আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

স্বচ্ছতার মাধ্যমে চসিককে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করা হচ্ছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ঋণ পরিশোধ ও প্রতিষ্ঠানটিকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন।সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সামছুল হক, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শওকত ওসমান এবং সহকারী সচিব এস এম হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। সভায় চসিকের পক্ষে বিভাগীয় ও শাখা প্রধানবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

মেয়র বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অতীতের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পূর্বের মেয়রদের সময়ে ঘটা একটি দূর্নীতির ঘটনায় রাজস্ব বিভাগে ফিল্ডবুক ঘষামাজা করে দুই প্রতিষ্ঠানের ৪০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় দুই কর কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত এবং তিনজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্ন বিভাগে দায়িত্বে অবহেলা করায় কয়েকজন কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই বিভিন্ন দপ্তর ও ওয়ার্ড অফিস পরিদর্শন করা হচ্ছে। নগরবাসী কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করা হচ্ছে।
হোল্ডিং ট্যাক্স ও রাজস্ব আদায় প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, অতীতে অযৌক্তিকভাবে যেসব গৃহকর নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেগুলো যৌক্তিক করতে নিয়মিত রিভিউ বোর্ড বসানো হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে সঠিক ও ন্যায্যভাবে কর নির্ধারণ করা হচ্ছে। তবে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। মেয়র বলেন, রেলওয়ে, বন্দর, তেল কোম্পানি, বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কর্পোরেট সংস্থাগুলোকে অবশ্যই তাদের প্রাপ্য রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে।

কারণ রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বর্তমানে যে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় হচ্ছে, তা প্রকৃত পাওনার তুলনায় অনেক কম। যৌথ জরিপের মাধ্যমে প্রকৃত কর নির্ধারণের কাজ চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

বন্দর বছরে ২৬৪ কোটি টাকার কর দেওয়ার কথা। সেখানে তারা দিচ্ছে মাত্র ৪৫ কোটি। আমাদের ন্যায্য যে হোল্ডিং ট্যাক্স (পৌর কর) সেটা পাচ্ছিনা। আমাদের সিটি করপোরেশনের অধীনে শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। পুরো নগরীতে আমরা ওয়ার্ড পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছি। বছরে প্রায় ৯৬ কোটি টাকা আমাদের জনস্বার্থে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। মেয়র বলেন, নগরীর সড়ক অবকাঠামোর নকশাগত ধারণক্ষমতা যেখানে সর্বোচ্চ ১০ টন, সেখানে বন্দরের ভারী যানবাহন নিয়মিতভাবে ২০ থেকে ৩৫ টন পর্যন্ত অতিরিক্ত ওজন বহন করে চলাচল করছে। একেকটি লরি অনুমোদিত সীমার তিন গুণেরও বেশি ওজন নিয়ে সড়ক ব্যবহার করছে, যা সড়কের স্বাভাবিক স্থায়িত্ব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

তিনি বলেন, একটি সড়কের গড় আয়ুষ্কাল যেখানে স্বাভাবিকভাবে তিন থেকে পাঁচ বছর থাকার কথা, সেখানে অতিরিক্ত ওজন বহনকারী এসব যানবাহনের কারণে সড়ক দ্রুত ভেঙে পড়ছে। এর ফলে প্রতি বছর শুধুমাত্র সড়ক সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। বন্দর থেকে সঠিক পরিমাণে হোল্ডিং ট্যাক্স পেলে সড়ক সংস্কার ঠিকমতো করা যাবে, যা বন্দরকে আরো সচল করবে।

চসিকের রাজস্ব বৃদ্ধি ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে অব্যবহৃত ও লোকসানি সম্পদ কাজে লাগানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মেয়র। তিনি জানান, পুরনো ভবন ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণ, আধুনিক মার্কেট ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তোলা, মধ্যবিত্তদের জন্য আবাসন প্রকল্প গ্রহণ, আন্ডারগ্রাউন্ড মার্কেটের মাধ্যমে হকার পুনর্বাসন এবং পর্যটনভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে আর কারও ওপর নির্ভরশীল রাখা যাবে না। নিজেদের সম্পদ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করে চসিককে একটি স্বাবলম্বী ও টেকসই নগর সরকার হিসেবে গড়ে তুলাই আমাদের লক্ষ্য।
মেয়র আরো বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে ছোট-বড় মিলিয়ে ১০ লক্ষাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে ধারণা করা হলেও বর্তমানে ট্রেড লাইসেন্সের সংখ্যা দেড় লক্ষেরও কম। ফলে বিপুল পরিমাণ সম্ভাব্য রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। ট্রেড লাইসেন্সের সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।

কোচিং সেন্টারসহ সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রেড লাইসেন্স এবং বিজ্ঞাপন বাবদ রাজস্ব আদায়ে জোরারোপ করা হচ্ছে। রাজস্ব আদায় জোরদার করতে লাইসেন্স ও হোল্ডিং শাখার কর কর্মকর্তা, উপকর কর্মকর্তা ও লাইসেন্স ইন্সপেক্টরদের ভেস্ট ও আইডি কার্ড প্রদান, নিয়মিত সভা, টার্গেট নির্ধারণ, প্রতিদিন মনিটরিং, সার্কেল অফিস পরিদর্শন ও মাঠপর্যায়ে ভিজিট বাড়ানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ