আজঃ বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬

উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আলী আশরাফ এর বিদায় সংবর্ধনা।

‎মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী স্টাফ রিপোর্টার,‎সিরাজগঞ্জ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


‎সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজের সুযোগ্য অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আলী আশরাফ এর শেষ কর্ম দিবসে অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্র কলেজ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন অত্র কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ ভূঁঞা। অনুষ্ঠানে মানপত্র পাঠ করেছেন রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ রাশিদুল হাসান।

শিক্ষক পরিষদের পক্ষ হতে বিদায়ী কর্মকর্তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বিদায়ী কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা, সততা, প্রজ্ঞা, মহানুভবতা, দূরদর্শিতা ও কর্ম নিষ্ঠার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছিলেন। একসাথে কাজ করার স্মৃতিচারণকালে উপস্থিত সকলে আবেগপ্লুত হয়েছে। সকলের ভালবাসায় সিক্ত বিদায়ী কর্মকর্তা অতিথি, শিক্ষক-কর্মকর্তা,  কর্মচারী, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্টসহ কলেজের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মহীদুল ইসলাম, ইসলামিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শরিফ-উস সাঈদ, রাশিদাজ্জোহা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুলতানা সালমা হোসেন, শাহজাদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, সরকারি জাহেদ সফির মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফাহিমা সুলতান (আমার সহধর্মিণী) বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ এস আই এম এ রাজ্জাক,সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আসাবুল হক,সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ সাইদুর রহমান স্যার, হামিদা স্কুল এবং কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলাম বিজ্ঞান কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মোক্তার হোসেন,উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ খালিদ হোসেন,উপাধ্যক্ষ মোঃ ইয়াছিন আলী,অত্র কলেজের শিক্ষক-কর্মকর্তা,

কর্মচারীসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এসময়ে বিদায়ী কর্মকর্তা মোঃ আলী আশরাফ বলেছেন, ‘আমি সন্মানের সাথে বিদায় সংবর্ধনা গ্রহণ করতে পেরেছি এতে মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। তিনি আরো বলেছেন পরর্বতী দিনে যে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন আমি চাই আমার এই ধারাবাহিকতা যেন চলামান রাখে তাহলে সামনের দিনে এ প্রতিষ্ঠান আরো এগিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চোখের নীরব ঘাতক রোগ গ্লুুকোমা : সিইআইটিসিতে র‌্যালী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চোখের নীরব ঘাতক রোগ গ্লুুকোমা : সিইআইটিসিতে র‌্যাল

ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: “একসাথে হাত ধরি, গ্লুকোমা মুক্ত বিশ্ব গড়ি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ-২০২৬’ উদ্যাপন করছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার পাহাড়তলীস্থ হাসপাতাল প্রাঙ্গনে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় র‌্যালীর উদ্বোধন করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ এম অহিদুল আলম। তিনি বলেন, গ্লুুকোমা চোখের নীরব ঘাতক রোগ। বিরাট জনগোষ্ঠী গ্লুুকোমা রোগের নামই শোনেননি। গ্লুকোমা চোখের এমন একটি জটিল রোগ, ধীরে ধীরে দৃষ্টি কমে যায়। এমনকি এক সময় রোগী অন্ধত্ববরণ করতে বাধ্য হয়। সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা না নিলে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি থাকে। তাই গ্লুকোমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন. আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী, চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, প্রফেসর ডা. জেসমিন আহমেদ, কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর, এসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. মো. দস্তগীর হোসেন, ডা. কাজী তাহমিনা আক্তার. ডা. ফারজানা আক্তার চৌধুরী, ডা. এ এস এম মাহাবুবুল আলম, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া,ডা. সুইটি বড়ুয়া, ডা. আমিনুর রহমান, ডা. শেলী বিশ্বাস, ডা. মো. ইফতেখার শামীম, ডা. মৌসুমী চৌধুরী প্রমূখ।

এর আগে সকাল ৮টায় ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ উপলক্ষে হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে চোখের গ্লুকোমা নির্ণয় ও প্রতিরোধের বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন, ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ এম অহিদুল আলম, মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন. আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী, চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, এসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. মো. দস্তগীর হোসেন প্রমূখ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাসপাতালের ডিপার্টমেন্ট অব গ্লুকোমা বিভাগের প্রধান কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর। সেমিনারে বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের দ্বিতীয় কারণ মারাত্মক দৃষ্টিনাশী রোগ গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত চোখ পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়। শতকরা ৫০ জন লোক জানেন না তার গ্লুকোমা রোগ আছে। বিশেষ করে উপসর্গ থাকে না বলে বেশিরভাগ গ্লুকোমা রোগীই বুঝতে পারেন না এর উপস্থিতি। তুষের আগুনের মতো ভেতরে ভেতরে নষ্ট করে দেয় স্নায়ুতন্ত্র। বেশিরভাগ গ্লুকোমা রোগী আসেন অন্ধত্বের কাছাকাছি সময়ে। তখন বেশি কিছু করার থাকে না। প্রাথমিক পর্যায়ে গ্লুকোমা শনাক্ত করা গেলে অন্ধত্বের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

নীরবে চোখকে অন্ধত্বের দিকে নিয়ে যায় বলে গ্লুকোমাকে নীরব ঘাতক বা ‘সাইলেন্ট কিলার’ উল্লেখ করে সেমিনারে আরো বলা হয়, গ্লুকোমা রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব; কিন্তু নিরাময় করা সম্ভব নয়। ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ রোগীর মতো সুনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং নিয়মিত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলে গ্লুকোমা রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। গ্লুুুকোমা রোগ সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদেরও ভূমিকা পালন করতে হবে। এছাড়া সাপ্তাহব্যাপী কর্মসূচীতে হাসপাতালের চিকিৎসকরা আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের গ্লুুকোমা রোগ সম্পর্কে অবগত করছেন।

কুমিরা-গুপ্তছড়া নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ : জ্বালানি সংকট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকটের কারণে চট্টগ্রামের কুমিরা ও সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে কয়েকটি পরিবহন প্রতিষ্ঠান। তবে যাত্রীদের যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ না রাখতে বিকল্প হিসেবে সার্ভিস বোট চলাচল অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।স্পিডবোট চালকেরা জানান, যেখানে আমাদের দৈনিক ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার লিটার তেল লাগে সেখানে এখন দিচ্ছে মাত্র ৫০০ থেকে ৬০০ লিটার। এ তেল দিয়ে কুমিরা-গুপ্তছড়া নৌরুটে স্পিডবোট চালানো সম্ভব না।

স্পিডবোট চলাচলকারী প্রতিষ্ঠান আদিল এন্টারপ্রাইজ জানায়, দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ কমে যাওয়ায় অকটেন ও ডিজেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে কুমিরা-গুপ্তছড়া নৌরুটে চলাচলকারী স্পিডবোট সার্ভিসে। জ্বালানির স্বল্পতার কারণে স্পিডবোট পরিচালনা করা সম্ভব না হওয়ায় আদিল এন্টারপ্রাইজ আপাতত এ রুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।ঘাট ইজারাদার জগলুল হোসেন নয়ন বলেন, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ খুবই কম।তাই বেশ কয়েকটি স্পিডবোট প্রতিষ্ঠান বোট চালানো বন্ধ রেখেছেন।

তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দ্রুতই স্পিডবোট সার্ভিস চালু করা হবে।স্পিডবোট চলাচলকারী অন্য প্রতিষ্ঠান মেরিন সার্ভিসেস লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানায়, স্পিডবোটগুলো ডকে থাকায় ইতোমধ্যে তাদের সার্ভিস বন্ধ রয়েছে। এরকম তেল সংকট।সংকট কেটে গেলে সার্ভিস স্বাভাবিক হবে।

এ রুটে চলাচলরত যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, হঠাৎ করে স্পিডবোট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করে স্পিডবোট চালু করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান তারা।তবে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে পুনরায় এ নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল শুরু করা হবে বলছে কর্তৃপক্ষ।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম নগরে ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যে এই নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করে প্রমাণ করেছে যে, নেতৃত্ব ঠিক থাকলে সব সম্ভব। ফ্যামিলি কার্ড একটি স্মার্ট কার্ড। ভবিষ্যতে জাতীয় সব সুযোগ-সুবিধা এই কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া হবে।

এছাড়া কৃষকদের কল্যাণে ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মওকুফ এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি কার্ডের মতো আরও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এয়ারপোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম নগরের ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারীর হাতে এই কার্ড তুলে দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

আমির খসরু বলেন, আমাদের সীমিত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আমরা এই ঝুঁকি নিয়েছি। এই কার্ড বিতরণে কোনো দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি। সরকারি কর্মকর্তারা নির্দ্বিধায় ও স্বাধীনভাবে কাজ করে হতদরিদ্রদের খুঁজে বের করেছেন।

তিনি বলেন, পরিবারের নারী প্রধানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী না করলে আগামীর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মহিলারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবারের সব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের এই সেবার যথাযথ মূল্যায়ন আগে কখনো হয়নি। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে মূল্যায়নের জন্য গৃহকর্তীদের বেছে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ২ হাজার ৫০০ টাকা পৌঁছে যাচ্ছে, যা তাদের হাতে একটি অর্থনৈতিক শক্তি তৈরি করবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ