জাহাজভাঙা কারখানায় ডাকাতের হানা, দুই নিরাপত্তা প্রহরীর মরদেহ উদ্ধার।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গভীর রাতে একটি জাহাজভাঙা কারখানায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের হামলায় দুই নিরাপত্তা প্রহরী নিহত হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার কুমিরা নৌঘাট এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন।এদের মধ্যে একজনের লাশ তিন খণ্ডে ক্ষতবিক্ষত এবং আরেকজনের লাশ অক্ষত পাওয়া গেছে।

ডাকাতের হামলায় নিহত দুই নিরাপত্তা প্রহরী হলেন- মো. খালেদ প্রমাণিক ও মো.সাইফুল্লাহ। তাদের দু’জনের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর সদর থানার আব্দুল্লাহপুর এলাকায়। তারা সীতাকুণ্ডের কুমিরা নৌঘাট এলাকার কেআর শিপ মেকিং নামক জাহাজভাঙা কারখানায় নিরাপত্তা প্রহরী হিসাবে চাকরি করতেন।

কে আর শিপ মেকিং ইয়ার্ডের ম্যানেজার আবু সাজ্জাদ মুন্না বলেন, রবিবার দুপুরে কাটিংয়ের জন্য জাহাজভাঙা কারখানায় একটি স্ক্র্যাপ জাহাজ আনা হয়। গভীর রাতে একদল সংঘবদ্ধ ডাকাত কারখানায় আনা ওই স্ক্র্যাপ জাহাজের মালামাল লুটে হানা দেয়। এই সময় জাহাজ ভাঙা কারখানায় দায়িত্বরত দুই নিরাপত্তা প্রহরী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ডাকাতদল তাদের উপর হামলা চালায়। এতে ডাকাতের হামলায় দুই নিরাপত্তা প্রহরী নিহত হয়। সোমবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন।

শিল্প পুলিশের চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জানিয়েছেন, উভয়ে কুমিরা এলাকার ‘কেআর শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ড’ নামে একটি জাহাজভাঙা কারখানার শ্রমিক ছিলেন। তাদের লাশ পাওয়া গেছে ওই কারখানা থেকে আনুমানিক ৩৫০ মিটার দূরে একই মালিকের ‘কেআর গ্রিন শিপইয়ার্ড’ নামে আরেকটি জাহাজভাঙা কারখানা সংলগ্ন সাগর উপকূলে। এদের মধ্যে সাইফুলের লাশটি হাত, পা ও মাথা আলাদা খণ্ডবিখণ্ড অবস্থায় ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান।

ফায়ার সার্ভিসের কুমিরা স্টেশনের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, সকালে খবর পেয়ে আমরা গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করেছি। কারখানা কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছে- রাতে ওই শ্রমিকেরা একটি নৌকা (লাল বোট) নিয়ে কারখানার আশপাশে সাগর উপকূলে পাহারা দিচ্ছিলেন, এসময় ডাকাতদলের হামলায় তারা নিহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ওই নৌকায় আরও দুই শ্রমিক ছিলেন। তারা আমাদের জানিয়েছেন, ডাকাতদল আক্রমণ করার পর তারা দুজন প্রথমে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে নিজেদের রক্ষা করেন। পরে খালেক ঝাঁপ দেয়। সাইফুল ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ডাকাতরা তাকে ধরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে খুন করে। খালেকের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আমরা দেখিনি। আমাদের ধারণা, ভয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

শিল্প পুলিশের এসপি আবদুল্লাহ আল মাহমুদ আরো বলেন, কারখানার মালিকপক্ষ আমাদের জানিয়েছে, রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে দুটি নৌকায় করে একদল ডাকাত তাদের শিপইয়ার্ডের দিকে এগিয়ে আসছিল। সাইফুল ও খালেকসহ কয়েকজন শ্রমিক শিপইয়ার্ড থেকে দুটি নৌকা নিয়ে তাদের প্রতিরোধ করতে যায়। সেখানে ডাকাতরা দুজনকে হত্যা করেছে। মালিকপক্ষের এই বক্তব্য সত্য কী না সেটা আমরা যাচাইবাছাই করে দেখছি।

তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। যে শিপইয়ার্ডে ঘটনা ঘটেছে, লাশ পাওয়া গেছে তার থেকে ৩৫০ মিটার দূরে একই মালিকের আরেকটি শিপইয়ার্ডের পাশে। একটি লাশ তিন খণ্ড অবস্থায় পাওয়া গেছে। আরেকটি অবশ্য অক্ষত পাওয়া গেছে। সার্বিকভাবে আমরা তদন্ত করে দেখছি।

এদিকে স্থানীয়দের ভাষ্য উল্লেখ করে জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরাম এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কেআর রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে শিপইয়ার্ডে নতুন জাহাজ তোলার (বিচিং) সময় সিগন্যাল দেওয়া একটি নৌকার সঙ্গে জাহাজটির সংঘর্ষ হয়। এতে নৌকাটি জাহাজের নিচে তলিয়ে যায়। এতে দুজন শ্রমিকের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে ঘটনাস্থলে তারা মারা যায়।

ফোরামের আহ্বায়ক তপন দত্ত ও যুগ্ম আহ্বায়ক এ এম নাজিম উদ্দিন যুক্ত বিবৃতিতে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার জন্য তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, রাতের বেলা ঘন কুয়াশায় জাহাজ বিচিং করার কারণে এমন মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাকে ডাকাতি হিসেবে প্রচার করে মূল বিষয়কে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্র করার শুরু হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এভাবে মূল বিষয় এড়িয়ে গেলে জাহাজভাঙা শিল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সম্ভব হবে না। সুতরাং দুর্ঘটনার মূল কারণ চিহ্নিত করে যথাযথ উদ্যোগ নিলে টেকসই ও নিরাপদ জাহাজভাঙা শিল্প নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ায় প্রিজম প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলে দুই হাজার গাছের চারা বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬ দুপুরে রোটারি ক্লাব অফ ঢাকা লিজেন্ড এর আয়োজনে ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রিজম প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ফলজ, বনজ এবং ঔষধি প্রজাতির মোট ২ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে এবং শাকিল আহমেদ সজিব এর সঞ্চালনায় এই গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম চেয়ারপারসন রোটারিয়ান ফারজানা আক্তার।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান, সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস (সিপিডিএস) ঢাকার পরিচালক কৃষিবিদ মো. আতাউর রহমান, মো. দেলোয়ার হোসেন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মোঃ শাহিনুর রহমান শাহিন, প্রিজম প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলের পরিচালক মো. রাসেল আহমেদ মোল্লা, অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারি সহ ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শুধু চারা গাছ লাগানো নয়, এগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ রক্ষায় এ কর্মসূচি দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচকভাবে ভূমিকা রাখবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোটারিয়ান ফারজানা আক্তার বলেন, মানবসেবাই রোটারির মূল আদর্শ। তার মতে, শিশুদের মানসিক সুস্থতায় পাশে দাঁড়ানো শুধু একটি সামাজিক উদ্যোগ নয়, বরং মানবিক দায়িত্ব। রোটারি শুধু সেবামূলক সংগঠন নয়, এটি মানুষের কল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠান শেষে বিতরণ করা গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চলনবিলের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা, পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী বার সমিতির সভাপতি জননেতা অ্যাডভোকেট মোঃ মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার।

তিনি তার বক্তব্যে দলকে সুসংগঠিত করতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বিএনপির আদর্শ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন কে আরও বেগবান করতে নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনে উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ