আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

চান্দগাঁও থানার নতুন দুই মামলায় গ্রেফতার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেফতার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আদেশ দিয়েছেন আদালত। চান্দগাঁও থানার নতুন দুই মামলায় সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা আদালত এ আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সংশ্লিষ্ট মামলায় দুই মামলায় সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় আসামিরা কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
এর আগে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ এবং তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নার বিরুদ্ধে দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নগরের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলায় শহীদ ফজলে রাব্বী নিহত হন। এ ছাড়া নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর বাড়ির সামনে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রী তামান্নার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

এসব মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফজলে রাব্বী হত্যা মামলায় খোরশেদ নামের আরও এক আসামিকেও গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। বর্তমানে সাজ্জাদ সিলেট কারাগারে এবং তামান্না ফেনী কারাগারে বন্দী আছেন। গত ১৫ মার্চ ঢাকা থেকে ‘ছোট সাজ্জাদকে’ গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পরে তার স্ত্রী তামান্না ‘কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়ে আদালত ও জামিন’ কিনে নেওয়ার কথা বলে দেশের আইন ও নিরাপত্তা সংস্থাকে অপমান করেন। তার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) ভাইরাল হয়।

ভিডিওটিতে তামান্নাকে বলতে শোনা যায়, আমরা কাঁড়ি কাঁড়ি, বান্ডিল বান্ডিল টাকা ছেড়ে আমার জামাইকে নিয়ে আসব। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’ গত ১০ মে নগরের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ‘ছোট সাজ্জাদের’ স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই শহরের পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি:চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঈদ উপহার বিতরণকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মহানগরের কাজীর দেউরি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই উপহার হস্তান্তর করেন মেয়র। এবার চসিকের মোট ৩ হাজার ২৭০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার পাচ্ছেন। এর আগে গত রোববার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ঈদ উপহারের অর্থের চেক সংশ্লিষ্ট মেয়র ও প্রশাসকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই একটি শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি। তারা দিন রাত পরিশ্রম করে, রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে নগরবাসীর জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করেন।

তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রদত্ত এই ঈদ উপহার একটি মানবিক উদ্যোগ, যা কর্মীদের মনোবল আরও বাড়াবে।তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল কাজ, যার উপর পুরো নগরের ভাবমূর্তি নির্ভর করে।
মেয়র আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে পরিবর্তন এনে রাতের বেলায় ময়লা অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যার ফলে শহরের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা অনেকটাই উন্নত হয়েছে। তবে এখনও কিছু ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে ময়লা পরিবহনের সময় রাস্তায় বর্জ্য পড়ে যাওয়া, যানবাহন দ্রুত চালানোর কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

মেয়র পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সুরক্ষার জন্য প্রদত্ত ইউনিফর্ম ও সুরক্ষা সামগ্রী নিয়মিত ব্যবহার করার আহ্বান জানান। মেয়র বলেন, এই সরঞ্জামগুলো আপনাদের নিরাপত্তার জন্যই দেয়া হয়েছে। এগুলো ব্যবহার করলে যেমন আপনাদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, তেমনি নগরের ভাবমূর্তিও উন্নত হবে। মেয়র নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে চসিক বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বর্জ্য থেকে সম্পদ উৎপাদনের লক্ষ্যে রিসাইক্লিং, বায়োগ্যাস, গ্রিন ডিজেল এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত দেশগুলো বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করছে, আর আমাদের দেশে এখনো অনেকেই অনিয়মভাবে বর্জ্য ফেলছেন, যা জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ।তিনি জানান, বাসা থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহের একটি উদ্যোগ নেওয়া হলেও নাগরিকদের আর্থিক আপত্তির কারণে তা বন্ধ করা হয়েছে। এখন থেকে চসিক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

মেয়র পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই শহর আমাদের সবার। আপনারা যদি আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেন, তাহলে চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা প্রমূখ।

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার ইফতার মাহফিল ও “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য এবং “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক এক আলোচনা সভা শনিবার ১৪ মার্চ বিকেল ৪টায় নগরীর মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুর নাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পত্রিকার উপদেষ্টা ও টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্ধারিত প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: মঞ্জুরুল কিবরিয়া।

নগরীতে একাধিক ইফতার মাহফিল ও তীব্র যানজটের অনিবার্য কারণে নির্ধারিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত হতে না পারায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর কার্যকরী সভাপতি আলহাজ্ব শাহসূফি শাহজাদা সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী গোলাপ রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন উদ্যোক্তা, গবেষক ও সংগঠক সিআরবির সমন্বয়ক জিয়াউল হক খন্দকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা বলেন, মাহে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার মাস। এই মাস মানুষের ভেতরের নৈতিক শক্তিকে জাগ্রত করে এবং সমাজে ন্যায়, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক রাজধানীর দাবিটি অনেক সময় কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। এখন সময় এসেছে বাস্তব উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করার।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নতির মাধ্যমে নগরীর অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অত্র সংগঠন ব্যবসায়ী সমাজের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার সম্পাদক ও দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার বোয়ালখালী প্রতিনিধি আলমগীর রানার সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আবদুল্লাহ মজুমদার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক সোনার বাংলার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ইমরান হোসেন। দৈনিক বর্তমান বাংলার প্রধান সমন্বয়কারী সিরাজুল মনির। মানবাধিকারকর্মী শাহজালাল।
উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দেশবার্তার ব্যুরোচীফ মো: আনিসুর রহমান ফরহাদ, দৈনিক ঘোষণার বিশেষ প্রতিনিধি এস এম সামজাত, সূফি কথার বার্তা সম্পাদক আল সিরাজ ভাণ্ডারী, হাফিজুল মোর্শেদ, মো: রাশেদ, আলমগীর, আবুল বাশার, আবদুল্লাহ আল হাবিব, মো: রানা, শাফায়েত উদ্দিন, মো: নাছির, নুরুল আবসার, আবদুল মাবুদ, সুমাইয়া, জান্নাতুল ফেরদৌস, মো; সাঈদ, মো: ইভান প্রমুখ।

পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন লেখক ও গবেষক এস এম ওসমান। নাতে রাসুল(দ:) পরিবেশন করেন এইচ এম নিজামুদ্দীন চৌধুরী আলিফ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আদনান লাভলু, আরফাত শাওন, আবিদুর মাহিন, নিজামুদ্দিন আলিফ, আতিকুর আবির প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের আমদানি-রপ্তানির বড় অংশই এই নগরীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই “বাণিজ্যিক রাজধানী” শব্দটি যেন শুধু স্লোগান না হয়ে বাস্তবে রূপ পায়, সে লক্ষ্যে সরকার, সিটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়ী সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, মাহে রমজান আমাদের সংযম, সততা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই শিক্ষাকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারলে সমাজে ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও সততা ও নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সমাজে নৈতিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভা শেষে দেশ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া, মোনাজাত ও ইফতারের আয়োজন করা হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ