আজঃ মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের বাসভবনে ইট পাটকেল নিক্ষেপ, গ্রেফতার -১২।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার ড. রাজীব রঞ্জনের বাসভবনে হামলার চেষ্টা করেছে একদল লোক। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ এক আন্দোলনকারী আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার ১৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং হাই কমিশনারের সাথে সাক্ষাৎ করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ।তিনি গণমাধ্যমকে জানান, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার বাসভবনে ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা বাসভবন লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযান চালিয়ে এই ঘটনায় জড়িত ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলার নবযাত্রা, জাহাজ বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নতুন সংযোজন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)এর বহরে যুক্ত হয়েছে এমভি ‘বাংলার নবযাত্রা’। জাহাজটি পূর্বে এক্সসিএল লায়ন (XCL LION) নামে পরিচিত ছিল।বিএসসি সূত্রে জানা যায় , চীনের তৈরি
জাহাজটির ক্লোজিং প্রোগ্রাম বিক্রেতা পক্ষের আইন প্রতিষ্ঠান স্টিভেনসন হারউড এর কার্যালয়ে শুরু হয়।

বিএসসি জানায়, জাহাজটির ডেলিভারি গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চীনের জিংজিয়াং-এর নানইয়াং শিপইয়ার্ডে সম্পন্ন হয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার মাধ্যমে বর্তমানে জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানায় এসেছে।এ বিষয়ে বিএসসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন-আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন। ‘বাংলার নবযাত্রা’ আমাদের বহরে যুক্ত হওয়ায় বিএসসির সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আমূল পরিবর্তন চট্টগ্রাম বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রমে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও দূরদর্শী পরিকল্পনায় ড্রেজিং কার্যক্রমে এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সকলের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সরাসরি হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের তত্ত্বাবধানে কর্ণফুলী নদীর মোহনা হতে বন্দর সীমানার অন্তর্গত প্রধান জেটি এবং কালুরঘাট পর্যন্ত নেভিগেশনাল চ্যানেলে ও বন্দর সীমার অন্যান্য চ্যানেলে নাব্যতা রক্ষায় এখন এক সাশ্রয়ী ও কার্যকর মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।


বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও চবক এর যৌথ হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ কার্য পরিচালনা করতঃ সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। কর্তৃপক্ষের এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ড্রেজিং খাতের ব্যয় অতীতের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা সংস্থার আর্থিক সাশ্রয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত এই ড্রেজিং কার্যক্রমে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে দক্ষ ঠিকাদার নিয়োগ নিশ্চিত করে ড্রেজিংয়ের কাজগুলোকে ছোট ছোট পরিকল্পিত অংশে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও কাজের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়ায় ঠিকাদাররা অনেক বেশি দায়বদ্ধতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে পারছে। বাস্তবসম্মত ব্যয় নির্ধারণ এবং আধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থার ফলে অতীতে ড্রেজিং খাতে যে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রবণতা ছিল, তা কমানো সম্ভব হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর প্রশাসনিক তদারকি এই সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। চবক-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে নিয়মিত তদারকির ফলে ড্রেজিংয়ের প্রকৃত পরিমাণ ও মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই কৌশলী উদ্যোগের ফলে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ নৌ-চ্যানেলগুলোতে প্রয়োজনীয় নাব্যতা সার্বক্ষণিক বজায় থাকছে, যার ফলে বড় আকৃতির বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখন অনেক বেশি নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে বন্দরে যাতায়াত করতে পারছে।

এর ফলে বন্দরের পণ্য খালাস ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌ-রুটে চট্টগ্রাম বন্দরের বিশ্বস্থতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।ড্রেজিং খাতে সাশ্রয় হওয়া এই বিপুল অর্থ এখন বন্দরের অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে।

যথাযথ তদারকির ফলে ঠিকাদার-নির্ভর ড্রেজিং কার্যক্রমে এই ধরনের আর্থিক শৃঙ্খলা ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শুধুমাত্র বন্দরের অভ্যন্তরীণ ভিত্তিকেই শক্তিশালী করেনি, বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের এই ধারা বজায় রেখে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এই প্রধান প্রবেশদ্বারকে বিশ্বমানের আধুনিক বন্দরে রূপান্তর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ