বাংলাদেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। শুক্রবার ১৯ ডিসেম্বর দূতাবাসের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়।
Oplus_131072
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বন্দর আব্বাসে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণে আটতলা একটি ভবন ধসে পড়েছে ।শনিবার ১ জানুয়ারি স্থানীয় সময় সকালে শহরের মোয়াল্লেম বুলেভার্ড এলাকায় অবস্থিত এই বহুতল ভবনে বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ভবনটির অন্তত দুটি তলা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া আশেপাশের বেশ কিছু দোকান এবং রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক যানবাহন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিস্ফোরণের পরপরই উদ্ধারকারী দল এবং অগ্নিনির্বাপণ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে আছে কি না, তা নিশ্চিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের আনুষ্ঠানিক সংখ্যা বা বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। বর্তমানে পুরো এলাকাটি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রেখেছে এবং জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।তবে আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ এবং গুজব বলে নাকচ করে দিয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি কোনো গ্যাস সিলিন্ডার দুর্ঘটনা নাকি কোনো ধরণের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, তা নিশ্চিত হতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।
পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)এর বহরে যুক্ত হয়েছে এমভি ‘বাংলার নবযাত্রা’। জাহাজটি পূর্বে এক্সসিএল লায়ন (XCL LION) নামে পরিচিত ছিল।বিএসসি সূত্রে জানা যায় , চীনের তৈরি
জাহাজটির ক্লোজিং প্রোগ্রাম বিক্রেতা পক্ষের আইন প্রতিষ্ঠান স্টিভেনসন হারউড এর কার্যালয়ে শুরু হয়।
বিএসসি জানায়, জাহাজটির ডেলিভারি গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চীনের জিংজিয়াং-এর নানইয়াং শিপইয়ার্ডে সম্পন্ন হয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার মাধ্যমে বর্তমানে জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানায় এসেছে।এ বিষয়ে বিএসসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন-আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন। ‘বাংলার নবযাত্রা’ আমাদের বহরে যুক্ত হওয়ায় বিএসসির সক্ষমতা আরও বাড়বে।