রাজপথে লড়াই-সংগ্রামের অকুতোভয় জিয়ার সৈনিক মোঃ আবদুল জলিল  ১৭ বছর আন্দোলন করে ১৮ মামলা মাথায়,   দলের বহিস্বিকারাদেশ নিয়ে বিএনপি,র আদর্শ ধারণ করে চলেছে। 

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজপথে লড়াই-সংগ্রামের অকুতোভয় জিয়ার সৈনিক মোঃ আবদুল জলিল  ১৭ বছর আন্দোলন করে ১৮ মামলা মাথায়,   দলের বহিস্বিকারাদেশ নিয়ে বিএনপি,র আদর্শ ধারণ করে চলেছে।  তার  পুরস্কার  কি বহিষ্কার?

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কোতোয়ালী থানা শাখার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল জলিল। গত ১৭ বছর ধরে যিনি রাজপথে থেকেছেন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রথম সারিতে। মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার ও কারাবরণ সবকিছু সহ্য করেও যিনি কখনো দল ছাড়েননি। সেই পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাই আজ বহিষ্কারের বোঝা কাঁধে নিয়ে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়।

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ আগস্ট ২০২৪ ইং তারিখে উদীচী সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হলে মো. আব্দুল জলিল তা প্রতিহত করেন। বিষয়টি জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্ন ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে।

 

এরই ধারাবাহিকতায় যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৯ আগস্ট ২০২৪  মো. আব্দুল জলিলকে দল থেকে বহিষ্কার করেন। অথচ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কোনো লিখিত অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।

 

স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, আওয়ামী লীগ সরকারের টানা দমন-পীড়নের সময়ে মো. আব্দুল জলিল ছিলেন কোতোয়ালী থানা যুবদলের আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক। গত ১৭ বছরে তার বিরুদ্ধে ১৮টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়। একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে তাকে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকতে হয়েছে। হামলার শিকার হয়ে আহত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে।

 

একজন স্থানীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,জলিল ভাই রাজপথের মানুষ। আন্দোলন ছাড়া তার রাজনীতি নেই। তাকে বহিষ্কার মানে মাঠের কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়া। সাম্প্রতিক সময়ে কোতোয়ালী থানা যুবদলের সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ কোন্দল তীব্র হয়। এই প্রেক্ষাপটে ত্যাগী ও প্রভাবশালী নেতাদের সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে—এমন অভিযোগ উঠেছে দলীয় একাধিক সূত্র থেকে।

 

মো. আব্দুল জলিল নিজেও দাবি করেন, আমি কোনো বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলাম না। দলের বিরুদ্ধে নয়, বরং দল ও আদর্শ রক্ষার প্রশ্নেই আমি অবস্থান নিয়েছিলাম। সেটাকেই আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবু সুফিয়ান মো. আব্দুল জলিলের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, ১৭ বছর রাজপথে থাকা, বারবার কারাবরণ করা একজন নেতাকে এভাবে বাদ দেওয়া হলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ভুল বার্তা যাবে। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিনি আরও বলেন, দলকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে বহিষ্কারাদেশ পুনর্বিবেচনা করা এখন সময়ের দাবি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ