেক ত্যাগী নেতা আছেন। একথাও আমাদের মনে রাখতে হবে।’ সাফল্যের জন্য দলীয় প্রার্থীদের বাইরে একটি গুরুত্বপূর্ণ মেধাবী টিম দরকার। যারা দলীয় প্রচারণায় কাজ করবেন।

‘আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল,’ তৎকালীন বৃহত্তর পাবনা জেলা শহরে ও সিরাজগঞ্জের দুই জায়গাতেই পৈতৃক ভিটা থাকলেও তাঁর শৈশব কেটেছে সান্তাহারে। কারণ তাঁর আব্বা ডা: মো. ইয়াছিন উদ্দিন রেলওয়ের ডাক্তার হিসেবে শান্তাহারে কর্মরত ছিলেন। মা সাবেরা বেগম একজন গৃহিণী। নায়ক উজ্জ্বল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সালে আইআর-এ মাস্টার্সডিগ্রী লাভ করেন।
স্কুলে পড়াকালীন সময়ে কবিতা আবৃত্তি দিয়ে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলেও একই সময়ে স্কুলের মঞ্চনাটকে অভিনয়ের সুযোগ পান। সেই থেকে শুরু।

বাবার বদলির চাকরি হওয়াতে তাঁকে বেশ কয়েকটি জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়তে হয়েছে। হার্ভে গার্লস স্কুল শান্তাহার, বগুড়া, লালমনিরহাট হাইস্কুল, লালমনিরহাট, কারমাইকেল কলেজে, রংপুর ও সৈয়দপুর কলেজ, সৈয়দপুর, খুলনা জেলা স্কুল, খুলনা। মঞ্চগুলোতে অত্যন্ত সাফল্যের সাথে অভিনয় করেন। অভিনয় নেশা হয়ে ওঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে তিনি এসএম হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। সেই সুবাদে হলের বাৎসরিক নাটক ও টিএসসির মঞ্চে প্রধান চরিত্রে নিয়মিত অভিনয় চর্চা চালাতে থাকেন। সেই সময়ে টিএসসি’র মঞ্চে অধ্যাপক আসকার ইবনে শাইখের লেখা ‘লালন ফকির’ নাটকের লালন চরিত্রে অভিনয় করলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধে নাটকটি পরপর তিনদিন মঞ্চস্থ হয়।

চারিদিকে সুনাম ছড়িয়ে পরে। পরবর্তীতে অভিনেতা ও সঙ্গীত শিল্পী নাজমুল হুদা বাচ্চু তাঁকে রেডিও ও টেলিভিশনে অডিশনের মাধ্যমে নাট্যশিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে সহযোগিতা করেন। মঞ্চ, রেডিয়ো ও টেলিভিশনে দুর্দান্ত অভিনয়ের কারণে নাট্যাঙ্গনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। এরই ফাঁকে তিনি ফ্লাই ক্লাবের সদস্য হন। বিমানেও কিছুদিন সংযুক্ত ছিলেন।
নাটকের জনপ্রিয়তার ঢেউ গিয়ে পৌঁছে চলচ্চিত্রাঙ্গনে। ১ জানুয়ারি ১৯৭০ খ্যাতিমান পরিচালক সুভাষ দত্ত উজ্জ্বলকে নায়ক ও কবরীকে নায়িকা হিসেবে কাস্ট করে ‘ বিনিময় ‘ ছবির মহরত করেন। একই বছর সিনেমাটি প্রদর্শিত হলে চলচ্চিত্রাঙ্গনে সাড়া পড়ে যায়।

ব্যাবসায়িক ভাবে অত্যন্ত সফল হয়। সিনেমা প্রেমিক দর্শকের কাছে রোমান্টিক হিরো হিসেবে সমাদৃত হন।
মহান মুক্তিযুদ্ধের পর একে একে মুক্তি পায় অরুণোদয়ের অগ্নি সাক্ষী, কাচের স্বর্গ, লালন ফকির, সমাধান, ইয়ে করে বিয়ে, শনিবারের চিঠি, গরমিল, সমাধি, অনুভব, রুপালি সৈকতে, অগ্নিশিখা, অচেনা অতিথি, দাবি, বন্ধু, ফকির মজনু শাহ, মহেশখালীর বাঁকে, অনুরাগ, জনতা এক্সপ্রেস, কুদরত, লাল কাজল ইত্যাদি। সিনেমার মাস্টার মেকার চলচ্চিত্র পরিচালক মমতাজ আলি, নায়ক উজ্জ্বলের রোমান্টিক নায়কের পর্দা-ইমেজ ভেঙে প্রতিবাদী নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তৎসময়ের দর্শকের কাছে তার জনপ্রিয়তা এতই তুঙ্গে ওঠে যে তিনি ভক্তদের কাছে মেগাস্টার উজ্জ্বলে রূপান্তরিত হন।

একে একে মুক্তি পায় নালিশ, নসিব, উসিলা, আমি উস্তাদ, নিয়ত, বিশাল, বীরাঙ্গনা সখিনা, দোস্তি, নিয়তির খেলা ও জান আমার জান। তিনি সবমিলিয়ে প্রায় শতাধিক সিনেমায় নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন। তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে বেশ কয়েকটি সিনেমা পরিচালনা ও প্রযোজনা করেন।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি গঠনের পেছনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন চিত্রনায়ক উজ্জ্বল। তিনি চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি, প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির সদস্য। তিনি সেন্সর বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির নির্বাচিত সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্বও পালন করেছেন। চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরিয়ে আনার জন্য এখনো সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। চব্বিশের আন্দোলনে চলচ্চিত্রাঙ্গনের ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আওয়ামী লীগ ফেরানোর চেষ্টা করছে জামায়াত : মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান কথাবার্তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের বক্তব্যের কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাশেদ খাঁন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেছেন।

জামায়াতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে রাশেদ খান বলেছেন, দলটি মুখে এক কথা বলে, আর ভেতরে অন্য কিছু ধারণ করে। তারা একদিকে সরকারকে সহযোগিতার কথা বলছে, অন্যদিকে কীভাবে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে এনে ১৯৯৬ সালের মতো আন্দোলন করা যায়, সেই চেষ্টা করছে। এ কারণে তাদের ভূমিকা নিয়ে সবার মধ্যে সন্দেহ ও সংশয় তৈরি হয়েছে।

সরকার পতনের আন্দোলনের জন্য জামায়াত বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে বেছে নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তারা রাজপথে থাকবেন। যারা বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা না করে সরকার পতনের আন্দোলন করবে এবং সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করবে, দেশের জনগণ তাদের শক্ত হাতে রুখে দেবে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খাঁন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সবার দায়িত্ব ছিল রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করা। কিন্তু জামায়াতের সেই বিষয়ে কোনো মনোযোগ নেই। ইসলামকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে কীভাবে ক্ষমতায় যাওয়া যায়, দলটি সেই চেষ্টা করছে। ইসলামি মূল্যবোধের কথা বলে তারা ইসলামেরই ক্ষতি করছে। এ সময় বর্তমান সরকারকে সহযোগিতার বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের আমিরের ইতিবাচক অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন রাশেদ খাঁন। তিনি জানান, মাত্র সাত মাসের একটি সরকারের বিরুদ্ধে কেন লংমার্চ করা হচ্ছে, সে প্রশ্ন তুলেছেন হেফাজতের আমির। মুনাফিকি আচরণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করায় হেফাজতের আমিরসহ সংগঠনটির নেতাদের ধন্যবাদ জানান।

বাপ-দাদার সম্পত্তি ছেড়ে দেয়ার হুমকি
আতংকে দিন কাটাচ্ছে একটি পরিবার
চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় বাপ দাদাদের আমল থেকে ভোগ দখলে থাকা একটি সম্পত্তি ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। ওই মহল নিজেদের অংশ রয়েছে দাবি করে জায়গাটি চেড়ে না দিলে জায়গার মালিকের ক্ষতি করবে বলেও শাসিয়ে দেয়া হয়। এ নিয়ে বাকলিয়ার ১৮ নং ওয়ার্ডের কালামিয়া বাজারের মিয়াখান রোড আবুল খায়ের সওদাগরের বাড়ির ইসলাম ভিলার মৃত হাজী নুরুল ইসলামের পুত্র মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ (৫৬) দুইটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। একই সাথে চট্টগ্রাম আদালতে একটি মামলাও করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার পাশাপাশি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা গেছে, বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী নয়া খালের দক্ষিণ পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনি আরএস খতিয়ান নং-৩৩৩৮, দাগ নং-২১৩৫৪,২১৩৫৫ জায়গায় মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ টিনসেড ঘর এবং খালী জায়গা পৈত্রিক সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখলে রয়েছেন। গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজাখানী নয়া খালের দক্ষিণ পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনিতে মৃত ফজল করিমের পুত্র মোহাম্মদ ইদ্রিস (৪৮), মোহাম্মদ আজিজ (৫০),তাদের সহযোগী মিন্টু (২৮) মোহাম্মদ হারুন উর রশিদকে জানান, উক্ত জমিতে তাদের অংশ রয়েছে। যদি তাদের জায়গা ছেড়ে না দেন তাহলে যে কোন ধরনের ক্ষতি করবে বলে হুমকী প্রদান করে। মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ তাদের কাগজ পত্র নিয়ে বসতে বললে তাকে গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকী ও ভয়ভীতি দেখায়। এতে নিরুপায় হয়ে মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ ১৮ জুলাই বাকলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং: ১১৬৮) দায়ের করেন।

একই সাথে বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী বিশ্ব রোড পূর্ব পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনি টিনের ঘর সেমি পাকা দোকান ও দুতলা ভবন বিএস নামজারী খতিয়ান নং -৫৪২/১৩, দাগ নং-৬৪২১,৬৪২২,৬৪২৩,৬৪২৪ জমির পরিমাণ ৩২শতক খরিদা সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখলে রয়েছেন মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ। গত ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় রাজাখালী বিশ্ব রোড পূর্ব পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনি টিনের ঘর সেমি পাকা দোকান ও দোতলা ভবনে এসে রাজাখালী খালের দক্ষিণ পাড়ের বাসিন্দা মৃত ফজল করিমের পুত্র মো. ইদ্রিস মিয়া (৫৬), মো. আজিজ মিয়া (৫০), মৃত শমসের আলীর পুত্র মো. আব্বাস আলী (৫৫), তাদের সহযোগী মো. সাদেক প্রকাশ কালু(৩৫) মোহাম্মদ হারুন উর রশিদকে জানায় উক্ত জমিতে তাদের অংশ রহিয়াছে। যদি জায়গা ছেড়ে না দেয় তাহলে যে কোন ধরনের ক্ষতি করবে বলিয়া হুমকী প্রদান করে এবং মোহাম্মদ হারুন উর রশিদের ভাড়াটিয়াদের ঘর ছেড়ে চলে যেতে বলে। মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ তাাদের কাগজ পত্র নিয়ে বসতে বললে তাকে ও তার পরিবার পরিজনদের গালাগালিসহ প্রাণনাশের হুমকী ও ভয়ভীতি দেখায়।

এ বিষয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর বাকলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং: ১০৪) দায়ের করেছেন।
এর আগে মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ বাদী হয়ে একটি মিস মামলা (নং-১২৮৫/২৬ ) দায়ের করেছেন। মামলার ভিত্তিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রাম মহানগরের উপ সহকারী প্রশাসিনিক কর্মকর্তা গত ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটের রেকর্ডের জন্য আদেশনামা প্রদান করেন। এতে বিরোধীয় ভুমি দখল মালিকানা বিষয়ে নির্ধারিত ছক মোতাবেক স্ক্যচ ম্যাপসহ প্রতিবেদনের জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ওই ভূমিতে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে বলা হয়।

মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নাকি এদের অংশ রয়েছে। সেটা ভালো কথা, তবে কাগজপত্র নিয়ে বসতে বললে বিভিন্নভাবে গালিগালাজ করে আমাকে ও আমার পরিবারকে হৃমকি দিয়ে আসছে। তিনি বলেন, জায়গা আমাদের তারা কাগজ পাবে কোথায়, সেজন্য তারা বসতে পারছেনা। শুধ জায়গা ছেড়ে দিতে হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দুই প্রার্থীসহ ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত মোট ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন, ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ