আজঃ বুধবার ৪ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তন আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড-আকবরশাহ) আসনে বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী কাজী সালাউদ্দিনের পরিবর্তে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসিএ চুড়ান্ত হয়েছে। রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শেষদিনের বৈঠকে এ আসনে বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী কাজী সালাউদ্দিনের পরিবর্তে ডাকা হয়েছে লায়ন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীকে। বৈঠকে ডাকার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড-আকবরশাহ) আসনে বিএনপির লায়ন আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন চূড়ান্ত হলো বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে বিএনপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালি দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নানা দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

সাংগঠনিক সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড-আকবরশাহ) আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তন হয়েছে। এ আসনে গত ৩ নভেম্বর প্রথম দফায় ঘোষিত বিএনপির প্রার্থী কাজী সালাউদ্দিনের পরিবর্তে এবার লায়ন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে দল।
এদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসিএ এর পক্ষে রিটার্নিং কমকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছে নেতৃবৃন্দরা। রোববার সকালে

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে আসলাম চৌধুরীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ডাঃ কমল কদর, মোঃ জহুরুল আলম জহুর, মোহাম্মদ মোরসালিন, জাকির হোসেন, সালেহ আহম্মদ সলু, আব্দুস সাত্তার সেলিম, মাইনুদ্দিন চৌধুরী, রেহান উদ্দিন প্রধান, রফিক আহম্মদ, মাহবুবুল আলম, মোহাম্মদ সেলিম, মোজাহের উদ্দিন আশরাফ, নুরুল আনোয়ার চেয়ারম্যান, ফজলুল করিম চৌধুরী, সাহাব উদ্দিন রাজু, সোলায়মান রাজ, হেলাল উদ্দিন বাবর, মোঃ সাহাব উদ্দিন, মোঃ ইব্রাহিম, এডভোকেট নাছিমা আক্তার ডলি, এডভোকেট আইনুল কামাল, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, অমলেন্দু কনক, আসলাম উদ্দিন, মোঃ জিয়া উদ্দিন, মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন, মোঃ শাহেদ, মোঃ ইসমাইল, মোঃ কামরুল ইসলাম বাবলু প্রমূখ।

এ সময় নেতৃবন্দ উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আসলাম চৌধুরী সীতাকুন্ড তথা চট্টগ্রাম-৪ আসনের মাঠি ও মানুষের জনপ্রিয় নেতা। পরিচ্ছন্ন ও মানবিক মানুষ হিসেবে তিনি জনপ্রিয়তার অনন্য চূড়ায় অবস্থান করছেন। এ আসনের মানুষ তাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবে ইনশাল্লাহ। এখানে কোনো ভেদাভেদ বা কোন্দল নেই। সীতাকুন্ড তথা চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি আসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।

জানা গেছে, গত ৩ নভেম্বর প্রথম দফায় ২৩৬টি আসনে এবং ৪ ডিসেম্বর আরও ৩৬টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। ফলে মোট ২৭২টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দলটি। গত বুধবার থেকে ধারাবাহিকভাবে তিনদিন সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নানা দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। গত শনিবার ছিল এই বৈঠকের শেষদিন।

এদিকে, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং, ইপিজেড ও সদরঘাট) এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া-আংশিক) আসন দুটিতে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। দুই দফায় চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী ঘোষণা করলেও এ দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেয়নি দলটি। এ দুই আসনের প্রার্থিতা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। তাতে সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঘুম হারাম অবস্থা এখন। এ দুই নির্বাচনী আসনে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হতে পারে। তাতেই অপেক্ষা করছে চমকের। এ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। হিসাব মেলাতে ব্যস্তসময় পার করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারাও।

বিএনপির একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং, ইপিজেড ও সদরঘাট) আসনটি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নিজ আসন। তবে তিনি এবার মনোনয়ন পান চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী) আসনে। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছাড়াও চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের পুত্র তরুণ রাজনীতিবিদ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাঈদ আল নোমান এবং মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় বর্তমানে চট্টগ্রাম-১১ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেন দুই বিএনপি নেতা। তারা হলেন- বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু ও নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান। তাছাড়া চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া-আংশিক) আসনটি নিজেদের শরিক এলডিপিকে ছেড়ে দিতে পারে বিএনপি। এক্ষেত্রে এলডিপি’র প্রার্থী হতে পারেন দলটির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের পুত্র অধ্যাপক ওমর ফারুক।

তিনি এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য। এর আগে ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম নিজে আর নির্বাচন করবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাই বিএনপি আসনটি এলডিপিকে ছেড়ে দিলে সেখানে অধ্যাপক ওমর ফারুকের নির্বাচন করার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। তবে এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন বেশ কয়েকজন। তারা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মহসিন জিল্লুর করিম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এবং বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম রাহী সিআইপি।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুই দফায় ইতোপূর্বে বিএনপির ১৪ আসনের ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন- চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড-আকবরশাহ) কাজী সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও বায়েজিদ) ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও, বোয়ালখালী ও পাঁচলাইশ-আংশিক) এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী) আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) নাজমুল মোস্তাফা আমিন এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শর্টগান হাতে অসুস্থ কর্মীকে দেখতে গেলেন বিএনপি নেতা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক দলীয় কর্মীকে দেখতে গিয়ে হাতে শটগান নিয়ে উপস্থিত হওয়ায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের স্থানীয় বিএনপি নেতা আবু তাহের। অসুস্থ কর্মীর শিয়রে আগ্নেয়াস্ত্রসহ তার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নেতার দাবি, অস্ত্রটি তার লাইসেন্স করা বৈধ শটগান।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, সাদা জুব্বা ও টুপি পরা আবু তাহের অন্যদের সঙ্গে বসে আছেন এবং তার হাতে একটি লম্বা ব্যারেলের শটগান ধরা রয়েছে। অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা ছবি দেখে ধারণা করছেন, এটি একটি ‘পাম্প-অ্যাকশন’ শটগান, যার গঠনশৈলী ‘মসবার্গ ৫০০’ সিরিজ বা সমজাতীয় তুর্কি মডেলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সাধারণত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা পেশাদার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে থাকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সীতাকুণ্ডের সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নুর ছাফা সাবু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। তাকে দেখতে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তার বাড়িতে যান আবু তাহের। সেখানে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আবু তাহের সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীতাকুণ্ডের সৈয়দপুর ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর নির্বাচনী সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

গত রোববার রাতে ‘সাজিদ চৌধুরী’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছবিটি পোস্ট করার পর থেকেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও তা জনসমক্ষে প্রদর্শনের কোনো সুযোগ নেই। আত্মরক্ষার প্রয়োজনে অস্ত্র বহন করলেও তা সর্বদা দৃষ্টির আড়ালে রাখতে হয়। আগ্নেয়াস্ত্র আইন ও লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী, জনসমক্ষে অস্ত্র প্রদর্শন করলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করতে পারেন। এমনকি নিয়মবহির্ভূত এই আচরণের জন্য ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধানও রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে আবু তাহের বলেন, অস্ত্রটি সম্পূর্ণ বৈধ এবং নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে এটি সঙ্গে রাখা স্বাভাবিক বিষয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ছবি নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর জানান, ছবিটি তাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে আইনের কোনো ব্যত্যয় বা লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের প্রমাণ মিললে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে ওসি জানান।

সাংবাদিক নেতা আইয়ুব আলী আর নেই।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)-এর সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও ডেইলি ইন্ডাস্ট্রির চট্টগ্রাম ব্যুরো চীফ সাংবাদিক আইয়ুব আলী (৫৮) আর নেই। ইন্না-লিল্লাহে —-রাজেউন। সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাংবাদিকতা পেশায় সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী মো. আইয়ুব আলী দীর্ঘদিন সিইউজে’র সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে সংগঠনের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও সহমর্মী আচরণ সহকর্মীদের মাঝে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মরহুমের জানাজা নামাজ পটিয়া উপজেলার শোঠভদণ্ডী এলাকায় অবস্থিত আবহানা ইমতিয়াজ মোল্লা জামে মসজিদে আজ মঙ্গলবার ( ৩ মার্চ) বাদ যোহর অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে তিনি মা, বাবা, স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আইয়ুব আলী চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সর্বশেষ নির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ