আজঃ মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রথম আলো-ডেইলি স্টার-ছায়ানট ও উদীচি কার্যালয়ে হামলা, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নিন্দা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের কার্যালয় এবং ছায়ানট ও উদীচি-তে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব। সেই সঙ্গে ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবিলম্বে স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানানো হয়। শনিবার এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ বলেন,

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির অন্যতম নেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর শোকে জাতি যখন চরম দুঃখ-ভারাক্রান্ত, ক্ষোভে-বিক্ষোভে উত্তাল সাধারণ মানুষ; ঠিক এমন এক সময়ে গণমাধ্যমের ওপর হামলা করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি এবং দেশের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক পরিসরে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। গণমাধ্যমের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার এবং আইনের শাসনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ও সংবাদ মাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের পরেও যদি গণমাধ্যমের ওপর হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে জনগণের ভরসা কোথায়? নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহাসমাবেশ ২৫ জানুয়ারী ২১ বছর পর চট্টগ্রামে আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা। সমাবেশের প্রস্তুতির জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নগরীর মেহেদিবাগের বাসভবনে যৌথসভা আহ্বান করেছেন।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সভায় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।

নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন। প্রোগ্রামটা যদিও এখনো ফাইনালি সাজানো হয়নি। উনি কি বিমানে আসবেন না-কি সড়কপথে আসবেন, সেটা এখনো ফাইনাল হয়নি। তবে উনি ২৪ তারিখ রাতে চট্টগ্রামে অবস্থান করবেন, এটা ফাইনাল হয়েছে এবং ২৫ জানুয়ারি উনি সমাবেশ করবেন ইনশল্লাহ।

নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মঞ্চ স্থাপনের প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে। পলোগ্রাউন্ড ময়দানে গিয়ে মাঠের সার্বিক অবস্থা, মঞ্চ স্থাপন, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত বিষয় খতিয়ে দেখেন। একইসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা আসলে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এবং আনন্দিত। আমি যখন ২০১২ সালে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, আমরা একটা ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ এখানে (পলোগ্রাউন্ড) করেছিলাম। এটাই ছিল আক্ষরিক অর্থে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশ। এরপর আর সমাবেশ হয়নি। উনি ২০১৭ সালে আরেকবার এসেছিলেন, সেটা ছিল পথসভা, উনি সরাসরি রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়েছিলেন এবং দেখে চলে এসেছিলেন। পথে পথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ দেশনেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

এর আগে, আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, উনি চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশটা করেছিলেন লালদিঘীর ময়দানে ২০০৫ সালে মেয়র নির্বাচন উপলক্ষ্যে। ২১ বছর পার হয়ে গেছে। ২১ বছর পর উনি চট্টগ্রামে আসছেন। এখন চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক উন্মাদনা। এখানে শুধু আমাদের দলীয় নেতাকর্মী নয়, চট্টগ্রামের মানুষ উনাকে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। চট্টগ্রামবাসী উনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর উনি যখন ফিরলেন, তখন কিন্তু দেশের মানুষ বার্তা দিয়েছে যে উনাকে তারা কতটা ভালোবাসে। সেভাবে চট্টগ্রামের মানুষও একটা বার্তা উনাকে দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস। চট্টগ্রামবাসীও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন উনি কী বার্তা নিয়ে আসবেন। আমরা আশা করি জনসমাবেশটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

সমাবেশের সময় আমাদের ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বলা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে ১০টায় টাইম দেওয়া হচ্ছে, বাট সকাল থেকেই সবাই চলে আসবে। উনি হয়তো সমাবেশস্থলে আসতে সকাল ১১টা নাগাদ হতে পারে। আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, শুধু নেতাকর্মীদের নয়, আমি চট্টগ্রামবাসীকে আহ্বান জানাই, অত্যন্ত আনন্দমুখর পরিবেশে ফেস্টিভ মুডে উনাকে বরণ করে নেবেন। চট্টগ্রামকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে, দেশকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে অবশ্যই সেগুলো উনি বলবেন, একটা সুন্দর বার্তা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দেবেন।

আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোড দোকান মালিক সমবায় সমিতি’র নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ ২০২৬-২৮ শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১৯ জানুয়ারি সকাল ১০.০০ ঘটিকায় সি ইপিজেড ব্যারিস্টার কলেজ সংলগ্ন আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোডস্থ মাঠে অন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ রানা এর সভাপতিত্বে ও উপদেষ্টা বাবু শ্যামল বিশ্বাস এর সঞ্চালনায় হাফেজ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শপথ বাক্য পাঠ করান নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অন্তবর্তী কমিটির সদস্য প্রকাশ কান্তি দাশ।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রবিএ গীতা পাঠ করেছেন শ্রী আপেল দেবনাথ মহোদয় এবং প্রবিএ এিপিটক পাঠ করেছেন সন্জয় চাকমা।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন সভাপতি মোহাম্মদ কাউসার,সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি মো: আজাদ,সহ সাধারণ সম্পাদক অনিক দে,অর্থ সম্পাদক ইকবাল বাহার,সহ অর্থ সম্পাদক সুমন সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় কুমার দে, সমাজ ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রবিউল হক সুমন,প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মো: ইব্রাহীম, সদস্য দীপন চাকমা,আজিজ মিয়া।
উপদেষ্টা সদস্য হলেন – সাইফুল ইসলাম মিয়া,বাবু শ্যামল বিশ্বাস, হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন, স্বপন গোলদার,মনির হোসেন,আফজাল হোসেন।
এছাড়া উপ কমিটির সদস্য হলেন যারা,

মোহাম্মদ আবুল কাশেম,নাঈম উদ্দিন রানা,মোহাম্মদ হিরো, মোহাম্মদ নুর আলম,ইয়াছিন উদ্দিন, শাকিল বড়ুয়া।এতে উপস্থিত ছিলেন দোকান মালিক সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্যদের শুভেচ্ছা বক্তব্য, উপস্থিত সদস্যদের সাথে পরিচয় শেষে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ আব্দুর রহিম। তিনি ব্যবসায়ীদের একতা সততার উপর গুরুত্ব দিয়ে সংগঠন এর উন্নয়নে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন

সমিতির নিয়ম কানুন মেনে চলা, একে অপরের সহযোগী হিসেবে কাজ করা,রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে দিকে গুরুত্ব দিয়ে সকলকে সততার সঙ্গে ব্যবসায় পরিচালনা আহবান জানিয়ে ধৈর্য্য সহকারে অনুষ্ঠানে থাকায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সভাপতি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আলোচিত খবর

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সোমবার ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ