আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

চবি উপাচার্য সকাশে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার এর সঙ্গে উপাচার্য দপ্তরে বুধবার বেলা ১২টায় সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহম্মদ। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যার প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহম্মদ চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তারা বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এসময় চবি ক্যাম্পাসের উস্ প্রাইমারি এন্ড হাইস্কুলের শিক্ষার মান উন্নতির বিষয়ে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যার প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহম্মদ এ ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার আগত অতিথিবৃন্দকে স্বাগত জানান। উপাচার্য আগত অতিথিকে নান্দনিক চবি ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার ব্যবস্থা করেছেন। আগত অতিথিবৃন্দ উপাচার্যের আন্তরিকতা ও ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যে অভিভূত হন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে গবেষণামূলক কার্যক্রম করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উস্ প্রাইমারি এন্ড হাইস্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও চবি রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন মিঝি, চবি এস্টেট শাখার প্রফেসর মোহাম্মদ মঞ্জুর মোর্শেদ, চবি শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন ও আল হেলাল আদর্শ ডিগ্রি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইদ্রিস।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রথমদিনেই ধানের শীষের জোয়ার দেখলেন আমীর খসরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচনি প্রচারের প্রথমদিনেই ধানের শীষের পক্ষে জোয়ার দেখলেন চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ১৭ বছর ধরে নেতাকর্মীদের ত্যাগের প্রতিদান হিসেবে জনগণ বিএনপির পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর কাট্টলীতে নিজ বাড়িতে বাবা প্রয়াত মাহমুদুন্নবী চৌধুরী ও মা প্রয়াত মেহেরুন্নেসা চৌধুরীর কবর জিয়ারত করে তিনি গণসংযোগে নামেন।
প্রথমদিনে আমীর খসরু চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের আওতাধীন নগরীর কদমতলী থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেন।

মাদারবাড়ি, ডিটি রোড, মাঝির ঘাট, আইস ফ্যাক্টরি রোড, নালাপাড়া এলাকায় তিনি পায়ে হেঁটে গণসংযোগ করেন। তিনি সামান্য হাঁটার পরই বিভিন্ন অলিগলি, মার্কেট, দোকানপাট থেকে লোকজন বেরিয়ে আসতে থাকেন। বিভিন্ন বাসার গেইটে দাঁড়িয়ে নারীরা হাতে নাড়েন। আমীর খসরুও হাত নেড়ে, আদাব-সালাম দিয়ে, কোলাকুলি করে লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আবেদন করেন।
গণসংযোগের মাঝে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘জনগণের ঢল নেমেছে রাস্তায়, ধানের শীষের জোয়ার শুরু হয়েছে। মানুষের এর জন্য অপেক্ষা করেছে।

সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হিসেবে বিএনপি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। এখন মানুষ বিএনপির ত্যাগের প্রতিদান দিচ্ছে, জনগণ বিএনপির পাশে দাঁড়িয়েছে। ১৬-১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা গুম, খুন, জেলখানায় নির্যাতনের শিকার হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যে ত্যাগ‌ তার প্রতিদান বাংলাদেশের মানুষ আজ দিচ্ছে। যেখানেই যাচ্ছি, মানুষ উজাড় করে ভালোবাসা দিচ্ছে।


মানুষের আস্থা একমাত্র বিএনপির ওপর। আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্ন একমাত্র বিএনপিই পূরণ করতে পারবে। তাই মানুষ বিএনপির পাশে দাঁড়িয়েছে এবং নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। জনগণই ঠিক করবে দেশ কোন দিকে যাবে। তার মালিকানা হবে ভোটের মাধ্যমে, প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে। যে সরকার তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহিতা থাকবে তাদের প্রত্যাশা পূরণ করবে তাদেরকে জনগণ নির্বাচিত করবে।

গণতন্ত্রের যুদ্ধে জয়ী হতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সকল নাগরিক আজ আনন্দিত। কারণ, তারা তাদের মালিকানা ফিরে পেয়েছেন। তারা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন এবং প্রত্যাশিত প্রতীকে ভোট দিতে পারবেন। দেশের মানুষ যে স্বপ্ন দেখছে, তারা মনে করছে বিএনপির মাধ্যমে তা পূরণ করতে পারবে। জনগণের সঙ্গে বিএনপির আস্থার যে রাজনীতি, গণতন্ত্র ও বিএনপি একসঙ্গে মিশে গেছে। তাদের আলাদা করা যাবে না।’


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম, শওকত আজম খাজা, সদস্য মো. সালাউদ্দিন, মশিউল আলম স্বপন, জয়নাল আবেদীন, কাউসার হোসেন বাবু, খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ জাহেদ, কামরুন নাহার লিজা, মোহাম্মদ ইলিয়াস, আজিজুর রহমান বাদল, তসলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহজাহান, জামাল উদ্দিন জসিম, জিয়াউর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে : সেনাপ্রধান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতির প্রত্যাশিত অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে বলে জানালেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর উপস্থিতিতে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার মতবিনিময় সভায় সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি দায়িত্ব পালনে সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও কার্যকর কো-অর্ডিনেশনের মাধ্যমে কাজ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেন।

মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ এর চট্টগ্রাম জেলার সার্বিক প্রস্তুতি ও চ্যালেঞ্জসমূহ নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। এ সময় সেনাপ্রধান চট্টগ্রামের সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ, পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।
এছাড়াও সভায় তিন পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ বিভাগীয়, জেলা প্রশাসন এবং সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ