আজঃ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

কূটনীতিক রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা সংক্রান্ত কোনো চুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান – ডিপি ওয়ার্ল্ডের পক্ষ থেকে কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছে। তবে সরকারের হাতে এখন মাত্র দুইটি কার্যদিবস বাকি রয়েছে। এই সীমিত সময়ের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব নয় বলেই বিষয়টি এ পর্যায়ে এগোচ্ছে না।

ভোটাররা চারটি পদ্ধতিতে নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণভোট ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্র জানার সহজ পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্ভুলভাবে ও দ্রুত পৌঁছে দিতে অ্যাপ, হটলাইন, এসএমএস ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- ভোটাররা নিম্নোক্ত চারটি পদ্ধতির যেকোনো একটি ব্যবহার করে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানতে পারবেন—

১. স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা Play Store বা App Store থেকে ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপ ডাউনলোড করে তথ্য জানতে পারবেন। অ্যাপটি ইনস্টল করার পর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ নির্বাচন করে ‘ভোট কেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রদান করলে ভোটার নম্বর, ক্রমিক নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা দেখা যাবে।

২. হটলাইন সেবা যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে সরাসরি ১০৫ নম্বরে কল করে অপারেটরের মাধ্যমে তথ্য জানা যাবে। কল করার পর অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ চাপতে হবে। এ সময় এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ জানাতে হবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এই সেবা চালু থাকবে।

৩. এসএমএস পদ্ধতি মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC <স্পেস> NID নম্বর এই ফরম্যাটে লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে সংশ্লিষ্ট ভোটারের ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানিয়ে দেওয়া হবে।

৪. নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে ecs.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনুতে ক্লিক করতে হবে। এখানে নির্বাচনি এলাকা ও উপজেলা নির্বাচন করে কেন্দ্রের তালিকা দেখা যাবে। পাশাপাশি এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে ব্যক্তিগত ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে।
নির্বাচন কমিশন ভোটারদের আগেভাগে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ