আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে শীতের তীব্রতায় গরম কাপড়ের জমজমাট বেচাকেনা।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রামে শীত বেড়ে গেছে। এতে গরম কাপড়ের বিক্রি বেড়েছে। ফুটপাতে সেকেন্ড হ্যান্ড কাপড়ের বিক্রি দ্বিগুণ হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, শীত বাড়লে বিক্রি বাড়ে। ক্রেতারা কম দামে শীতের কাপড় কিনতে ফুটপাতের দোকানে ভিড় করছেন। গত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি হলেও বিক্রি চলছে জমজমাট। চট্টগ্রামে শীতের মৌসুমে গরম কাপড়ের ব্যবসা হয় প্রায় ৭০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকা। শীতের মৌসুমে সাধারণত ব্যবসায়ীরা প্রথম দিকে ক্রেতাদের অভাব অনুভব করেন। কিন্তু গত দুই সপ্তাহে চট্টগ্রামে অভিজাত মার্কেট থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান গুলোতে শীতের কাপড়ের বিক্রি জমে উঠেছে। আগের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ। ক্রেতারা শীতের কাপড় কিনতে নিউমার্কেট, জহুর হকার্স মার্কেট, রিয়াজুদ্দিন বাজার, টেরি বাজার, মতি টাওয়ার, মিমি সুপার মার্কেট, আফমি প্লাজা, চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স, সানমার ওসিয়ান সিটি, ফিনলে স্কয়ার, আখতারুজ্জামান সেন্টারসহ নানা স্থানে ভিড় জমাচ্ছেন।

এ ছাড়া নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ ভ্রাম্যমাণ হকারদের কাছ থেকে শীতের কাপড় কিনছেন। ফুটপাতের হকারদের বিক্রি আগের থেকে অনেক বেড়েছে। দুই সপ্তাহ আগে তাদের দৈনিক বিক্রি ছিল ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা। কিন্তু এখন তা বেড়ে ৫/৭ হাজার টাকারও বেশি হচ্ছে।

ফুটপাতে শীতের কাপড় বিক্রেতাদেরও বিক্রি বেড়েছে। আগে তারা ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা বিক্রি করতেন। এখন তারা দৈনিক ২০ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকারও বেশি বিক্রি করছেন। এখানে সেকেন্ড হ্যান্ড শীতের কাপড় কম দামে পাওয়া যায়। তাই ক্রেতাদের ভিড় বেশি।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালসংলগ্ন ফুটপাতে সেকেন্ড হ্যান্ড কম্বল ও শীতের কাপড় বিক্রি করা ব্যবসায়ী আকতার হোসেন বলেন, ‘শীত বাড়ায় তাদের বিক্রি দ্বিগুণ হয়ে গেছে। তিন দিন সূর্যের দেখা না মিললেও শীতের কাপড়ের বিক্রি বেড়ে গেছে।

ব্যবসায়ী আসিফ জানান, তারা পাইকারি দামে শীতের কাপড় ক্রয় করে খুচরা বিক্রি করেন। সেকেন্ড হ্যান্ড কাপড় হওয়ায় তাদের দাম কম রাখতে হয়। তাই ক্রেতারা এখানে ভিড় করেন। কয়েকজন ক্রেতা বলেন, তারা সেকেন্ড হ্যান্ড কাপড় কম দামে কিনতে আসেন। তবে এ বছর দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে।

শীতের পোশাক কিনতে আসা জয়নাল বলেন, ‘কনকনে ঠান্ডা বাতাসের তীব্রতা বেড়েছে। তাই নিজের ও বাচ্চার জন্য শীতের কাপড় কিনতে এসেছি। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের কাপড়ের দামও কিছুটা বেড়েছে। ফুটপাত থেকে শীতের পোশাক কিনতে আসা দিনমজুর আলা উদ্দিন বলেন, ‘কম দামে কিছু কাপড় কিনেছি। ছেলেমেয়েরা এগুলো পেয়ে খুশি হবে।

চট্টগ্রামে শীতের মৌসুমে প্রায় ৭০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকার সেকেন্ড হ্যান্ড গরম কাপড়ের ব্যবসা হয়। সোয়েটার ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা, ছেলেদের জ্যাকেট ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, মেয়েদের সোয়েটার ও জ্যাকেট ২৫০ থেকে ৯০০ টাকায়, মাফলার ৫০ থেকে ২০০ টাকা, গরম টুপি ৫০ থেকে ২৫০ টাকা ও ছোটদের সোয়েটার ১৫০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শীত বাড়লে গরম কাপড়ের ব্যবসাও বেড়ে যায়।

ফুটপাতে ব্যবসায়ীরা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিক্রি বাড়ছে। খেতমজুর থেকে অভিজাত শ্রেণির মানুষও ফুটপাতে গরম কাপড় কিনতে আসেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ