আজঃ বুধবার ১৩ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে পেঁয়াজের দাম উর্ধমুখী কমেছে মুরগি ও ডিমের দাম

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে পেঁয়াজের বাড়তি দাম একসপ্তাহেও নিম্নমুখী হয়নি। ভ্রাম্যমাণ দোকানে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা, কিছুটা নিম্নমানের ছোট পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বাজারে বড় আকারের দেশি পেঁয়াজ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে চট্টগ্রামের কাঁচাবাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কমেছে। মসুর ডাল ও খোলা চিনির দামও কমেছে। এছাড়া শীতের ফলন ছাড়া অধিকাংশ সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা কিংবা তার চেয়েও বেশি। চট্টগ্রাম মহানগরীর কয়েকটি বাজার ও বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ দোকান ঘুরে নিত্যপণ্যের এ চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারে শীতের সবজির মধ্যে ফুলকপি-বাঁধাকপি, শিম ৭০ থেকে ৮০ টাকা, মূলা ৬০ টাকায় প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে। লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে প্রতিকেজি ভারতীয় টমেটো ১২০ টাকা, দেশি টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, দেশি গাজর ৮০ টাকা, চায়না গাজর ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, দেশি শসা ও উচ্ছে ৭০ টাকা, করলা, কাঁকরোল, ঢেঁড়স, পটল, ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৮০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, ধনেপাতা ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মিষ্টিকুমড়ো ৫০ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। আর মানভেদে প্রতিটি লাউ ৬০ থেকে ১২০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, প্রতি হালি কাঁচা কলা ৪০ টাকা ও প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে। শীতকালীন লাল শাক-পালং শাকসহ অন্যান্য সব ধরনের শাক আঁটিপ্রতি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পরিবর্তন আসেনি মাছের বাজারে। বাজারে লইট্যা ২০০ টাকা, কোরাল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, চিংড়ি (বাগদা ও গলদা) প্রকারভেদে ৭৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া, খাল-নদী ও চাষের মাছের মধ্যে রুই ও কাতলা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, ছোট আকারের পাবদা ৪০০ টাকা, মাঝারি সাইজের ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, পুঁটি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া বড় সাইজের ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, নাইলোটিকা ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাঙাস ও সিলভার কার্প ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

এদিকে দুই কেজি বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৬০০ থেকে ৩০০০ টাকায়, আর এক কেজির ইলিশের দাম ২২০০ থেকে ২৫০০ এর মতো। ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ২০০ গ্রাম ওজনের জাটকার দাম ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে অন্তত ১০ টাকা করে কমেছে। গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এ সপ্তাহে সেটা ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় নেমেছে। প্রতি ডজন লাল ডিম গত সপ্তাহে ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, এখন সেটার দাম ১২০ টাকা।

এছাড়া বাজারে গরুর মাংস কেজিপ্রতি আগের মতোই ৭৫০ থেকে ৯৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম ২৯০ থেকে ৩৩০ টাকা, লেয়ার ৩৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সাদা ডিম ১২০ থেকে ১২৫ টাকা ও দেশী হাঁসের ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ দোকানে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা, কিছুটা নিম্নমানের ছোট পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বাজারে বড় আকারের দেশি পেঁয়াজ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি দেশি রসুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, আদা ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে মুদিপণ্যের মধ্যে কেজিপ্রতি মসুর ডালের দাম কমেছে ১৫ টাকা ও খোলা চিনির দাম কমেছে ৫ টাকা। ছোট মসুর ডাল ১৫০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা চিনি ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, বুটের ডাল ১১৫ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, মাষকলাই ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত চিনি ১১০ টাকা, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৭২ টাকা, কৌটাজাত ঘি ১৪৫০ থেকে ১৫৫০ টাকা, খোলা ঘি ১২৫০ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৩০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া এলাচি ৪৭৫০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, লবঙ্গ ১২৮০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১৩৫০ টাকা ও কালো গোল মরিচ ১১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

চালের মধ্যে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৭২ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া মানভেদে প্রতি কেজি নাজিরশাইল চাল ৭৫ থেকে ৯৫ টাকা, ব্রি-২৮ চাল ৬২ টাকা ও মোটা ধরনের স্বর্ণা চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতিকেজি লালতীর, এসিআই, স্কয়ার কোম্পানির প্যাকেট পোলাও চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাও চাল মানভেদে ৯০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে অবৈধ মাটি উত্তোলন: ট্রাক্টরসহ ১জন আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নম্বর স্পার বাঁধ এলাকায় পদ্মা নদী ও আশপাশের কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় মাটিভর্তি একটি ট্রাক্টরসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে সুন্দরপুর ইউনিয়নের শিবিরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ। অভিযানে মাটি পরিবহনের সময় মোঃ সোহবুল হকের ছেলে মোঃ সুমন আলী (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি সদর উপজেলার জয়ন্দীপুর রামকৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্বীকার করেন, পদ্মা নদীর তীরবর্তী জয়ন্দীপুর এলাকার কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে তা বিভিন্ন ইটভাটায় পরিবহন করা হচ্ছিল।

পরে তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে “ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩” এর ১৫ ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ বলেন, নদী ও কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী একটি চক্র রাত-দিন ট্রাক্টর ও ভেকু দিয়ে নদীর তীর ও ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর তীর ভাঙনের ঝুঁকিও বাড়ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, “ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রতিদিন শত শত ট্রাক্টর মাটি বহন করছে। প্রশাসনের অভিযানকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে শুধু জরিমানা নয়—স্থায়ীভাবে এই মাটি লুট বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে নদী ও কৃষিজমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরবরাহের জন্য নয়,জ্বালানি তেলের দূর্ভোগ কিছুটা তৈরী করা- ঠাকুরগাঁওয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হঠাৎ করে একটা দুর্যোগ নেমে এসেছে। ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ সমগ্র বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বাংলাদেশ মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেলের দাম বেড়ে গিয়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। এসব তেল কম সরবরাহের জন্য নয়, সমস্যা কিছুটা হল তৈরী করা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


শুক্রবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও পৌর মিলনায়তনে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এবং এলজিইডি ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কল্পে ঢেউটিন, চেক ও বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷

মন্ত্রী বলেন, কিছু মানুষ অনৈতিক ভাবে ব্যবসা শুরু করেছে। তারা তেল নিয়ে কালোবাজারিতে বিক্রি করে দেয়। তেল বিক্রি করে কেউ যাতে ফায়দা না লুটতে পারে তা নজরদারি করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি বলেছি।

এলজিআরডি মন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা কখনো বিচলিত হবেননা। অন্যায়কে প্রশয় দেবেননা৷ যারা মিথ্যা কথা বলে মিথ্যা প্রচারণা চালায়। দূর্ভাগ্যজনক ভাবে দেশে একটা শ্রেণি সৃষ্টি হয়েছে যারা দেশের স্থিতিশীল নষ্ট করতে চায়। আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে ৫ ই আগস্টে ফ্যাসিস্ট শক্তিতে পরাজিত করেছি৷ দল, জোট আন্দোলন করেছে। যারা এসবের জন্য জান প্রাণ দিয়েছে এটার মূল্য দিতে হবে। সেটা হল একটা শান্তিময়, উন্নত ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ দেখতে চাই৷

তিনি আরো বলেন, আমাদের নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দিনাজপুর এসেছিলেন খাল খনন করতে এবং সারাদেশে তিনি খাল খনন করছেন। যাতে বৃষ্টির দিনে পানি আটকে রেখে সেচের কাজ করতে পারে কৃষকরা। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া শুরু করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মশালয়ের ইমাম পুরোহিত, ফাদার্স অর্থাৎ ধর্মপ্রচারকদের জন্য ভাতা ব্যবস্থা করা হয়েছে সেইসঙ্গে খেলোয়াড়দের কেউ ভাতা প্রদানে ব্যবস্থা করা হয়েছে। যারা আর্থিকভাবে দুর্বল তাদের আর্থিক অবস্থা বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী কাজ করছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সরকার নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

তিনি বলেন, আপনাদের কাছে আমার একটা অনুরোধ আছে। আপনারা আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেন, অযথা ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে আমাকে আটকে রাখবেন না। এর আগেও আমি আপনাদের বহুবার বলেছি। আমাকে কাজ করতে দিন, দয়া করে আমাকে আটকাবেন না। হিন্দু, মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই যেন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারি। এই সুযোগটা আমাদের দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আগামী রোববার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ হবে। এরইমধ্যে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কাজ চলছে। একইসঙ্গে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুনর্নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু হয়েছে। রুহিয়া ও ভুল্লীকে উপজেলা করার জন্য অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বরাদ্দ পেয়ে যাবো। এখানকার স্কুল-কলেজগুলোর মান উন্নয়নে আমরা কাজ করছি। উন্নয়ন ইনশাল্লাহ হবে।
এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন৷

উল্লেখ্য যে, এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধিনে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৬২৮ টি পরিবারের মাঝে ১ বান ঢেউটিন ও ২০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। জেলা পরিষদ হতে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৭০ টি পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন,৬০ টি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা ও উন্নয়নকল্পে ৯০ লক্ষ টাকার বরাদ্দপত্র প্রদান করা হয়৷ এছাড়াও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে এলজিইডি উন্নয়নে ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার বরাদ্দপত্র প্রদান করা হয়৷

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ