কুতুবদিয়ায় ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

মো: মনিরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাঠ্যজীবনের প্রথম ধাপ সফলভাবে সমাপ্ত করায় কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার কুতুবদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুসলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর), বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা, দোয়া ও ফুলেল সংবর্ধনার মাধ্যমে বিদায় জানানো হয়। অনুষ্ঠানটি ছিল বর্ণিল সাজে সজ্জিত, যেখানে শিশুদের হাসি-আনন্দ আর অশ্রুসিক্ত ভালোবাসার মিলনে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন বলেন, “আজ যারা আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নিচ্ছে, তারা আগামী দিনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। তাদের মাঝে লুকিয়ে আছে দেশ ও সমাজ গড়ার অসীম সম্ভাবনা। সঠিক পরিচর্যা, অভিভাবকের ভালোবাসা ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা পেলেই এরা হয়ে উঠবে জাতির গর্ব।” এছাড়াও বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


এ সময় অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফরিদুল আলমের সঞ্চালনালিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিচুর রহমান, কুতুবদিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জিগারুন নাহার, কুতুবদিয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইউনুস, কুতুবদিয়া প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি হারনুর রশিদ, মনোহরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিমল কান্তি শীল, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী। বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও নৈতিক শিক্ষা বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ছিল কোরআন তেলাওয়াত, নাত, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, নাচ-গান, কবিতা আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য। বিদায়ী সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিলে শিক্ষার্থীরাও অনুভূতি প্রকাশ করে বলে, “স্কুলের প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। স্যার-ম্যামদের ভালোবাসা আর বন্ধুদের সাথে কাটানো দিনগুলো ভুলার মতো নয়।”

সবশেষে প্রধান শিক্ষক ও অতিথিরা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন শুভেচ্ছা স্মারক, সার্টিফিকেট ও মিষ্টিমুখ করিয়ে বিদায় জানান।

শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা—প্রাইমারি উত্তীর্ণ এই শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাস্তরে আরও আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও সফলতা নিয়ে এগিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে : মেয়র শাহাদাত ছবি-৫ চট্টগ্রাম ব্যুরো: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী এলাকায় বিশেষ মশকনিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় লালদিঘী ও আশপাশের এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা নিধন, মশকনিধন ওষুধ প্রয়োগ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কর্মসূচি পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের মশকনিধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে দ্রুত তা অপসারণ করতে হবে। মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিক নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের মাঠকর্মীদের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। নগরবাসী নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখলে এবং কোথাও পানি জমতে না দিলে মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিজের ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, জমে থাকা পানি অপসারণ করুন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন। চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নগরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী এলাকায় বিশেষ মশকনিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় লালদিঘী ও আশপাশের এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা নিধন, মশকনিধন ওষুধ প্রয়োগ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
কর্মসূচি পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের মশকনিধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে দ্রুত তা অপসারণ করতে হবে।

মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিক নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধু ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের মাঠকর্মীদের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। নগরবাসী নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখলে এবং কোথাও পানি জমতে না দিলে মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিজের ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, জমে থাকা পানি অপসারণ করুন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন। চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নগরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

ফের কর্মচাঞ্চল্য চট্টগ্রাম বন্দর, স্থগিত পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কনটেইনারবাহী গাড়ির এক কর্মীকে মারধরের জেরে ঘোষিত কর্মবিরতি স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা থেকে কর্মবিরতি স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাইম মুভারস ট্রেইলার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ।

এই বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, গেট পাস ইস্যুতে পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে একটু বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগে আলোচনা হয়েছে। এরপর কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন পরিবহন শ্রমিকেরা।
প্রাইম মুভারস ট্রেইলার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ বলেন, বন্দরের পরিচালকের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে।

যাতে সাড়ে ৫৭ টাকার বিপরীতে ৮০-১০০ টাকা আদায়, পরিবহন শ্রমিকদের নানাভাবে হয়রানির বিষয়টি তুলে ধরা হয়।তিনি প্রাথমিকভাবে বেশি টাকা আদায়ের বিষয়টি অবহিত নন বলে জানান। আশ্বাস দেন এটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার।

জানা গেছে, শ্রমিক নেতা মোকতার হোসেনের কাছ থেকে গেট পাসের ফি বাবদ বাড়তি টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ জানালে বন্দরের সিকিউরিটি কর্মীরা তাকে মারধর করেন। বিকেল চারটার দিকে বন্দরের ৫ নম্বর গেটে মারধরের এ ঘটনা ঘটে। এরপর কর্মবিরতি ঘোষণা করেন পরিবহন শ্রমিকেরা। ফলে কনটেইনার পরিবহনে অচলাবস্থা তৈরি হয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে : মেয়র শাহাদাত ছবি-৫ চট্টগ্রাম ব্যুরো: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী এলাকায় বিশেষ মশকনিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় লালদিঘী ও আশপাশের এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা নিধন, মশকনিধন ওষুধ প্রয়োগ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কর্মসূচি পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের মশকনিধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে দ্রুত তা অপসারণ করতে হবে। মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিক নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের মাঠকর্মীদের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। নগরবাসী নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখলে এবং কোথাও পানি জমতে না দিলে মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিজের ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, জমে থাকা পানি অপসারণ করুন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন। চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নগরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে

সর্বশেষ