আজঃ সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে ছয় মাসে আড়াই হাজারেরও বেশি নিষিদ্ধ ক্রিম জব্দ, চর্মরোগের ঝুঁকি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে একের পর এক ঢুকছে নিষিদ্ধ ক্রীম। এসব নিষিদ্ধক্রীমগুলো মধ্যপ্রাচ্য হয়ে ঢুকছে চট্টগ্রামে।পাকিস্তানে তৈরি এসব ক্রিম পাঁচ বছর আগে ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেও প্রায়ই যাত্রীদের লাগেজ থেকে জব্দ করছে বিমানবন্দর কাস্টমস ও এনএসআই।

গত ছয় মাসে আড়াই হাজারেরও বেশি নিষিদ্ধ ক্রিম জব্দ করা হয়েছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিমাত্রায় পারদ থাকায় ত্বকের জন্য ক্ষতিকর এসব ক্রিম ‘লাগেজ পার্টি’র মাধ্যমে এনে গোপনে বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এতে করে মারাত্মক চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।সূত্র জানায়, গৌরী ক্রিম মূলত তৈরি হয় পাকিস্তানে। দুবাই হয়ে এই নিষিদ্ধ ক্রিম চট্টগ্রামে ঢুকছে। এরপর দেশে বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। আর এসবের নেপথ্যে রয়েছে দেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। আমদানি নিষিদ্ধ হওয়ায় ‘আকাশপথ’ ব্যবহার করে যাত্রীদের মাধ্যমে এসব ক্রিম আনা হচ্ছে।
এদিকে গত

এদিকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ২২ ডিসেম্বর রাত ১০টায় চার যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে ৫০ পিস নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম জব্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের কাছ থেকে ৮৬৭ কার্টন সিগারেটও জব্দ করা হয়। চার যাত্রী হলেন,রেজাউল করিম, মিজানুর রহমান, রিদওয়ানুল হক ও মো. সালাউদ্দিন। তারা দুবাই থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ওই রাত সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রামে পৌঁছান।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা। ওই চার যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ নভেম্বর সকালে কাস্টমস এনএসআই ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের যৌথ তল্লাশিতে দুই যাত্রীর ব্যাগ থেকে জব্দ করা হয় ২৫০ পিস গৌরী ক্রিম। মো. ফখরুল ইসলাম ও মো. আশরাফুল ইসলাম নামে দুই যাত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে চট্টগ্রামে আসেন। এচাড়া ৮ নভেম্বর সকালে দুবাইফেরত যাত্রীর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের কাছ থেকে ১২টি নিষিদ্ধ ক্রিম উদ্ধার করে এনএসআই ও শুল্ক গোয়েন্দা। অন্যদিকে ২০ জুলাই রাত সাড়ে ৯টায় দুই যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করে ব্যাগেজ নিয়ে গ্রিন চ্যানেল (শুল্ককরযুক্ত পণ্য না থাকলে এই পথে যাওয়া যায়) অতিক্রম করার সময় এনএসআই কর্মকর্তারা তাদের তল্লাশি করে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ হাজার ৭৬ পিস গৌরী ক্রিম জব্দ করা হয়। দুবাই থেকে আসা ও দুই ছিলেন ফেনী সদরের মো. আরিফুল ইসলাম এবং চট্টগ্রামের রাউজানের মোশাররফ হোসেন। তাদের পাসপোর্ট নম্বর নথিভুক্ত করে জরিমানা করা হয় এবং সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।১৮ জুন মধ্যপ্রাচ্যের ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এই দুই যাত্রী কাছ থেকে ১৪০ পিস গৌরী ক্রিম জব্দ করা হয়। ওই দুই যাত্রী ছিলেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মোহাম্মদ আবু নাসের এবং নগরের চাঁন্দগাও থানা এলাকার মিন্টু দেবনাথ।

জানা গেছে, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন’ (বিএসটিআই) ২০২০ সালে আটটি রং ফর্সাকারী ক্রিমে ক্ষতিকর মাত্রায় পারদ ও হাইড্রোকুইনোন পায়। এসব প্রসাধনী ব্যবহার করলে চর্মরোগসহ নানা জটিল রোগ হতে পারে, এমন সতর্কতা জারি করে সেগুলো বিক্রি, বিপণন ও আমদানিনিষিদ্ধ করে সংস্থাটি। এই আটটি ক্রিমের একটি হলো ‘গৌরী ক্রিম’ ও ’ডিউ ক্রিম’ অন্যতম।

এরপর ২০২৩ সালের নিষিদ্ধের তালিকায় যোগ হয় আরও ১০টি ক্রিম। নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে, পাকিস্তানের গৌরী কসমেটিকসের (প্রা.) ‘গৌরী ক্রিম’, এসজে এন্টারপ্রাইজের ‘চাঁদনী ক্রিম’, কিউসি ইন্টারন্যাশনালের ‘নিউ ফেস’, ক্রিয়েটিভ কসমেটিকসের ‘ডিউ’, নুর গোল্ড কসমেটিকসের ‘নুর হারবাল বিউটি ক্রিম’, নুর গোল্ড কসমেটিকসের ‘নুর গোল্ড বিউটি ক্রিম’, গোল্ডেন পার্ল কোম্পানির ‘গোল্ডেন পার্ল ক্রিম’, হোয়াইট পার্ল কসমেটিকস ইন্টারন্যাশনালের ‘হোয়াইট পার্ল ক্রিম’, পুনিয়া ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেডের ‘ফাইজা ক্রিম’, লোয়া ইন্টারন্যাশনালের ‘পাক্স’ ও ‘নাভিয়া ক্রিম’, লাইফ কসমেটিকসের ‘ফ্রেশ অ্যান্ড হোয়াইট ক্রিম’, ফেস লিফট কসমেটিকসের ‘ফেস লিফট ক্রিম’, শাহিন কসমেটিকসের ‘ফেস ফ্রেশ ক্রিম’ ও আনিজা কসমেটিকসের ‘আনিজা গোল্ড’।

বিএসটিআইয়ের ল্যাব পরীক্ষায় পাওয়া গেছে, গৌরি ক্রিমে পারদের পরিমাণ ৭৫৫.৮৫ পিপিএম—যেখানে গ্রহণযোগ্য মাত্রা মাত্র ১ পিপিএম! শুধু গৌরি নয়, বাজারের আরও সাতটি ব্র্যান্ডেও পাওয়া গেছে বিপজ্জনক মাত্রার পারদ ও হাইড্রোকুইনোন। তাই এসব ক্রিম আমদানি ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বিএসটিআই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুপক্ষের মধ্যে সংঘাতের আশংকা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিরসরাইয়ে পাশ্ববর্তি জমি দখল করে ভবন নির্মান ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিরসরাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাশ্ববর্তি জমির একাংশ দখল করে ভবন নির্মানের অভিযোগ গনমাধ্যমকর্মীদের জানান জনৈক ভুক্তভোগী । পৌরসভার এস রহমান স্কুল রোডে এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘাতের আশংকা ও উত্তেজনা পরিলক্ষিত হয়। ভুক্তভোগী নিজাম উদ্দিন ( ৫২) গনমাধ্যমকর্মীদের জানান তাঁর বিএস ২৪১৭ নং খতিয়ান হতে ৫ শতাংশ জমি তিনি মাহবুবুল আলম ( ৪০) এর কাছে বিক্রি করেছিলেন। কয়েক মাস পূর্বে তিনি হজ্বে থাকাকালীন সময় উক্ত ব্যক্তি মাপজোকের সীমানা পিলার ফেলে দিয়ে

আমার অবশিষ্ট জায়গার বৃহৎ অংশ দখল করে ফাউন্ডেশান দিয়ে ঘর নির্মান শুরু করে। আমি এসে বিষয়টি দেখতে পেয়ে মাপজোক করে সমাধানের প্রস্তাব দিলে তিনি মাফ জোক করে আমার জমির মূল্য পরিশোধ না করে আবারো জোরপূর্বক ২য়তলার ও ছাদ দিয়ে ফেলে। অবশেষে আমি চট্টগ্রাম জর্জকোর্টের অতিরিক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে এই বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থার আবেদন করিলে আদালত মিরসরাই থানার মাধ্যমে গত ৬ জানুয়ারী থেকে উক্ত স্থানে ১৪৫ধারা জারি করে স্থিতিঅবস্থার নির্দেশ দেয় । কিন্তু এরপরও উক্ত ব্যক্তি আরো দ্রুত নির্মান কাজ অব্যাহত রাখে।

গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী ) রাতে এবার তড়িঘড়ি করে ৩ তলার ছাদ দিয়ে ফেলে। এই বিষয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন স্বীকার করছি আমার অনুপস্থিতিতে কিছু জায়গা এদিকে বেশী চলে এসেছে। আমি সকলের বিচারে এখন মূল্য দিয়ে দিতে চাই। তবে ভুক্তভোগি নিজাম উদ্দিন জানান তিনি দাম দিবেন বলে ও দিচ্ছেননা বৈঠকেও বসছেন না জোরপূর্বক দখল করতে চাইছেন আমার জমি।
এদিকে এই বিষয়ে আশেপাশের কয়েকজন প্রত্যক্ষর্শী জানান উক্ত জমি ও নির্মান কাজ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ পরিলক্ষিত হচ্ছে যা থেকে বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা রয়েছে।

এই বিষয়ে উক্ত উক্ত অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা মিরসরাই থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই শাহিন আহমেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা উভয় পক্ষকে শান্ত থেকে সমাধান করার জন্য এবং সমাধান পর্যন্ত চলমান কাজ না করার নির্দেশনা দিয়েছি। আবার আদালতের নির্দেশনায় স্থিতি ও শান্তি শৃংখলা রক্ষার চেষ্টা করছি।

এনসিপি কর্মীর ওপর হামলা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। চন্দনাইশ উপজেলায় জাতীয় এনসিপির দুই নেতাকর্মীর ওপর হামলার অভিযোগে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তারা বিক্ষোভ করে।

বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপি এ হামলার জন্য চন্দনাইশে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ ও তার অনুসারীদের দায়ী করেছে।এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, গত ১৬ জানুয়ারি রাতে উপজেলার বদুরপাড়া এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আহত অবস্থায় দুই নেতাকে গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ও দলের কর্মী মঈন উদ্দীন মাহিন।

হাসপাতালে এনসিপির নেতাকর্মীরা পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তারা পটিয়া থেকে চন্দনাইশে তাদের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে ১০-১২ জনের একদল দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলাকারীরা তাদের মুখ চেপে ধরে ছুরিকাঘাত ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।

এনসিপি নেতাকর্মীরা এই ঘটনার জন্য বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদকে দায়ী করেছেন। ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন আহমেদ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকার এবং তৎকালীন একজন আইজিপির ঘনিষ্ঠ হিসেবে চট্টগ্রামে আলোচিত ছিলেন। ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের একাংশের ‘সমর্থনে’ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

গত ১৩ জানুয়ারি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলন করে জসিমকে ‘খুনি ও স্বৈরাচারের দোসর’ উল্লেখ করে তার প্রার্থীতা বাতিলের দাবি করে। এদিকে হামলার প্রতিবাদে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজের সামনে এনসিপির নেতাকর্মীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় প্রায় আধা ঘণ্টা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইলিয়াছ খান বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে এখনও থানায় কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ করেনি। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। বিকেলে কিছু নেতাকর্মী মহাসড়কে বিক্ষোভ করেছিল। পরে আমরা তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দিয়েছি।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ